[Part 6] Class 7 Bengali Model Activity Task September

[Part 6] Class 7 Bengali Model Activity Task  September 

Table of Contents

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

১.১ ‘বাইরের চলাটা আসল নয়।’ – প্রকৃত চলা কোনটি ?

উ:- শিবতোষ মুখোপাধ্যায় কার দৌড় কতদূর নামাঙ্কিত রচনায় লেখকের বিভিন্ন প্রাণী চলাচলের প্রতি নজর দিয়েছে তার মনে হয়েছে বাইরে চলাটা একমাত্র সত্য নয় তিনি জানিয়েছেন এই পৃথিবীতে সত্য কারের চলা তাহলে মানুষের চলা তার ওমান ভূমির মধ্যে মানুষের মনের প্রদীপের আলোর গতিবেগ সম্পন্না এক মুহুর্তে মানুষ বিশ্বময় ঘুরে আসতে পারে তার কোথাও বাধা নেই কোন নিষেধ নেই মন যেন তার হ্রদ I  লেখক জানিয়েছেন মুরাদাবাদ “মন রথ আবাধ”

১.২ ‘জবাবটা জেনে নেব মেজদাকে খুঁচিয়ে’। – কোন্ প্রশ্নের জবাব মেজদার কাছে মিলবে ?

উ:- নোট বই কবিতায় বক্তা মেজদার কাছ থেকে ঝোলাগুড় কিসে দিয়ে সাবানে না পটকায় প্রশ্নের উত্তর জানবেন

১.৩ ‘আপনি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছেন’। – কোন্ কথার অবতারণাকে বক্তার ‘ঠাট্টা’ মনে হয়েছে ?

উ:- এই বিশাল হ্রদের জল যদি মেঘ হয়ে যায় সেই মেঘ থেকে অন্য জায়গায় বৃষ্টি হবে একসঙ্গে হঠাৎ বৃষ্টি বেড়ে গেলে পৃথিবীর দারুন কোন ক্ষতি হয়ে যাবে না কি আর হবে সাইবেরিয়ান বড়জোর এক ইঞ্চি বেশি বরফ জমে অসীমা হেসে কে বলল আপনি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছেন এত বড় লেক কি শুকিয়ে ফেলা যায়?

১.৪ জেমস এইচ. কাজিনস কে ছিলেন ?

উ:- 1911 খ্রিস্টাব্দে পরবর্তী সময় অর্থাৎ 1919 সালে তিনি দক্ষিণ ভারতের পরিক্রমা বেরিয়েছিলেন সেখানে থিওসফিক্যাল কলেজের অধ্যক এবং রবীন্দ্রনাথের বন্ধু ছিলেন জেমস এইচ. কাজিনস

১.৫ ‘এ ছবি আমি পরেও দেখেছি’। – কোন্ দৃশ্যবর্ণনা প্রসঙ্গে একথা এসেছে ?

উ:- মুখ ভর্তি পান নিয়ে গলার বাধা হারমোনিয়াম বাজাতে বাজাতে কাজী নজরুল গাইছেন এ ছবি আমি পরেও দেখেছি এখানে দৃশ্যপটের কথা বলা হয়েছে

১.৬ ‘তাদের রাজত্ব হের অক্ষুণ্ণ কেমন’ – কাদের রাজত্ব কেন অক্ষুণ্ণ রয়েছে বলে কবি মনে করেন ?

উ:- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কামিনী রায় প্রণীত স্মৃতিচিহ্ন নামক কবিতায় যারা মনে করে বিশাল অট্টালিকা তৈরীর মধ্যে দিয়ে নিজেদের নাম ধরণীর বুকে রেখে যাবেন তারা ভুল করেছেন কেমন আর্থিক সমৃদ্ধির কারণে কোন মানুষ আদৌ সম্ভব নয় তাই এদের রাজত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে না থাকবে না

১.৭ ‘নীরব এখানে অমর কিষাণপাড়া’। – কিষাণপাড়াকে ‘অমর’ বলা হয়েছে কেন ?

উ:- কবিতাংশটির গৃহীত হয়েছে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য পর্যন্ত চিরদিনের কবিতা থেকে। কিসান পাড়ার প্রকৃতি এবং মানুষের জীবন সার্থক অন্যরকম ব্যর্থতা সেখানে নেই কোন কোলাহল দুর্ভিক্ষের পরে কিষানপাড়া আর মানুষ আবার কাজের মধ্যে দিয়ে জেগে উঠে নিজ নিজ পেশায় কাজ করে চলে দুর্ভিক্ষের হতাশা বা বিভিন্নতা এখানে জীবনকে থামিয়ে দিতে পারিনা তাই কিসানপাড়ার সম্পর্কে কবি অমর বলে

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

২.১ ‘জীবনের ৪৪০ তে মানুষ বিশ্বকীর্তি স্থাপনা করেছে’। – মানুষের সেই কীর্তির কথা ‘কার দৌড় কদ্দূর’ রচনায় কীভাবে বর্ণিত হয়েছে ?

উ:- শিবতোষ মুখোপাধ্যায় প্রণীত কার দৌড় কতদূর নামাঙ্কিত রচনায় লেখক বলেছেন মানুষ এখন নিজে চলে ক্ষান্ত নয় সে অন্য সবকিছু কেউ চালাতে সমালোচক জাহাজের প্রেম যে এখন মানুষ আকাশটাকে নতুন করে মাঠ করে তুলেছে সেখানে নতুন বাজি ধরেছে যে ত্রিভুবন হবে স্বর্গমর্ত তোলপাড় করবে তাই জীবনের 440 দিন মানুষ প্রকৃতি স্থাপন করেছে

২.২ ‘তুমি একটা স্পাই’। কোন্ পরিস্থিতিতে বক্তার একথা মনে হয়েছে ?

উ:- স্পাই শব্দের অর্থ হলো চর অর্থাৎ গুপ্ত সংবাদ আদান-প্রদান করে কিন্তু সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্পে আলোচ্য উদ্ধৃতিতে স্পাই বলা হয়েছে অসীমা কি এবং বলেছেন বৃষ্টি বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী যখন পুরন্দর চৌধুরী জানতো না তার রেকর্ড করার নামের সঙ্গে অসীম

২.৩ সরলা দেবী তাঁর ‘জীবনের ঝরাপাতা’ গ্রন্থে রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্পর্কে কোন্ তথ্য পরিবেশন করেছেন ?

উ:- আমার সোনার বাংলাগানটি প্রথম গাওয়া হয় ১৯০৫, আগস্ট মাসের ২৫ তারিখে। এই গানটির সুরের বিষয়ে সরলাদেবী তার জীবনের ঝরা পাতাগ্রন্থে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কর্তা দাদামহাশয় চুঁচুড়ায় থাকার সময় সময়মতো বোটের মাঝিদের কাছ থেকে অনেকগুলি বাউল আঙ্গিকের গান সংগ্রহ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন—“ যা কিছু | শিখতুম তাই রবিমামাকে শোনাবার জন্য প্রাণ ব্যস্ত। থাকত তার মতো সমজদার আর কেউ ছিল না। রবীন্দ্রনাথ এই গানগুলি মন দিয়ে শুনতেন এবং সেই সুর অনুসারে। নিজের গান রচনা করতেন। আমার | সোনার বাংলাহল তেমন একটি গান। যা বোটে

২.৪ ‘এই ছিল তখনকার কোনো স্বদেশি মিটিং-এর রীতি’। – রীতিটি কী ?

উ:- রামকুমার চট্টোপাধ্যায় কাজী নজরুলের গানশীর্ষক গদ্যাংশে যে সময়ের কথা বলেছেন, সেই সময়ে যেকোনো স্বদেশি মিটিংএর রীতিই ছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বছম বক্তৃতার আগে কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত পরিবেশন।

২.৫ ‘সবুজ ফসলে সুবর্ণ যুগ আসে’। উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উ:- উদ্ধৃত কবিতাংশটি গৃহীত হয়েছে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য প্রণীত চিরদিনের কবিতা থেকে। ১৩৫০ সালে দুর্ভিক্ষের দিনে মানুষের কি অসহায় অবস্থা হয়েছিল সেই গল্পের কথা বলা হয়েছে। দুর্ভিক্ষের পর আবার নতুন করে বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা শুরু হয়। চকদিকে দেখা যায় প্রাণের স্পন্দন। সকাল ঘোষিত হয় পাখির ডাকে। কামার, কুমোর, তঁতী একসঙ্গে কাজ করে। সারাটা দুপুর চাষী জমিতে পড়ে থাকে। কৃষক বধূ জল আনতে গিয়ে ইমকে দাঁড়ায় পথে। তার চোখে পড়ে সবুজ ফসলের সুবর্ণ যুগ।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :-

৩.১ ‘ঋ, র, ষ এই তিন বর্ণের পরের শব্দের মধ্যে ন > ণ হয়’। – প্রতিক্ষেত্রে একটি করে উদাহরণ দাও।

উ:- ঋণ,বরণ, সহিষ্ণু ইত্যাদি।

৩.২ ‘পিতৃ ও মাতৃ শব্দের সঙ্গে স্বসৃ শব্দের যোগ হলে স্বসৃ শব্দের প্রথম স্ হয় ষ’। – উদাহরণ দাও।

উ:- পিতৃ মাতৃ শব্দের সঙ্গে স্বস্ শব্দের যোগ হলে স্বস্ শব্দের প্রথম হয় ষ। যেমনমাতৃম্বসা, পিতৃম্বসা।

৩.৩ ভাবপ্রকাশক ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রয়োগে একটি বাক্য রচনা করো।

উ:- কনকনে শীত আমি একদম পছন্দ করি না। এখানে কনকনে হলো ভাবপ্রকাশ ধ্বন্যাত্মক শব্দ।

 

Leave a Comment