পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও তাদের বিবরণ

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ও তাদের বিবরণ

উত্তর 24 পরগনা জেলা//North 24 Parganas District

কাঠালপাড়া :         সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মস্থান।

হালিশহর : সাধক কবি রামপ্রসাদের জন্মস্থান। ন্যায় শাস্ত্র ও সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র।

দক্ষিণেশ্ব : এখানকার কালীমন্দিরটি দর্শনীয়। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণু পরমহংসদেব এখানে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন।

ব্যারাকপুর : রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথের জন্মস্থান। এখানকার গান্ধীঘাট প্রসিদ্ধ ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে এখানেই প্রথম সিপাহি বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়েছিল।

কাচড়াপাড়া : কবি ঈশ্বরগুপ্তের জন্মস্থান। তাছাড়া ভারতের পূর্বাঞলে

মুরাতিপুর : হালিশহরের নিকটস্থ গ্রাম। এখানে বিখ্যাত সাহিত্যিক ভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন।

পারমাদন : (বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য)এখানে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে নদী। সকাল থেকে পাখিদের কোলাহল, রাতে আকাশ ভাঙা নক্ষত্র, মনোরম রিবেশ বুক ভরা শ্বাস নেশা ধরায়। ৬৮ বর্গকিমি জুড়ে তিন শতাধিকের বেশি বাস এখানে দেখা যায়।

সুভাষগ্রাম : পূর্ব নাম কোদালিয়া। এখানে নেতাজির পৈতৃক বাসভূমি। শিবনাথ স্ত্রী, রামনারায়ণ তর্কালঙ্কার প্রমুখ মনীষীদের জন্মস্থান।

 জলপাইগুড়ি জেলায়//Jalpaiguri district

জলপাইগুড়ি জেলায়//Jalpaiguri district

জলপাইগুড়ি : এই জেলার সদর শহর এবং ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত এখানকার মন্থনীদেবীর মন্দিরটি বিখ্যাত।

ময়নাগুড়ি : এখান থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে জর্দা নদীর কাছে প্রাচীন জল্পেশ্বরের মন্দিরটি অবস্থিত। এই মন্দিরের স্থাপত্য শিল্পে হিন্দু-মুসলিম উভয়রীতির ছাপ সুস্পষ্ট।

জয়ন্তী : এটি আলিপুরদুয়ার মহকুমায় অবস্থিত। জয়ন্তী পাহাড়চূড়ায় মহাকালের মন্দিরটি বিখ্যাত।

জলদাপাড়া : এখানে একশৃঙ্গ গণ্ডার ও বহু বন্যপ্রাণী আছে। বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র

 মুর্শিদাবাদ জেলায়//Murshidabad district

 মুর্শিদাবাদ জেলায়//Murshidabad district

জিয়াগঞ্জ : এখান পিতল কাসার বাসন তৈরির শিল্প আছে।

খোসবাগ : এখানে নবাব সিরাজদৌলার সমাধি আছে।

জঙ্গীপুর : এখানে প্রত্নতত্ত্বের অনেক নিদর্শন আছে।

রাঙামাটি : এখানে গৌড়েশ্বর শশাঙ্কের রাজধানী ছিল।

বড়নগর : এখানে চারবাংলা ও ‘ভবানীশ্বর মন্দির আছে।

লালবাগ : ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হাজারদুয়ারি প্রাসাদটি প্রাসাদে একহাজারের বেশি দরজা আছে। বর্তমানে প্রাসাদটি মিউজিয়াম দেখবার মতো। হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

 মালদা জেলা//Malda district

 মালদা জেলা//Malda district

মালদা : এখানে অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়।ব্যবসাবাণিজ্য কেন্দ্র রয়েছে। এখানকার গম্ভীরা গান বিখ্যাত।

গৌড় : এখানকার বারদুয়ারি মসজিদ, ফিরোজ মিনার, চামকাঠি মসজিদ, চিকা মসজিদ, পুরনো রাজপ্রাসাদ এখনো দেখবার মতো।

পাণ্ডুয়া : এখানকার আদিনা মসজিদ বিখ্যাত।

 নদিয়া জেলা//Nadia district

নদিয়া জেলা//Nadia district

মায়াপুর : সকন প্রতিষ্ঠিত চন্দ্রোদয় মন্দিরটি দেখার মতো।

বেথুয়াডহরি :  এখানে একটি অভয়ারণ্য আছে।

নবদ্বীপ : বৈয়বদের পবিত্র তীর্থক্ষেত্র, সংস্কৃত শিক্ষার শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান।

কৃয়নগর :  ও কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্মস্থান মাটির মূর্তি ও বিখ্যাত এখানকার জগদ্ধাত্রী পুজোরও খুব নাম আছে। বৈদ্যুতিন মনোরম কারুকার্য দেখার জন্য দুর-দূরান্তের থেকে লোক এসে ভিড় করে।

হরিণঘাটা : এখানে দুগ্ধ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।

ফুলিয়া : কবি কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থান।

পলাশি : এখানে বাংলার শেষ নবাব। সিরাজউদদৌলা ইংরেজদের হাতে পরাভূত হন। এই পরাজয় সূত্রেই ভারতের স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়।

কয়া : বিপ্লবী যতীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়ের জন্মস্থান।

শান্তিপুর : তাঁতের কাপড়ের জন্য বিখ্যাত। তাছাড়া অদ্বৈত্যচার্য এখানে বাস করতেন।

 উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা//North and South Dinajpur District

উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা//North and South Dinajpur District

বাউরিগাছ : এটি ইসলামপুর মহকুমার অন্তর্গত। এখানে এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলপ্রপাত সৃষ্টি করা হয়েছে যা পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়।

বাণগড়: এখানে খননকার্য চালিয়ে মৌর্য ও মুসলিম যুগের অনেক পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে। জায়গাটি দেখার মতো।

রায়গঞ্জ : এখানে একটি পাখিরালয় আছে।

কোচবিহার : এখানকার রাজপ্রাসাদটি দেখার মতো। রাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণ ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে এটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানকার মদনমোহন মন্দির এবং বাণেশ্বর শিবমন্দির বিখ্যাত।

গোঁসানীমারি : এখানে খ্যোন রাজবংশের রাজা নীলধ্বজের রাজ্য পাটের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাওয়া যায়। এখানকার কামতেশ্বরী মন্দির দেখার মতো।

 পুরুলিয়া জেলা ও দক্ষিন 24 পরগনা জেলা//Purulia district and South 24 Parganas district

পুরুলিয়া জেলা ও দক্ষিন 24 পরগনা জেলা//Purulia district and South 24 Parganas district

সাঁওতালডিহিঃ  এই জায়গাটি রঘুনাথপুর থানা এলাকায় অবস্থিত। এখানকার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিখ্যাত।

পুরুলিয়াঃ এখানে একটি সৈনিক স্কুল আছে। এখানকার ছৌ-নাচ বিখ্যাত।

বকখালিঃ সুন্দরবন অঞলে বকখালির সৈকতভূমি পর্যটকদের জন্য সুন্দর জায়গা

হ্যালিডে দ্বীপঃ এখানে কয়েকটি অভয়ারণ্য গড়ে উঠেছে।

বাটানগর : এখানে জুতো তৈরির বিরাট কারখানা আছে।

গঙ্গাসাগর: এখানকার কপিলমুনির মন্দিরটির খুব নাম আছে। পৌষ সংক্রান্তিতে পূণ্যস্নানের জন্য এখানে বহু তীর্থযাত্রীর সমাগম ঘটে।

ক্যানিং: মাতলা নদীর তীরে অবস্থিত নদী বন্দর। ডায়মণ্ডহারবার হুগলি নদ মোহনায় অবস্থিত একটি সুন্দর মহকুমা

গার্ডেনরিচঃ এখানে জাহাজ তৈরির কারখানা আছে।


পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা//East and West Burdwan districts

পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা//East and West Burdwan districts

রানিগঞ্জঃ কয়লাখনির জন্য বিখ্যাত। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এখানে কয়লা তোলা হয় ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে।

চিত্তরঞ্জনঃ এখানে রেলইঞ্জিন তৈরির কারখানা আছে।

দুর্গাপুরঃ এখানে সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প সহ যান্য শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। এখানে একটি রিজিওনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

বার্নপুরঃ এখানে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প গড়ে উঠেছে।দামুন্যা ও ষোড়শ শতাব্দীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম বর্তীর জন্ম হয় এখানে।

চুরুলিয়াঃ বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মস্থান।  সিঙ্গিগ্রাম : ষুোড়শ শতাব্দীতে বাংলার মহাভারত রচয়িতা কাশীরাম দাস খানে জন্মগ্রহণ করেন।

কুলীনগ্রামঃ শ্রীকৃয়বিজয় কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা মালাধর বসু এখানে জন্মগ্রহণ রেন।

আসানসোলঃ ও বিভিন্ন ধরনের শিল্প গড়ে উঠেছে বলে শিল্পাঞ্চল হিসাবে জায়গাটির নাম আছে।

কুলটি : খানে ইণ্ডিয়ান আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানির কারখানা আছে।

কাটোয়া: হিন্দুধর্ম প্রচারক ও শ্রীচৈতন্য গুরু কেশব ভারতীর জন্মস্থান।

বর্ধমান: মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে। অতি প্রাচীন শহর। এখানে শর আফগানের জায়গির ছিল। ওঁর স্ত্রী মেহেরউন্নিসা পরে জাহাঙ্গিরের পত্নী হয়ে ভারত সম্রাজ্ঞী হন। তাছাড়া বর্ধমান মহারাজের নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। ও

আউস:  গ্রাম ও প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত।

বাঁকুলিয়াঃ বর্ধমানের এই গ্রামে কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম।

 বাঁকুড়া জেলা//Bankura district

বাঁকুড়া জেলা//Bankura district

বাউরিগাছ : এটি ইসলামপুর মহকুমার অন্তর্গত। এখানে এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলপ্রপাত সৃষ্টি করা হয়েছে যা পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়।

বাণগড়: এখানে খননকার্য চালিয়ে মৌর্য ও মুসলিম যুগের অনেক পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে। জায়গাটি দেখার মতো।

রায়গঞ্জ : এখানে একটি পাখিরালয় আছে।

কোচবিহার : এখানকার রাজপ্রাসাদটি দেখার মতো। রাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণ ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে এটি নির্মাণ করেছিলেন। এখানকার মদনমোহন মন্দির এবং বাণেশ্বর শিবমন্দির বিখ্যাত।

গোঁসানীমারি : এখানে খ্যোন রাজবংশের রাজা নীলধ্বজের রাজ্য পাটের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাওয়া যায়। এখানকার কামতেশ্বরী মন্দির দেখার মতো।

জয়রামবাটি : ও বিষ্ণুপুর মহকুমার অন্তর্গত জয়রামবাটিতে শ্রীমা সারদা জন্মগ্রহণ করেছিলেন

বিষ্ণুপুর : টেরাকোটা শিল্পের জন্য বিখ্যাত বিষ্ণুপুর সংগীত ঘরানার খুব নাম আছে।

বাঁকুড়া: জেলার সদর শহর। বাঁকুড়া শিল্পী যামিনী রায় ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি এখানে অবস্থিত। বিখ্যাত শিল্পী যামিনী রায় ও ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজ এখানেই জন্মগ্রহণ করেন।

Leave a Comment