Class 10 Geography Compilation Model Activity Task

Class 10 Geography Compilation Model Activity Task

Table of Contents

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখাে :

১.১ অবরােহণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হলাে –

ক) প্লাবনভূমি

খ) এস্কার

গ) গিরিখাত

ঘ) স্বাভাবিক বাঁধ 

১.২ হিমবাহ ও পর্বতগাত্রের মধ্যে সৃষ্ট সঙ্কীর্ণ ফাঁক হলাে –

ক) ফিয়র্ড 

খ) বার্গম্বুন্ড

গ) করি

ঘ) এরিটি

১.৩ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করাে —

ক) লাদাখ – অঙ্গরাজ্য 

খ) পুদুচেরী – কেন্দ্রশাসিত অঞ্জল 

গ) আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ – অঙ্গরাজ্য

ঘ) হরিয়ানা – কেন্দ্রশাসিত অঞ্জল 

১.৪ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করাে —

ক) শৃঙ্খলিত শৈলশিরা – নদীর সঞ্জয়কাজ 

খ) এরিটি – হিমবাহের সঞয়কাজ 

গ) অপসারণ গর্ত – বায়ুর সঞয়কাজ

ঘ) বালিয়াড়ি – বায়ুর সঞ্জয়কাজ 

১.৫ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্যের উদ্ভিদের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলাে –

ক) নির্দিষ্ট ঋতুতে এদের পাতা ঝরে যায় 

খ) পাতায় মােমের প্রলেপ থাকে 

গ) উদ্ভিদের ডালপালা একসাথে যুক্ত হয়ে চাঁদোয়া সৃষ্টি করে 

ঘ) এদের শ্বাসমূল থাকে

১.৬ অতিবিরল জনঘনত্বযুক্ত একটি রাজ্য হলাে –

ক) পশ্চিমবঙ্গ

খ) গােয়া

গ) উত্তরপ্রদেশ

ঘ) সিকিম 

১.৭ আরােহণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হলাে—

ক) গিরিখাত 

খ) রসে মতানে 

গ) বালিয়াড়ি

ঘ) গৌর 

১.৮ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করাে—

ক) উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বত – নীলগিরি 

খ) দক্ষিণ ভারতের পূর্ববাহিনী নদী— নর্মদা 

গ) আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের চিরহরিৎ বৃক্ষ – মেহগনি 

ঘ) উত্তর-পূর্ব ভারত – কৃষ্ণু মৃত্তিকা

১.৯ ভারতের রূঢ় বলা হয়—

ক) জামসেদপুরকে 

খ) দুর্গাপুরকে 

গ) ভিলাইকে

ঘ) বােকারােকে 

২. শূন্যস্থান পূরণ করাে : 

২.১ বায়ুর_____অপসারণ ______প্রক্রিয়ায় বালি ও পলিকণা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারিত হয়। 

২.২ ____কাশ্মীর______উপত্যকা পীরপাঞ্জাল ও উচ্চ হিমালয় পর্বতশ্রেণি দ্বারা বেষ্টিত।

২.৩______উত্তর-পূর্ব_______মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ভারতে শীতকাল প্রায় শুষ্ক প্রকৃতির হয়। 

৩. বাক্যটি সত্য হলে ‘ঠিক’ এবং অসত্য হলে ‘ভুল’ লেখাে :

৩.১ নদীখাতে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গর্তগুলি হলাে মন্থকূপ। 

উ:- ঠিক l

৩.২ ভারতের উপকূল অঞ্চলে দিনেরবেলা স্থলবায়ু প্রবাহিত হয়।

উ:- ভুল l

Class 10 Geography Compilation Model Activity Task

৩.৩ শুষ্ক ও উম্ন আবহাওয়া চা চাষের পক্ষে আদর্শ।

উ:- ভুল l

৪. স্তম্ভ মেলাও :

উ:-

ক স্তম্ভ

খ স্তম্ভ

৪.১ বিশুদ্ধ কাঁচামাল 

(ii) তুলাে

৪.২ মালাবার উপকূল 

(iii) কয়াল

৪.৩ হিমবাহ 

(i) ক্রেভাস

৫. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :

৫.২ ‘ভারতের পশ্চিমবাহিনী নদীর মােহনায় বদ্বীপ গড়ে ওঠেনি’ – ভৌগােলিক কারণ ব্যাখ্যা করাে। 

উ:- উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল পার হয়ে নদী যখন পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলে নেমে আসে তখন ভূমির ঢাল হঠাৎ কমে যাওয়ায় নদীর বহন ক্ষমতা ও স্রোতের বেগ দুই কমে যায় । ফলে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল থেকে বহন করে আনা পলি , বালি , কাঁকর , নুড়ি ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে পর্বতের পাদদেশে পলল ব্যজনী সৃষ্টি করে । যেমন : হিমালয়ের পাদদেশে এইরূপ পলল ব্যজনী দেখা যায় । 

৫.২ ‘ভারতের পশ্চিমবাহিনী নদীর মােহনায় বদ্বীপ গড়ে ওঠেনি’ – ভৌগােলিক কারণ ব্যাখ্যা করাে।

উ:- ভারতের পশ্চিমবাহিনী নদী অর্থাৎ আরব সাগরে পতিত নর্মদা , তাপ্তি প্রভৃতি নদীর মোহনায় ব – দ্বীপ দেখা যায় না ।

1. স্বল্পদৈর্ঘ্য নদীপথ : নদীগুলির দৈর্ঘ্য কম হওয়ায় নদীতে পলির পরিমাণ কম থাকে । 

2. অল্প সংখ্যক উপনদী : পশ্চিমবাহিনী নদী গুলিতে উপনদীর সংখ্যা কম এবং সেগুলি ছোট ছোট । ফলে, নদী গুলিতে জল ও পলির পরিমাণ কম হয় । 

3. খরস্রোতা ও গভীর মহীসোপান : গ্রস্ত উপত্যকার মধ্য দিয়ে খাড়া ঢালে নদীগুলি প্রবাহিত হওয়ায় গতিবেগ খুব বেশি হয় । এছাড়া আরব সাগরের মহীসোপানের ঢাল অত্যন্ত বেশি হওয়ায় বিশেষত কাম্বে উপসাগরে নর্মদা ও তাপ্তি নদীর মোহনা অত্যন্ত গভীর হওয়ায় ক্ষয়জাত পদার্থ সমুদ্রের তলে তলিয়ে যায় । ফলে ব – দ্বীপ গঠিত হতে পারে না ।

৫.৩ ‘অক্ষাংশভেদে হিমরেখার উচ্চতা ভিন্ন হয়’ – ভৌগােলিক কারণ ব্যাখ্যা করাে।

উ:- অক্ষাংশ ভেদে ভূপৃষ্ঠে সূর্য রশ্মির পতন কোণের তারতম্য হয় এবং সেই সাথে ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতার তারতম্য লক্ষ্য করা যায় । পৃথিবীর নিম্ন অক্ষাংশের স্থান গুলিতে যেমন : নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য রশ্মি ভূপৃষ্ঠে লম্বভাবে পড়ে তাই ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা বেশি । যেমন: নিরক্ষীয় অঞ্চলে ৫৫০০ মিটার উচ্চতায় হিমরেখা অবস্থান করে । অক্ষাংশ বৃদ্ধির সাথে সাথে সূর্য রশ্মি তীর্যকভাবে ভূপৃষ্ঠে পড়তে থাকে ফলে তাপের পরিমাণ কম হতে থাকে । ফলস্বরূপ, উচ্চ অক্ষাংশের স্থানগুলিতে যেমন: মেরু অঞ্চলে হিমরেখা সমুদ্রপৃষ্ঠের কাছাকাছি উচ্চতায় অবস্থান করে ।

৫.৪ ভারতে জলবিভাজিকা উন্নয়নের দুটি উদ্দেশ্য লেখাে। 

উ:- ভারতে জলবিভাজিকা উন্নয়নের দুটি উদ্দেশ্য হলো – 

1. শুষ্ক ঋতুতে জলের সরবরাহ 

2. ভৌমজলের সঞ্চয় বৃদ্ধি

৬. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৬.১ ধাপ চাষ, ফালি চাষ ও সমােন্নতি রেখা বরাবর চাষের মাধ্যমে কীভাবে মৃত্তিকা ক্ষয় প্রতিরােধ করা সম্ভব? 

উ:- 

1. ধাপ চাষ : পাহাড় বা পর্বতের ঢালে ধাপ কেটে চাষ করলে বৃষ্টির জলের গতি হ্রাস পেয়ে মৃত্তিকা ক্ষয় নিয়ন্ত্রিত হয়

2. ফালি চাষ : পার্বত্য ঢালের আড়াআড়িভাবে ফালি তৈরি করে চাষ করলে মাটি সংরক্ষণ করা যায় ।

3. সমোন্নতি রেখা চাষ : পার্বত্য অঞ্চলে সমোন্নতি রেখা বরাবর বাঁধ দিয়ে চাষ করলে প্রবাহিত জলধারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্তিকা ক্ষয় হ্রাস পায় ।

৬.২ নিম্নলিখিত বিষয়গুলির ভিত্তিতে নদী উপত্যকা ও হিমবাহ উপত্যকার পার্থক্য নিরূপণ করাে —

ক) সৃষ্টির প্রক্রিয়া 

খ) উপত্যকার আকৃতি

গ) অবস্থান

উ:-  

বিষয়

নদী উপত্যকা

হিমবাহ উপত্যকা

সৃষ্টির প্রক্রিয়া

নদীর ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হয় ৷

হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হয় ।

উপত্যকার আকৃতি

ইংরাজী অক্ষর V অথবা । এর মতো হয় ।

ইংরাজী অক্ষর U এর মতো হয় ৷

অবস্থান

তুষারে ঢাকা অঞ্চল ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র নদী উপত্যকা বিস্তার লাভ করে ৷

সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চল ও মেরু অঞ্চলের মধ্যেই কেবলমাত্র হিমবাহ উপত্যকা বিস্তৃত ৷

৬.৩ হিমালয় পর্বতমালা কীভাবে ভারতীয় জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে? 

উ:- 

১. অক্ষাংশগত দিক দিয়ে ভারতের উত্তর অংশ উপক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়া সত্বেও হিমালয়ের অধিক উচ্চতার কারণে ভারতের উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলের জলবায়ু শীতল নাতিশীতোষ্ণ প্রকৃতির । 

২. ভারতের উত্তর – পূর্বের হিমালয় পর্বত অবস্থিত হওয়ায় শীতকালে রাশিয়ার সাইবেরিয়া থেকে আগত হিম শীতল বাতাস ভারতে প্রবেশ করতে পারে না । ফলে শীতকালে অধিক শীতলতার হাত থেকে ভারতবাসী রক্ষা পায় । 

৩. হিমালয়ের দক্ষিণ ঢালে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাধা পেয়ে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায় । এই কারণে উত্তর – পূর্ব ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জির মৌসিনরাম পৃথিবীর সবচেয়ে আর্দ্র ও বৃষ্টিবহুল অঞ্চল ।

৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৭.১ হিমবাহের সঞ্জয় কার্যের ফলে গঠিত বিভিন্ন প্রকার গ্রাবরেখার সচিত্র বর্ণনা দাও।

উ:- উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়প্রাপ্ত নানা আয়তনের তীক্ষ্ণ শিলাখণ্ড হিমবাহের সঙ্গে বাহিত হয়ে স্তূপাকারে উপত্যকার বিভিন্ন অংশে সঞ্চিত হয় । এই শিলাস্তূপকে গ্রাবরেখা বলে । অবস্থানের প্রকৃতি অনুযায়ী গ্রাবরেখা বিভিন্ন ধরনের হয় । যথা : 

1. পার্শ্ব গ্রাবরেখা : হিমবাহের উভয় পার্শ্বে সঞ্চিত গ্রাবরেখা ।

2. মধ্য গ্রাবরেখা : পাশাপাশি দুটি হিমবাহের মধ্যবর্তী স্থানে সঞ্চিত গ্রাবরেখা ।

3. প্রান্ত গ্রাবরেখা : হিমবাহের সামনে বা শেষ প্রান্তে সঞ্চিত গ্রাবরেখা

৭.২ ভারতের কোন অঞ্চলে অধিকাংশ কফি উৎপাদন করা হয়? এই বাগিচা ফসল চাষের অনুকুল প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা দাও। 

উত্তর :ভারতের অধিকাংশ কফি দক্ষিণ ভারতের তিনটি রাজ্যে উৎপাদন করা হয় । যথা : 

1. কর্ণাটক : ভারতের মধ্যে কফি উৎপাদনে প্রথম স্থান অধিকার করে । ভারতের মোট উৎপাদনের 72 % কফি উৎপাদিত হয় । এই রাজ্যের চিকমাগালুর , হাসান , কোদাগু , কুর্গ , মাইসোর , শিমোগা প্রভৃতি জেলায় কফি উৎপাদিত হয় । 

2. কেরল : ভারতের মধ্যে কফি উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে । ভারতের মোট উৎপাদনের 20 % কফি উৎপাদিত হয় । ওয়ানড় , পালাক্কাড় , ইদুক্কি প্রভৃতি জেলায় কফি উৎপাদিত হয় । 

3. তামিলনাড়ু : ভারতের মধ্যে কফি উৎপাদনে তৃতীয় স্থান অধিকার করে । ভারতের মোট উৎপাদনের 6 % কফি উৎপাদিত হয় । নীলগিরি , সালেম , কোয়েম্বাটোর , মাদুরাই , তিরুনেলভেলি প্রভৃতি জেলায় কফি উৎপাদিত হয় ।

কফি চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ : 

1. উষ্ণতা : 20°C – 30°C উষ্ণতা কফি চাষের জন্য আদর্শ । 

2. বৃষ্টিপাত : 150-250 সেমি বৃষ্টিপাত কফি চাষের জন্য প্রয়োজন । 

3. আর্দ্রতা : আর্দ্রতা কফি গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ।

4. মৃত্তিকা : লৌহ – পটাশযুক্ত উর্বর লাল দোয়াশ  মাটি ও মৃদু অম্লধর্মী হিউমাস মাটি কফি চাষের পক্ষে উপযোগী । 

5. জমির প্রকৃতি : জলনিকাশি ব্যবস্থাযুক্ত পাহাড়ী ঢালু জমি । 

6. ছায়াপ্রদানকারী বৃক্ষ : প্রত্যক্ষ সূর্যকিরণ কফি চাষের পক্ষে ক্ষতিকারক । তাই কফি বাগিচাগুলোতে ছায়াদানকারী বৃক্ষ যেমন : কলা গাছ লাগানো হয় । 

৭.৩ ভারতীয় জনজীবনে নগরায়ণের নেতিবাচক প্রভাবগুলি উল্লেখ করাে।

উ:- ভারতের সমগ্র জনসংখ্যার মাত্র ২৭.৭৮ % শহর ও শহরতলীর অঞ্চলে বসবাস করলেও আমাদের দেশে নগরায়নের নেতিবাচক প্রভাব গুলি স্পষ্ট । যেমন : 

( ১ ) বাসস্থানের সমস্যা : জীবন ও জীবিকার কারণে শহরমুখী মানুষের সংখ্যা নিত্য দিন বেড়েই চলেছে যার ফলস্বরূপ শহর অঞ্চলের জনঘনত্ব অত্যধিক হারে বাড়ছে ও বাসস্থানের তীব্র সমস্যা দেখা দিচ্ছে । 

( ২ ) বস্তি এলাকা : ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি , জমি ও গৃহ নির্মাণের জিনিসপত্রের অধিক মূল্য , অধিক ঘর ভাড়া ইত্যাদি কারণে জীবন ও জীবিকার তাগিদে শহরে আশা প্রচুর মানুষ স্বল্প পরিসর স্থানে ছোট ছোট ঘরে ঠাসাঠাসি করে থাকতে বাধ্য হয় । এর ফলে শহর অঞ্চল গুলিতে বস্তি এলাকার পরিমাণ বাড়তে থাকছে । 

( ৩ ) যানজট : প্রতি দিনের কর্মব্যস্ততা শহরের মানুষকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছুটে বেড়াতে হয় ফলস্বরূপ নিত্যদিন শহরের যানজটের পরিমাণ বাড়ছে ।

( ৪ ) জলনিকাশির সমস্যা : বর্তমানে দুর্ভাগ্যজনকভাবে ভারতের প্রধান শহরগুলি ( দিল্লি , মুম্বাই , কলকাতা ও চেন্নাই ) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপযুক্ত ব্যবস্থার অভাবে নিকটবর্তী নদী বা সমুদ্রে বর্জ্য নিক্ষেপ করে । ফলে সংশ্লিষ্ট জলাধারগুলি দূষিত হয়ে পড়ায় জলবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায় । 

( ৫ ) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষণ : ভারতের শহর অঞ্চলগুলিতে বাড়তে থাকা বস্তি এলাকা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্ম দিচ্ছে । এর পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান যানজটের সমস্যা শহরের দূষণের মাত্রাকেও বাড়িয়ে দিচ্ছে ।

 

Class 8 Model Activity Task

Compilation October New

নীচের বিষয় গুলিতে Click করে নতুন মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক গুলি লিখে নিতে পারবে

বাংলা

অংক

ইংরেজী

পরিবেশ ও বিজ্ঞান

স্বাস্থ্য ও শরীর শিক্ষা

ইতিহাস

ভূগোল


Leave a Comment