ভারতের কিছু ব্যক্তির পরিচিত//Known to some people in India

 ভারতের কিছু ব্যক্তির পরিচিত//Known to some people in India

 ভারতের কিছু ব্যক্তির পরিচিত//Known to some people in India

1. রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দ)

তিনি ছিলেন ভারতের নবযুগের পথিকৃৎ। তার প্রচেষ্টায় ভারতে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটেছিল। সতীদাহ প্রথার উচ্ছেদ সাধন ছিল তার জীবনের একটি মহৎ ব্রত।

2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৬২০-১৯১৭ খ্রিস্টাব্দ)

মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষা সংস্কার ও সমাজ সংস্কারের জন্য আমরণ সংগ্রাম চালিয়ে যান। তার চেষ্টাতেই বহুবিবাহ প্রথা রোধ এবং বিধবা বিবাহ আইন বিধিবদ্ধ হয়। বিদ্যাসাগর মহাশয়কে বাংলা গদ্য সাহিত্যের জনক বলা হয়।

3. দাদাভাই নৌরজি (১৮২৫-১৯১৭ খ্রিস্টাব্দ)

মুম্বাইতে এক পারসি পরিবারে তার জন্ম। তিনি ভারতের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একজন ভারতীয় সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দুবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

4. শ্রীরামকৃষ্ণু পরমহংসদেব (১৮৩৬-১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দ)

হুগলি জেলার কামারপুকুর গ্রামে জন্ম। তাঁর প্রকৃত নাম গদাধর চট্টোপাধ্যায়। তিনি দক্ষিণেশ্বরের রানি রাসমণি প্রতিষ্ঠিত ভবতারিণীর মন্দিরে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন। সর্বধর্মের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই ছিল তাঁর ধর্মাদর্শের মূল কথা। তাই তিনি বলেছেন ‘যত মত তত পথ।

5. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দ)

উত্তর চব্বিশ পরগনার নৈহাটির নিকট কঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গ্র্যাজুয়েট ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ম্যাজিষ্ট্রেটের পদে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু তার ব পরিচয় সাহিত্যস্রষ্টা হিসেবে। তার লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে আছে আনন্দমঠ, দুর্গেশনন্দিনী, দেবী চৌধুরানি, বিষবৃক্ষ, চন্দ্রশেখর, রাজসিংহ ইত্যাদি। বন্দেমাতরম্ সংগীতের ইনিই স্রষ্টা। এছাড়াও ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার তিনি প্রতিষ্ঠিত সম্পাদক ছিলেন।

6. লালা লাজপৎ রায় (১৮৫৭-১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ)

ইনি অবিভক্ত পাঞ্জাবে জন্মগ্রহণ করেন। পেশায় ছিলেন একজন আইনজীবী। দেশনেতা হিসেবে তার প্রভাব ছিল অসামান্য। ইংরেজ সরকার তাঁকে বহুবার কারারুদ্ধ করে। তিনি ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন

7. বিপিনচন্দ্র পাল (১৮৫৮-১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ)

বিপিন পাল পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশ) শ্রীহট্ট জেলার পৈল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন জাতীয়তাবাদী নেতা ছিলেন। তাঁর অগ্নিগর্ভ বক্তৃতা শুনে সবাই মুগ্ধ হত। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় তিনি একজন বিশিষ্ট নেতা হিসেবে পরিগণিত হন।বেঙ্গলী পত্রিকার তিনি সম্পাদক ছিলেন।

8. বিজ্ঞানাচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু (১৮৫৮-১৯৩৭

পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বংলাদেশের) ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে জন্ম। বিলাত থেকে তিনি ডি.এস.সি. ডিগ্রি লাভ করেছিলেন। তাঁর অন্যতম বিখ্যাত আবিষ্কার হল উদ্ভিদের প্রাণ আছে এবং এরা উত্তেজনায় সাড়া দেয়। তিনি কলকাতার বসু বিজ্ঞান মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা।

9. বাল গঙ্গাধর তিলক (১৮৫৬-১৯২০ খ্রিস্টাব্দ)

মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষা-দীক্ষার পর আইনজীবী হিসেবে জীবন শুরু করেন, কিন্তু অল্পকালের মধ্যেই তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে লিপ্ত হন। তিনি ‘কেশরী ও ‘মারাঠা নামে দুখানি সংবাদপত্র প্রকাশনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি সবার কাছে ‘লােকমান্য তিলক নামে পরিচিত ছিলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামে লিপ্ত হয়ে তিনি বহুবার কারাবরণ করেন।

10.বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ)

কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। অল্পবয়স থেকেই তিনি সাহিত্য সাধনায় ব্রতী হন। তিনি ছিলেন বিস্ময়কর প্রতিভার অধিকারী। তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি সাহিত্য সৃষ্টির জন্য ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী নামে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে গেছেন। তার রচিত অজস্র কবিতা, উপন্যাস, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ ইত্যাদিতে বাংলা সাহিত্যে সমৃদ্ধ হয়েছে। দেশবাসী তাঁকে কবিগুরু আখ্যায় ভূষিত করেছে।

11. স্বামী বিবেকানন্দ (১৮৬৩-১৯০২ খ্রিস্টাব্দ)

কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে নরেন্দ্রনাথের জন্ম। শ্রীরামকৃয় পরমহংসদেবের সান্নিধ্যে এসে তিনি ঈশ্বর আরাধনায় ব্রতী হন। শ্রীরামকৃয়দেব অপ্রকট হবার পর তিনি স্বামী বিবেকানন্দ নাম ধারণ করে সন্ন্যাসীর বেশে সারা ভারত পরিভ্রমণ করেন। আমেরিকার শিকাগাে শহরে বিশ্বধর্ম সন্মেলনে যােগদান করে তিনি ভারতের বৈদান্তিক ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। তিনিই রামকৃয় মঠ ও মিশন প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ভারতীয় তরুণদের অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গেছেন।

12. স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় (১৮৬৪-১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ)

তিনি খুব মেধাবী ছাত্র ছিলেন। এম.এ. পরীক্ষায় গণিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। আইন পরীক্ষাতেও তিনি প্রথম স্থানের অধিকারী ছিলেন। তিনি বেশ কয়েক বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইসচ্যান্সেলর ছিলেন। সেইসময় তিনি শিক্ষার অনেক সংস্কার সাধন করেন। তিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদেও কাজ করেছেন। তিনি বাংলার বাঘ নামে খ্যাত ছিলেন।

13. অরবিন্দ ঘোষ (১৮৭২-১৯৫০ খ্রিস্টাব্দ)

কলকাতায় জন্ম। মেধাবী ছাত্র ছিলেন। বিলেতে গিয়ে আই.সি.এস পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েও ইচ্ছে করে ঘোড়ায় চড়া পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। দেশে ফিরে এসে তিনি প্রথমে শিক্ষাবিদ ও পরে রাজনৈতিক নেতা, দার্শনিক ও যযাগী হয়ে ওঠেন। আলিপুরের বিখ্যাত বোমা মামলায় তিনি প্রথমে কারারুদ্ধ হন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের অত্যাশ্চর্য সওয়ালে তিনি বোমা মামলা থেকে অব্যাহতি লাভ করেন। পণ্ডিচেরিতে গিয়ে তিনি গভীর আধ্যাত্মিক সাধনায় নিমগ্ন থাকেন।

14. গোপালকৃয় গোখলে (১৮৬৬-১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ)

মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। ধীরে ধীরে তিনি একজন বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও বক্তা হয়ে ওঠেন। জাতীয় কংগ্রেসের বেনারস অধিবেশনে তিনি একবার সভাপতি হয়েছিলেন। তাকে ‘মহামতি আখ্যায় ভূষিত করা হয়।

15. ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর (১৮৯৩-১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ)

ইনি খুব মেধাবী ছাত্র ছিলেন। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ পাস করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.এস.সি. ডিগ্রি লাভ করেন। লন্ডন থেকেই বার-অ্যাট-ল পাস করেন। প্রথমে আইনজীবী হিসেবে কাজে যোগদান করেন এবং পরে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে প্রথম গোলটেবিল বৈঠকে যোগদান করেন। তিনি তপশিলী ও অস্পৃশ্যদের জন্য অনেক কাজ করে গেছেন। স্বাধীন ভারতের সংবিধান খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

16. ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ (১৮৮৪-১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দ)

বিহারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। আইনজীবী হিসেবে তিনি প্রথমে জীবন শুরু করেন। গান্ধিজির নেতৃত্বে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেন। তিনি দু’বার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনিই ছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি।

17. ডা. বিধানচন্দ্র রায় (১৮৮২-১৯৬২ খ্রিস্টাব্দ)

ইনি বিহারের পাটনায় জন্মগ্রহণ করেন। ইনি চিকিৎসাবিদ্যা নিয়ে পড়াশুনা শুরু করে কলকাতা থেকে এফ.বি. এবং বিলাত থেকে এম.ডি., এম.আর., সি. পি. এবং এফ. আর. সি. এস ডিগ্রি লাভ করেন। চিকিৎসক হিসেবে তার খ্যাতি ছিল

18. মহাত্মা গান্ধি) (১৮৬৯-১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ)

মহাত্মা গান্ধি গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যারিস্টারি পাশ করে তিনি প্রথমে আইনজীবী হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। সেখানকার ভারতীয়রা ইংরেজদের হাতে নিগৃহীত হচ্ছে দেখে তিনি আন্দোলন শুরু করেন। ভারতে ফিরে এসে তিনি জাতীয় কংগ্রেসে যােগদান করেন। তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে আইন অমান্য আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাঁর আহ্বানে ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়াে আন্দোলন গণজাগরণের রূপ নেয়। তিনি ছিলেন অহিংসা ও একনিষ্ঠ সত্যের পূজারি। ভারতবাসী তাকে ‘জাতির জনক আখ্যায় ভূষিত করে।

19. আচার্য বিনোবাভাবে (১৮৯৫-১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ)

মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। ইনি আজীবন গান্ধিভক্ত ছিলেন। গান্ধিজির অসহযোগ আন্দোলনে তিনি একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তিনিই ভারতে ভূদান আন্দোলন শুরু করেন। ধর্ম বিষয়ে তাঁর লেখা অনেক বই আছে। ইনি ‘ভারতরত্ন ও ‘ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।

20. ড. সর্বপল্লী রাধাকৃয়ণ (১৮৮৮-১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ)

জন্ম দক্ষিণ ভারতে। তিনি ছিলেন দর্শনশাস্ত্রে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পণ্ডিত। ইনি দেশ-বিদেশের বহু বিদ্যালয়ে অধ্যাপনার কাজ করেছেন। তিনি প্রথমে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর জন্মদিনটি ভারতে শিক্ষক দিবসরূপে উদ্যাপিত হয়।

21. নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (জন্ম ১৮৯৭-মৃত্যু রহস্যাবৃত)

ওড়িশার কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। বিলেতে গিয়ে সসম্মানে আই.সি.এস. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চাকুরিতে যোগদান না করে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি দুবার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য বহুবার কারাবরণ করেন। ফরওয়ার্ড ব্লকের ইনিই প্রতিষ্ঠাতা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি জার্মানিতে পালিয়ে গিয়ে সেখান থেকে জাপান যান। তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করে ইংরেজদের সঙ্গে সশস্ত্র সংগ্রাম করেন। ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে এক বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচারিত হলেও এর সুপষ্ট প্রমাণ মেলেনি।

22.  লালবাহাদুর শাস্ত্রী (১৯০৪-১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ)

উত্তরপ্রদেশে এক ব্রাত্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাগ্রহণ করেন কাশী বিদ্যাপীঠ থেকে। তারপর জনসেবার কাজে আত্মনিযোগ করেন। ভারত স্বাধীন হলে তিনি নেহরু মন্ত্রিসভায় প্রথমে পরিবহণ ও পরে রেলমন্ত্রী হন। পণ্ডিত জওহরলাল

23. ইন্দিরা গান্ধি (১৯১৭-১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ)

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর কন্যা। শিক্ষাগ্রহণ শান্তিনিকেতন, সুইজারল্যান্ড ও অক্সফোর্ডে। ১৯৫৯ সালে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি প্রথমে কেন্দ্রীয় তথ্য ও বেতারমন্ত্রী ছিলেন, পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি ভারতের অন্যতম সফল প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তার অবদান বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

24.  সত্যজিৎ রায় (১৯২১-১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ)

জন্ম কলকাতায়। শিক্ষাগ্রহণ শান্তিনিকেতন ও কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে।। আচার্য নন্দলাল বসুর নিকট থেকে শিল্পশিক্ষা করেন। তিনি ছিলেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্র পরিচালক। পথের পাঁচালী, ‘অপরাজিত, জলসাঘর, চারুলতা, মহানগর, নায়ক, শাখা-প্রশাখা এবং আরও অনেক ছবি তার পরিচালনায় নির্মিত হয়েছে। ইনি বহু পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯২১ সালে ইনি অস্কার পুরস্কার পান।

 


Leave a Comment