ভারতের এক লক্ষের বেশি প্রচারসংখ্যা বিশিষ্ট সংবাদপত্র//Newspapers with a circulation of over one lakh in India

 ভারতের এক লক্ষের বেশি প্রচারসংখ্যা বিশিষ্ট সংবাদপত্র//Newspapers with a circulation of over one lakh in India

ভারতের এক লক্ষের বেশি প্রচারসংখ্যা বিশিষ্ট সংবাদপত্র//Newspapers with a circulation of over one lakh in India

১। টাইমস্ অব ইন্ডিয়া(ইংরেজি)

২। আনন্দবাজার (বাংলা)

৩। মালয়ালা মনোরমা (মালয়ালম)

৪। গুজরাত সমাচার (গুজরাতি)

৫। ইনাডু (তেলেগু)

৬। দি হিন্দু (ইংরেজি)

৭। মাতৃভূমি (মালয়ালম)

৮। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (ইংরেজি)

৯। দৈনিক জাগরণ (হিন্দি)

১০। ই-কেলাব (উর্দু)

১১। স্টেটম্যান (ইংরেজি)

১২। ট্রিবিউন (ইংরেজি)

১৩। নই দুনিয়া (হিন্দি)

১৪। কেরালা কৌমুদী (মালয়ালম)

১৫। পাঞ্জাব কেশরী (হিন্দি)

১৬। হিন্দুস্থান (হিন্দি)

১৭। দিনমণি (তামিল)

১৮। নবভারত টাইমস্ (হিন্দি)

১৯। বর্তমান (বাংলা)

২০। আজকাল (বাংলা)

 

ভারতীয় রেলপথ//Indian Railways

 ভারতীয় রেলপথ//Indian Railways

ভারতীয় রেলপথ এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম এবং পৃথিবীর মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেছে। ভারতীয় রেলে প্রায় পাঁচ লক্ষের মতো কর্মী কাজ করে। ভারতে তিন ধরনের রেল চলাচল করে, সেগুলো হল– (১) ব্রড গেজ, (২) মিটার গেজ এবং (৩) ন্যারো গেজ। তাছাড়া কলকাতা, ব্যাঙ্গালোর এবং দিল্লিতে আছে মেট্রো রেল বা পাতাল রেল। ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দের ১৬ এপ্রিল ভারতে প্রথম রেল ব্যবস্থা চালু হয়। সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য ভারতীয় রেলপথকে বর্তমানে ষোলোটি বিভাগে  বিভক্ত করা হয়েছে

১। দক্ষিণ রেলপথ : এর উদবোধন হয় ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে। চেন্নাইতে এর সদর দপ্তর। এই রেলপথে ছটি বিভাগ আছে।

২। মধ্য রেলপথ : এর সদর দপ্তর মুম্বাই শহরে। এই জোনে পাঁচটি বিভাগ আছে।

৩। পশ্চিম রেলপথ : ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর এটি চালু হয়েছে। এর সদর দপ্তর মুম্বাই শহরে। এই জোনেও পাঁচটি বিভাগ আছে।

৪। পূর্ব রেলপথ : এর সদর দপ্তর কলকাতায়। ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগস্ট এর কাজ শুরু হয়। এই জোনেও বিভাগের সংখ্যা পাঁচটি।

৫। উত্তর রেলপথ : ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ১৪ এপ্রিল এই জোনটি খোলা হয়। নয়া দিল্লিতে এর সদর দপ্তর। এই জোনে ছটি বিভাগ আছে।

৬। দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথ : ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১ আগস্ট এই জোনটি খোলা হয়। এর সদর দপ্তর কলকাতায়। এই জোনে সাতটি বিভাগ আছে।

৭। উত্তর-পূর্ব রেলপথ : এই জোনের সদর দপ্তর উত্তর প্রদেশের গোরক্ষপুরে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ১৪ এপ্রিল এই জোনটি খোলা হয়। এই জোনের বিভাগের সংখ্যা চার।

৮। দক্ষিণ-মধ্য রেলপথ :  ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২ অক্টোবর এই জোনটি ভালো হয়। এর সদর দপ্তর অন্ধ্রপ্রদেশের সেকেন্দ্রাবাদে। এই জোনে বিভাগের সংখ্যা চার।

৯। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলপথ : ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দের ১৫ জানুয়ারি এই জোন খোলা হয়। এর সদর দপ্তর অসমের মালিগাঁওয়ে। এই জোনে বিভাগের সংখ্যা পাঁচ। পরবর্তী সময়ে আরো কয়েকটি নতুন বিভাগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

১০। পূর্বসীমান্ত রেলপথ : সদর দপ্তর ওড়িশার ভুবনেশ্বরে।

১১। উত্তরমধ্য রেলপথ : উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ শহরে এর সদর দপ্তর।

১২। পূর্বমধ্য রেলপথ : বিহারের হাজিপুর শহরে এর সদর দপ্তর।

১৩। উত্তর-পশ্চিম রেলপথ : এর সদর দপ্তর রাজস্থানের জয়পুর শহরে।

১৪। দক্ষিণ-পশ্চিম রেলপথ : এর সদর দপ্তর কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালোর শহরে।

১৫। পশ্চিম-মধ্য রেলপথ :  মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর শহরে এর সদর দপ্তর।

১৬। দক্ষিণ-পূর্ব কেন্দ্রীয় রেলপথ : সদর দপ্তর ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরে।

তাছাড়া কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ ও ব্যাঙ্গালোরে মেট্রোরেলের ব্যবস্থা রয়েছে।বর্তমানে ভারতে ৮৫টি বিমান অবতরণ ক্ষেত্র আছে। বিমান অবতরণ ক্ষেত্রগুলোকে চারটি ভাগে বিভক্ত করা যায়, সেগুলো হল-

(১) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,

(২) প্রধান বিমানক্ষেত্র,

(৩) মাধ্যমিক বিমানক্ষেত্র এবং

(৪) ক্ষুদ্র বিমানক্ষেত্র।

ভারতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো পরিচালনার ভার ইন্টারন্যাশনা | এয়ারপোর্ট অথরিটির উপর দেওয়া হয়েছে। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ১ এপ্রিল এই সংস্থাটি। গঠন করা । ভারত বিষয়ক

 

 ভারতের প্রধান প্রধান জাতীয় সড়ক//India’s main national highway

 ভারতের প্রধান প্রধান জাতীয় সড়ক//India’s main national highway

1. গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড: কলকাতা থেকে অমৃতসর পর্যন্ত।

2. মুম্বাই রোড : কলকাতা থেকে মুম্বাই পর্যন্ত।

3. কলকাতা-চেন্নাই সড়ক : কলকাতা থেকে চেন্নাই পর্যন্ত।

4. বেনারস কন্যাকুমারিকা সড়ক : বেনারস থেকে তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারিকা

5. মুম্বাই-চেন্নাই সড়ক : পর্যন্ত মুম্বাই থেকে ব্যাঙ্গাlলোর হয়ে চেন্নাই

6. বিহার-অসম সড়ক : বিহার থেকে অসম পর্যন্ত বিস্তৃত ।

7. শিলিগুড়ি-গ্যাংটক সড়ক : শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক পর্যন্ত

8. লখনউ-বারৌনী সড়ক : উত্তরপ্রদেশের আগ্রা থেকে মুম্বাই পর্যন্ত           

9. আগ্রা-মুম্বাই সড়ক : উত্তরপ্রদেশের আগ্রা থেকে মুম্বাই পর্যন্ত

10. অসম-আগরতলা সড়ক : ত্রিপুরার আগরতলা থেকে অসমের নমাটি পর্যন্ত বিস্তত।

 ভারতের প্রধান প্রধান বন্দরসমূহ//Major Ports of India

ভারতের প্রধান প্রধান বন্দরসমূহ//Major Ports of India

ভারতের প্রধান প্রধান বন্দরসমূহ : বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর ও আরব সাওগর ভারতের মাটি ছুঁয়ে বয়েI সবমিলিয়ে ভারতের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য পাঁচ হাজার ছয়শো নব্বই কিলোমিটার। মালপত্র আমদানি ও রপ্তানির সুবিধার জন্য এই দীর্ঘ উপকূলে দশটি বন্দর ও ১৮৮টি মাঝারি ও ছোটো বন্দর গড়ে উঠেছে। এখানে ভারতের =য়েকটি প্রধান বন্দরের কথা উল্লেখ করা হল

কলকাতা : কলকাতা বন্দর বঙ্গোপসাগর থেকে মাত্র ৯০ মাইল দূরে হুগলি দীর তীরে অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বিহার, ওড়িশা ও উত্তরপ্রদেশের উৎপন্ন ব্য এই বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি হয়ে থাকে। কলকাতা বন্দর পৃথিবীর বৃহত্তম পাটজাত ব্য রপ্তানির কেন্দ্র।

মুম্বাই : আরব সাগরের তীরে অবস্থিত ভারতের প্রধান বন্দর। তামিলনাড়ু , অন্ত্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এইসব স্থানের দ্রব্য এই বন্দরের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি হয়। এখানে পেট্রোলিয়াম ও ব্যাস আবিষ্কারের ফলে জায়গাটির গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেছে। মুম্বাইকে ‘ভারতের প্রবেশদ্বার’ বলা হয়ে থাকে। মুম্বাই ভারতের একটিমাত্র মুক্ত বন্দর।

(যে বন্দর সমগ্র দেশের পণ্য বা সমগ্র দেশের বন্দরের পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করে তাকে মুক্ত বন্দর বলে।)

চেন্নাই : এটি ভারতের তৃতীয় প্রধান বন্দর। তুলাজাত দ্রব্য, চামড়ার জিনিস, সগারেট ইত্যাদি এই বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি হয়ে থাকে।

বিশাখাপত্তনম্ : এই বন্দরটি অন্ধ্রপ্রদেশে অবস্থিত। আকরিক লোহা, , বাদাম, চামড়াজাত জিনিস ইত্যাদি দ্রব্য এই বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি হয়ে । এটি ভারতের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের কেন্দ্রস্থল। এই বন্দরটি সংরক্ষিত, সরকারি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

কোচিন (কোচি) : এটি কেরল রাজ্যে অবস্থিত। কফি, চা, কাজুবাদাম , তেল, রবার মাদুর ইত্যাদি এই বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি হয়।

তুতিকোরিন : এটি তামিলনাড়ুর রাজ্যে অবস্থিত। এখান থেকে সাধারণত আকরিক লোহা রপ্তানি করা হয়ে থাকে।

পারাদ্বীপঃ এই বন্দরটি ওড়িশা রাজ্যে অবস্থিত। এটি ভারতের গভীরতম বন্দর। এখান থেকে আকরিক লোহা, কয়লা, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি রপ্তানি করা হয়ে থাকে।

 খালা : এটি গুজরাট রাজ্যে অবস্থিত। এই বন্দরটিকে কেন্দ্র করে ‘গান্ধিধাম’ নামে একটি সুন্দর শহর গড়ে উঠেছে।

মার্মাগাঁও : এই বন্দরটি গোয়া রাজ্যে অবস্থিত। এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর বন্দর এটি। এই বন্দর থেকে আকরিক লোহা, ম্যাঙ্গানিজ, কাজুবাদাম ইত্যাদি রপ্তানি করা হয়ে থাকে।

মাঝারি ধরনের বন্দরগুলোর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বন্দর হল– সুরাট, পোরবন্দর, পণ্ডিচেরি, ওখা, ধনুষ্কোটি, কালিকট, ভবনগর ইত্যাদি।

 


Leave a Comment