প্রধানমন্ত্রী// Description of West Bengal

 প্রধানমন্ত্রী// Description of West Bengal

ভারতীয় শাসন ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী ব্যক্তি। মন্ত্রিপরিষদ গঠনে কার্যত প্রধানমন্ত্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই অন্যান্য মন্ত্রীদের নিযুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভায় পৌরোহিত্য করেন। সব মন্ত্রীই প্রত্যক্ষভাবে প্রধানমন্ত্রীর নিকট দায়ী থাকেন। কোনো মন্ত্রী সরকারের গৃহীত নীতি অনুসরণ না করলে সেই মন্ত্রীকে পদচ্যুত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ

দিতে পারেন। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

 কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ//Union Council of Ministers

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ//Union Council of Ministers

ভারতের প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদ যৌথভাবে লােকসভার কাছে দায়িত্বশীল থাকেন। ক্যাবিনেট মন্ত্রী, রাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী– এই তিন শ্রেণির মন্ত্রী নিয়ে সাধারণত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।

  রাজ্যপাল//Governor

 রাজ্যপাল//Governor

ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলোর শাসনকাঠামো রাজ্যপাল ও রাজ্যমন্ত্রিসভা নিয়ে। গঠিত। ভারতের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের শাসন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী হলেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নইয়জিত হন। রাজ্যপালের ক্ষমতাকে পাঁচটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। সেগুলো হল(ক) শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা,

 

(গ) অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,

 

(ঙ) স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা।

 

(খ) আইন সংক্রান্ত ক্ষমতা, (ঘ) বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা, এবং

 

রাজ্যপাল বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ করেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ করেন। সাধারণত রাজ্যে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য হিসেবেও রাজ্যপালগণ দায়িত্ব পালন করেন রাজ্যপালের সম্মতি ছাড়া কোনো বিল আইনে পরিণত হতে পারে না। রাজ্যপালের নামেই রাজ্যের শাসনবিভাগের কার্যাবলী সম্পাদিত হয়।

 রাজ্যের বিধানসভা//State Legislature

রাজ্যের বিধানসভা//State Legislature

রাজ্যের বিধানসভা//Geographical Description of West Bengal স্পিকার নির্বাচন করতে পারেন। মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা অনিবার্য কারণ উপস্থিত হলে রাজ্যপাল পাঁচ বছরের জন্য যৌথভাবে তাদের কাজের জন্য বিধানসভার নিকট দায়ী থাকেন। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মােট সদস্যসংখ্যা হল ২৯৪ জন।

 রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী// Description of West Bengal

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী//Description of West Bengal

রাজ্যের শাসন পরিচালনায় সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হল। মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের মন্ত্রিপরিষদের নেতৃত্বে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন করে থাকেন। মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সভাপতিত্ব করে থাকেন। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বিষয়ে রাজ্যপালকে অবহিত করার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর। জনসংযোগ রক্ষা করা মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ মুখ্যমন্ত্রীকেই রাজ্যের প্রকৃত শাসক বলা হয়ে থাকে। তার পরামর্শক্রমেই রাজ্যপাল যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন। তবে মুখ্যমন্ত্রীর পদমর্যাদা নির্ভর করে তাঁর ব্যক্তিত্ব, যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতার উপর।

 ভারতের বিচারব্যবস্থা//The judiciary of India

ভারতের বিচারব্যবস্থা//The judiciary of India

সুপ্রিম কোর্ট বা প্রধান ধর্মাধিকরণ হল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এলাকাকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা—

1. মূল এলাকা : রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যের কিংবা রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের বিরোধ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে সুপ্রিম কোর্ট।

2.আপিল এলাকা : দেওয়ানি, ফৌজদারি কিংবা সংবিধান সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা চলে।

3. পরামর্শদান এলাকা : আইন সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে জটিলতা দেখা দিলে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ চাইতে পারেন।

4, আদেশ, নির্দেশ ও পরোয়ানা জারির এলাকা : কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন হলে সুপ্রিম কোর্ট আদেশ, নির্দেশ কিংবা পরোয়ানা জারি করতে পারে।        

 ভারতের উপরাষ্ট্রপতি//Vice President of India

ভারতের উপরাষ্ট্রপতি//Vice President of India

ভারতীয় সংবিধানে পাঁচ বছরের জন্য একজন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান রয়েছে। ভারতীয় সংসদের উভয়কক্ষের সদস্যদের নিয়ে একটি নির্বাচকমণ্ডলী তৈরি করা হয়। তারাই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে তাকে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। অন্তত ৩৫ বছর বয়স্ক এবং রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হবার মতো যোগ্যতা থাকতে হবে। উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন। কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়ে পড়লে নতুন রাষ্ট্রপতির নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত উপরাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতির কাজ পরিচালনা করেন।

 রাজ্যসভা//Rajya Sabha

রাজ্যসভা//Rajya Sabha

এটি একটি স্থায়ী সংস্থা। এতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ও কেন্দ্রশাসিত অঞলের অনধিক ২৫০ জন প্রতিনিধি থাকেন। সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান, সমাজসেবা ইত্যাদি বিষয়ে যাঁদের পারদর্শিতা আছে রাষ্ট্রপতি এরকম ১২ জন সদস্যকে নির্বাচন করেন যাঁরা ২৫০ জন প্রতিনিধির অন্তর্ভুক্ত। ২৩৮ জন সদস্য ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভাগুলোর দ্বারা নির্বাচিত হন। ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হলেন রাজ্যসভার সভাপতি।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালগন//Governor of West Bengal 

 পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল গান//Governor of West Bengal Song

                               নাম                              

সময়কাল

চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী

১৯৪৭-১৯৪৮

কৈলাসনাথ কাটজু

১৯৪৮-১৯৫১

হরেন্দ্রকুমার মুখার্জী

১৯৫১-১৯৫৬

শ্ৰীমতী পদ্মজা নাইডু

১৯৫৬-১৯৬৭

ধর্মবীর

১৯৬৭-১৯৬৯

দীপনারায়ণ সিংহ (অস্থায়ী)

১৯৬৯-১৯৬৯

ড. শান্তিস্বরূপ ধাওয়ান

১৯৬৯-১৯৭১

এ.পি. শর্মা সতীশ চন্দ্র (অস্থায়ী)

১৯৭১-১৯৭৭

উমাশঙ্কর দীক্ষিত

১৯৭৭-১৯৮১

এ.এল.ডায়াস

১৯৮১-১৯৮৩

টি. এন. সিংহ

১৯৮৩-১৯৮৪

ভৈরবদ পাণ্ডে

১৯৮৪-১৯৮৪

উমাশঙ্কর দীক্ষিত

১৯৮৪-১৯৮৬

 

Leave a Comment