পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক বিবরণ//Geographical Description of West Bengal

পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক বিবরণ//Geographical Description of West Bengal

পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক বিবরণ



সীমা : পশ্চিমবঙ্গের উত্তরে সিকিম ও ভুটান, পূর্বে অসম ও বাংলাদেশ দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে নেপাল, বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড।

বাংলা নামটি কীভাবে এসেছে?

১১০০ শতাব্দীতে তাঞ্জোর শিলালিপিতে ‘বঙ্গল’ শব্দটির উল্লেখ লক্ষ করা যায়। এই শব্দটি থেকে আরবি ও ফারসিতে বাঙ্গালা নাম হয়েছে, পরবর্তী সময়ে বাংলা’ বা ‘বঙ্গভূমি’ হয়েছে।

বাংলা ভাষার উদ্ভব কীভাবে হয়েছে?

বাংলা ভাষায় অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও আর্য ভাষাগোষ্ঠীর প্রভাব লক্ষ করা যায়। আজ থেকে প্রায় একহাজার বছর আগে অস্ট্রিক ও দ্রাবিড় ভাষা আর্য ভাষার সঙ্গে মিশে যায়। তখন থেকে বাংলা ভাষা একটা নিজস্ব রূপলাভ করে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালে যে বৌদ্ধ চর্যাপদ আবিষ্কার করেন তা বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকার করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান নদীর নাম কী ?

ভাগীরথী। যাকে আমরা বলি গঙ্গা নদী।

ভাগীরথীর প্রধান উপনদীগুলোর নাম কী কী?

রূপনারায়ণ, ময়ূরাক্ষী, দামোদর, অজয়।

ভাগীরথীর প্রধান দুটি শাখার নাম কী ?      

জলঙ্গী ও চুণী। পশ্চিমবঙ্গে ব্ৰক্ষ্মপুত্রের কয়েকটি উপনদীর নাম বলো। তিস্তা,তোর্সা, জলঢাকা, কালজানি, রায়ঢ়ক, সঙ্কোশ ইত্যাদি। পশ্চিমবঙ্গের মধ্যাংশের প্রধান নদীগুলোর নাম কী কী? গঙ্গা, জলঙ্গী, চুণী, মাথাভাঙা ইত্যাদি। গগার কয়েকটি উপনদীর নাম বলো। মহানন্দা, পুনর্ভবা, আত্রাই।

পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাংশে প্রবাহিত প্রধান নদীগুলোর নাম কী কী?

দামোদর, অজয়, রূপনারায়ণ, দ্বারকা, ব্রাত্মণী, ময়ূরাক্ষী, সুবর্ণরেখা, কংসাবতী ইত্যাদি।

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাংশের প্রধান নদীগুলোর নাম কী কী ?

ইছামতী, বিদ্যাধরী, মাতলা, পিয়ালী, রায়মঙ্গল ইত্যাদি।

ময়ূরাক্ষী নদীর উৎসস্থল কোথায় ?

ঝাড়খণ্ডের চিত্রকূট পর্বত। রূপনারায়ণ নদী কোন্ কোন্ নদীর ধারায় পুষ্ট? দ্বারকেশ্বর ও শিলাই নদীর মিলিত ধারায় পুষ্ট।

তিলপাড়া বাঁধ কোথায় অবস্থিত?

বীরভূম জেলায় সিউড়ির কাছে ময়ুরাক্ষী নদীর উপর।

বাঁকুড়া জেলায় কোন্ নদীর উপর বাঁধ দেওয়া হয়েছে?

কংসাবতী ও তার উপনদী কুমারী নদীতে বাঁধ দেওয়া হয়েছে।

কোন্ কোন্ জেলার উপর হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলের প্রভাব লক্ষ করা যায় ?

দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের উত্তরভাগের ওপর।

অযোধ্যা পাহাড় কোন্ জেলায় অবস্থিত?

পুরুলিয়া জেলায় অবস্থিত।

শুশুনিয়া পাহাড় কোন্ জেলায় অবস্থিত?

বাঁকুড়া জেলায় অবস্থিত।

পাঞ্চেত কোথায় অবস্থিত?

পুরুলিয়ার জঙ্গলাকীর্ণ একটি পাহাড়ের নাম পাঞ্চেত।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলাকে কটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে? সেগুলির নাম কী?

মোট ৫টি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে।

 

মালদা বিভাগ

 মালদা

দিনাজপুর দক্ষিণ

দিনাজপুর মুর্শিদাবাদ

বর্ধমান বিভাগ

 বীরভূম হুগলি

পশ্চিম বর্ধমান

পূর্ব বর্ধমান

জলপাইগুড়ি বিভাগ

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

দার্জিলিং

জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং

প্রেসিডেন্সী বিভাগ

হাওড়া

কলকাতা

নদীয়া

উত্তর ২৪ পরগণা

দক্ষিণ ২৪ পরগণা

মেদিনীপুর বিভাগ

বাঁকুড়া ঝাড়গ্রাম

পুরুলিয়া

পূর্ব মেদিনীপুর

পশ্চিম মেদিনীপুর

আয়তনে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম জেলা  দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি ?

কলকাতা (আয়তনে)। (সদর),

উত্তর চব্বিশ পরগনায় কটি মহকুমা ?

উত্তর চব্বিশ পরগনায় পাঁচটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) বারাসাত (২) ব্যারাকপুর, (৩) বসিরহাট, (৪) বনগাঁ ও (৫) বিধাননগর।

মহকুমাগুলোর নাম কী কী?

পাঁচটি মহকুমা। মহকুমাগুলোর নাম হল- (1) আলিপুর (সদর), (2) ডায়মন্ড , (3) ক্যানিং, (4) বারুইপুর এবং (5) কাকদ্বীপ।

নদিয়া জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী?

চারটি মহকুমা। মহকুমাগুলোর নাম হল- (১) কয়নগর (সদর), (২) রানাঘাট, (৩) কল্যানী এবং (৪) তেহট্ট।

মুর্শিদাবাদ জেলায় কটি মহকুমা ?

সেগুলোর নাম কী কী? পাঁচটি মহকুমা। মহকুমাগুলোর নাম হল- (১) বহরমপুর (সদর), (২) লালবাগ, (৩) জঙ্গিপুর, (৪) কান্দি এবং (৫) ডমকল।

হাওড়া জেলায় কটি মহকুমা? সেগুলোর নাম কী কী?

দুটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) হাওড়া (সদর) এবং (২) উলুবেড়িয়া

পূর্ব বর্ধমান জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী?

চারটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) বর্ধমান উত্তর, (২) বর্ধমান দক্ষিণ, (৩) কাটোয়া ও (৪) কালনা। পশ্চিম

বর্ধমান জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী?

দুটি মহকুমা। সেগুলো হল-(১) আসানসোল সদর, (২) দুর্গাপুর।

বীরভূম জেলায় কটি মহকুমা? সেগুলোর নাম কী কী?

বীরভূম জেলায় তিনটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) সিউড়ি (সদর), (২) বোলপুর এবং (৩) রামপুরহাট।

বাঁকুড়া জেলায় কটি মহকুমা ? পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী ?

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় চারটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) তমলুক, (২) কন্টাই, (৩) এগরা এবং (৪) হলদিয়া।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী ?

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তিনটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) মেদিনীপুর (সদর), (২) খড়গপুর ও (৩) ঘাটাল।

ঝড়গ্রাম জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী ?

একটি মহকুমা। সেটি হল-(১) ঝাড়গ্রাম।

হুগলি জেলায় কয়টি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কি

হুগলি জেলায় চারটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) চুচুড়া, (২) শ্রীরামপুর, (৩) চন্দননগর এবং (৪) আরামবাগ।

পুরুলিয়া জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী ?    

বাঁকুড়া জেলায় তিনটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) বাঁকুড়া (সদর), (২) খাতভা, (৩) বিপুর।

হুগলি জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী ?

মহকুমা। সেগুলোহল- (১) পুরুলিয়া সদর (পূর্ব), ২) পুরুলিয়া সদর (পশ্চিম) এবং (৩) রঘুনাথপুর। পুরুলিয়া জেলায় তিনটি

দার্জিলিং জেলায় কয়টি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী ?

দার্জিলিং জেলায় তিনটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) দার্জিলিং (সদর), (২) শিলিগুড়ি এবং (৩) কার্শিয়াং।

জলপাইগুড়ি জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী?

১টি। আলিপুরদুয়ার। ),

মালদা জেলাতে কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী ?

মালদা জেলাতে দুটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) মালদা (সদর) ও (২) চোচল। উত্তরবঙ্গের সমভূমি অঞ্চল কোথায়?

জলপাইগুড়ি জেলায় দুটি মহকুমা। সেগুলি হলো-

(১) জলপাইগুড়ি (সদর) এবং (২) মালবাজার।

আলিপুরদুয়ার জেলায় কটি মহকুমা ?

একটি মহাকুমা আলিপুর দুয়ার

কোচবিহার জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী?

কোচবিহার জেলায় পাঁচটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) কোচবিহার (সদর), (২) দিনহাটা, (৩) তুফানগঞ্জ, (৪) মাথাভাঙা এবং (৫) মেখলিগঞ্জ।

উত্তর দিনাজপুর জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী?

উত্তর দিনাজপুর জেলায় দুটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) রায়গঞ্জ (সদর) এবং (২) ইসলামপুর।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় কটি মহকুমা ? সেগুলোর নাম কী কী?

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দুটি মহকুমা। সেগুলো হল- (১) বালুরঘাট (সদর এবং (২) গঙ্গারামপুর।

পশ্চিমবঙ্গের কোন্ অংশ মালভূমির ঝালর অঞ্চল নামে খ্যাত?

ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পশ্চিমাংশ, পুরুলিয়া জেলা এবং বর্ধমান, বীরভূম ও বাঁকুড়া জেলার অনেকাংশ। এখানকার মালভূমি যেন ঝালর দেওয়া বস্ত্রখণ্ডের প্রান্তভাগের মতো।

দার্জিলিং জেলার দক্ষিণভাগ, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলার অনেকাংশ নিয়ে গঠিত উত্তরবঙ্গের সমভূমি অঞ্চল। রাঢ় সমভূমি অঞ্চল কোথায় ?

বীরভূম ও বাঁকুড়ার প্রায় সমগ্র অংশ এবং মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম,হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর ও হুগলি নিয়ে গঠিত রাঢ় সমভূমি অঞ্চল।

পশ্চিমবঙ্গের অরণ্যকে কটি প্রধান ভৌগোলিক অঞ্চলে বিভক্ত করা যায় ও কী কী?

পশ্চিমবঙ্গের অরণ্যকে তিনটি প্রধান ভৌগোলিক অঞলে বিভক্ত করা যায় সেগুলো হল- (১) হিমালয় পর্বতের পাদদেশ সংলগ্ন অরণ্য এবং তরাই দুয়ার্সের সমতলভূমি বন, (২) বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলাধীন মালভূমি অণ্ডলের মরণ্য এবং (৩) দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা ও উত্তর চব্বিশ পরগনার কিছু অংশ জুড়ে ব্যাপ্ত সুন্দরবনের অরণ্য।

এ্যানগ্রোভ জাতীয় বৃক্ষ কোথায় জন্মায় ?

সুন্দরবনের ব-দ্বীপ অঞ্চলে। পশ্চিমবঙ্গে বনাঞ্চলের পরিমাণ কত? মাতো জমির ১৩.৭২ শতাংশ। বনাঞ্চলের পরিমাণ ১১ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৫১ হেক্টর।

পশ্চিমবঙ্গের বনাঞ্চলে কী কী গাছ পাওয়া যায়?

ম্যানগ্রোভ জাতীয় বৃক্ষ পশ্চিমবঙ্গের বনাঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের গাছ পাওয়া যায়। সেগুলোর মধ্যে আছে। , সেগুন, পাইন, ফার, রদোডেনড্রন, পিটুলি, বহেড়া, চাপা, গামাই, শিশু, , মহুয়া, অর্জুন, জাম, দেবদারু, ছাতিম, শিমুল, ওক, বাঁশ ও বিভিন্ন ধরনের ভেষজ গাছ পাওয়া যায়ড

জলপাইগুড়ি জেলার কটি অভয়ারণ্য আছে?

বেথুয়াডহরিতে। বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য কোথায় অবস্থিত? বনগাঁর অদূরে চালকি ব্যারাকপুর গ্রামে বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কুমির অভয়ারণ্য আছে? সুন্দরবন অঞ্চলে। দিয়ারা বলতে কোন্ অঞ্চলকে বোঝায়? মালদহ জেলার দক্ষিণাংশ দিয়ারা নামে পরিচিত।

নদিয়া জেলায় কোথায় অভয়ারণ্য আছে?

জলপাইগুড়ি জেলায় তিনটি অভয়ারণ্য আছে। সেগুলাে হল- (১) জলদাপাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, (২) গোরুমারা অভয়ারণ্য এবং (৩) চাপমারি অভয়ারণ্য। জলপাইগুড়ি জেলার ব্যাঘ্র সংরক্ষণ এলাকাটির নাম কী? বক্সা টাইগার রিজার্ভ।

সুন্দরবন অঞ্চলের নাম সুন্দরবন হল কেন?

এখানকার অরণ্যে অনেক সুন্দরী গাছ রয়েছে বলে। বারেন্দ্রভূমি বলতে কোন্ অঞ্চলকে বোঝায়? কুমির অভয়ারণ্য মালদহ জেলার পূর্বাংশ এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার দক্ষিণ পূর্বাংশে প্রাচীন পলি দ্বারা গঠিত অঞ্চলকে।

কুলিক অভয়ারণ্য কোথায় ?

উত্তর দিনাজপুরে।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান প্রধান উপজাতি সম্প্রদায় কারা?

সাঁওতাল, মুণ্ডা, রাজবংশী, মর্চা, ওরাওঁ, লেপচা, চাকমা, টোটো ইত্যাদি।

পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কোথায় কয়লাখনি আছে?

রানিগঞ্জ, আসানসল, অণ্ডাল, জামুরিয়া, রামনগর, দিশেরগড়, সালানপুর, বরাকর ইত্যাদি অঞলে কয়লাখনি আছে

পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কোথায় কাগজের কল আছে?

টিটাগড়, নৈহাটি, কাঁকিনাড়া, হালিশহর, আসানশোল, শ্রীরামপুর, রানিগঞ্জ, ত্রিবেণী ইত্যাদি অঞলে কাগজের কল আছে।

উত্তর বঙ্গের কোন জেলায় চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত ?

বিভিন্ন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলা চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।

পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কোথায় লৌহ ও ইস্পাত শিল্প গড়ে উঠেছে?

প্রধানত দুর্গাপুর, বার্নপুর ও কুলটি অঞ্চলে। পশ্চিমবঙ্গের কোথায় মটরগাড়ি নির্মাণের কারখানা আছে? হুগলি জেলার হিন্দমটরে। কারখানাটির নাম হিন্দুস্থান মটরস্ লিমিটেড।

পশ্চিমবঙ্গের কোথায় কোথায় পাটশিল্প গড়ে উঠেছে?

পশ্চিমবঙ্গের পাটকলগুলোর বেশিরভাগ কলকাতা এবং এর সন্নিহিত হুগলি নদীর উভয় তীরে গড়ে উঠেছে। নৈহাটি, কাঁকিনাড়া, শ্যামনগর, জগদ্দল শ্রীরামপুর, পানিহাটি, বালি, টিটাগড়, রিষড়া, কোন্নগর, বরাহনগর, সাঁকরাইল, বজবজ, বেলঘরিয়া, আগরপাড়া, উলুবেড়িয়া, ভদ্রেশ্বর, বাঁশবেড়িয়া, বিড়লাপুর, রামকৃয়পুর (হাওড়া) ইত্যাদি অঞ্চলে পাটকলগুলো গড়ে উঠেছে।

তাঁতবস্ত্রের জন্য পশ্চিমবঙ্গের শান্তিপুর, ফরাসডাঙা, ধনেখালি, বেগমপুর, ফুলিয়া, শ্রীরামপুর, রাজারহাট, গৌরহাটি ইত্যাদি অঞ্চল প্রসিদ্ধ। পশ্চিমবঙ্গের কোথায় লাক্ষা শিল্প গড়ে উঠেছে?

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের অঞ্চলে লাক্ষা শিল্প গড়ে উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গের কোন্ অঞল চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত?

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি জেলার চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত

পশ্চিমবঙ্গের কোথায় রেলইঞ্জিন তৈরির কারখানা আছে?

চিত্তরঞ্জনে। কারখানাটির নাম চিত্তরঞ্জন লকোমটিভ ওয়ার্কস্।

পশ্চিমবঙ্গের কোথায় জাহাজ নির্মাণের কারখানা আছে?

গার্ডেনরিচে (খিদিরপুর) জাহাজ নির্মাণের কারখানা আছে।

Leave a Comment