বালাজী বিশ্বনাথ (১৭১৩-২০)

বালাজী বিশ্বনাথ (১৭১৩-২০)

বালাজী বিশ্বনাথ (১৭১৩-২০): বংশানুক্রমিক পেশবাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা বালাজী বিশ্বনাথের জন্ম হয়েছিল এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে। তিনি বংশে ছিলেন চিৎপাবন। ১৭০৮ সালে তিনি ছত্রপতি শাহর সেনাপতি ধনাজী যাদবের অধীনে একজন কারকুন বা রাজস্ব বিভাগের কর্মচারী নিযুক্ত হন। ধনাজী যাদবের মত্যুর পর তিনি তাঁর পুত্র চন্দ্রসেন যাদবের কাছ থেকে সেনাকতী বা সেনা বিভাগের অধিনায়ক উপাধি লাভ করেন। এইভাবে তিনি রাজধ ও সামরিক উভয় বিভাগেই যথেষ্ট অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন। অবশেষে ছত্রপতি শাহ, তাঁর বুদ্ধি ও কর্মদক্ষতায় আকৃষ্ট হয়ে তাঁকে পেশবা পদে নিযুক্ত করেন (১৬. ১১. ১৭১৩) এই সময় থেকেই পেশার স্থান হলে প্রথম ও প্রতিনিধির দ্বিতীয়।

বালাজী বিশবনাথ যখন পেশা পদে অভিযুক্ত হন, তখন একদিকে যেমন মারাঠাদের অবস্থা খুব সঙ্কটজনক, অন্যদিকে তেমনি মুঘলদের ঘোর দুর্দিন। মারাঠা ছত্রপতি শাহ ছিলেন অযােগ্য ও অপদার্থ এবং সমস্ত দায়িত্ব তিনি বালাজী বিশ্বনাথের উপর ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলেন। মারাঠা সদারদের অবাধ লুণ্ঠনের ফলে চতুর্দিকে যে ঘোরতর অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছিল, তা অবসান করে ও মারাঠা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে শঙখলা ফিরিয়ে আনা ছিল তাঁর সামনে এক গুরুতর সমস্যা। শাহর সমস্যা তখনও কাটে নি। সুতরাং যত বেশী সভব মারাঠা সদরিদের নিজ দলভুক্ত করে শাহর হাত শক্ত করাই তাঁর প্রাথমিক কতব্য। এই সঙ্গে সঙ্গে চতুর ও বিচক্ষণ বালাজী বিশবনাথ বুঝতে পেরেছিলেন যে, মুঘল সাম্রাজ্যের পতন আসন্ন ও মুঘল সম্রাটদের সামনে রেখে মুঘল অভিজাতদের বিভিন্ন দল ও গােষ্ঠীর মধ্যে যে ঘণ্য চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র চলেছে, তা মারাঠা প্রভাব প্রতিপত্তি বদ্ধির সুবর্ণ সুযােগ এনে দিয়েছে।

সুযােগসন্ধানী বালাজী বিশ্বনাথ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে উত্তর ভারতের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি লক্ষ্য করছিলেন। এই সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাঁর দুটি সীমাবদ্ধতা সম্পকেও সচেতন ছিলেন। প্রথমতঃ তিনি বুঝতে পেয়েছিলেন যে, দক্ষিণ ভারতে মারাঠা প্রাধান্য বিস্তারের পথে প্রধান অন্তরায় শাহর প্রতিদ্বন্দ্বী কোলপরী শাখার তারাবাঈ। ছত্রপতি পরিবারের এই দ্বন্দ্বের স্বীকৃতি না দিয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। দ্বিতীয়তঃ শাহর রাজভক্তি ও মুঘল সম্রাট প্রীতিও মেনে নিতে তিনি বাধ্য ছিলেন। সুতরাং উত্তর ভারতে মারাঠা প্রাধান্য যেন মঘল সম্রাটের সার্বভৌম ক্ষমতাকে কোনভাবে ক্ষম করে, সেদিকে নজর রাখার দায় তাঁর ছিল। কিন্তু পরপর বিরােধী এই দুটি পথ অনুসরণ করা অসম্ভব ছিল। এই অসম্ভব কাজটিই সভব করতে হয়েছিল তাঁকে। প্রখ্যত বিচারপতি গােবিন্দ রানাডের ভাষায়-“ This was the man (Balaji Viswanath) who might be said to have, by his genius and patriotism, accomplished the task which otherwise threatened to prove almost impossible.” (Ranade: Rise of Maratha.power p.-90)

বালাজী বিশ্বনাথ যখন পেশবা পদে অভিষিক্ত হন, তখন দিল্লীতে সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয় অপরিসীম ক্ষমতার অধিকারী। তাঁদের অঙ্গলি হেলনে আজ যে সম্রাট কাল সে পথের ভিখারী হতে পারে। এই সময় মুঘল সম্রাট ছিলেন ফারুকশিয়ার। কিন্তু তিনি সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয়ের সহায়তায় দিল্লীর সিংহাসন লাভ করলেও তাদের ধ্বংসের জন্য তলায় তলায় চক্রান্ত করছিলেন। এই অবস্থায় সৈয়দ ভ্রাতৃদ্বয়ও ফারকশিয়ারকে সিংহাসনচ্যুত করার উদ্দেশ্যে মারাঠাদের সাহায্য গ্রহণ করার কথা চিন্তা করেন। সৈয়দ হসেন আলি স্বয়ং দাক্ষিণাত্যে এসে শাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন। ঈশ্বর প্রেরিত এই সুযােগ বালাজী বিশ্বনাথ ছাড়লেন না। ১৭১৪ সালে উভয় পক্ষে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো। এই চুক্তি অনুসারে

1. সমস্ত দগসহ শিবাজীর স্বরাজ্য শাহকে ফিরিয়ে দেয়া হলো

2. তাছাড়া খান্দেশ, গণ্ডোয়ানা, বেরার, কণটিক ও হায়দ্রাবাদের যে সব অঞ্চল মারাঠার অধিকার করে নিয়েছিল, তাও শাহর হাতে তুলে দেয়া হলাে

3. সেই সঙ্গে দাক্ষিণাত্যের ৬টি সব থেকে চৌথ ও সরদেশমুখী আদায়ের অধিকার অর্জন করলেন শাহ। অবশ্য এর বিনিময়ে মুঘল সম্রাটকে সাহায্য করার জন্য ও ৬টি সবায় শান্তি ও শঙখলা রক্ষা করার জন্য ১৫০০o মারাঠা সৈন্য রক্ষণাবেক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিলেন শাহ। এর খরচ অবশ্য বহন করবেন মুঘল সম্রাট। তাছাড়া সম্রাটকে বাৎসরিক ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করতেও শাহ, রাজী হলেন।

4. সব শেষে এও স্থির হলো যে শাহ কোলাপুরের শম্ভুজীর ব্যাপারে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবেন না।

বালাজী বিশ্বনাথ (১৭১৩-২০)

এই চুক্তি স্বাক্ষর করার জন্য বালাজী বিশ্বনাথের দরদর্শিতা ও বিচক্ষণ রাজনীতি জ্ঞানের উচ্ছসিত প্রশংসা করেছেন প্রখ্যাত ঐতিহাসিক জি. এস. সরদেশাই। এর ফলে মারাঠারা যে সমস্ত সুযােগ সুবিধা অর্জন করেছিল, তা তাদের ক্ষমতা ও মর্যাদা অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছিল। প্রথমতঃ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে মারাঠারা দাক্ষিণাত্যের সাবভৌম ক্ষমতার অধিকারী হয়। ব্যক্তিগতভাবে পেশবার ও সামগ্রিকভাবে মারাঠাদের সম্মান ও মর্যাদাও যথেষ্ট বুদ্ধি পেয়েছিল, কারণ এই চুক্তি হয়েছিল সমানে সমানে। দ্বিতীয়তঃ সমাটের সাহায্যের জন্য তাঁরই খরচায় যে ১৫০০o ঘােড় সওয়ার মারাঠাদের মােতায়েন রাখতে হতাে, তাতে সমটি প্রকারান্তরে মারাঠাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। রানাডে ও সরদেশাইয়ের মতে এই ব্যবস্থা এক ধরণের অধীনতামূলক মিত্রতা ছাড়া অন্য কিছু নয়। তাছাড়া চৌথ ও সরদেশমুখী আদায়ের অধিকার অর্জন করে একদিকে যেমন মারাঠা সামাজ্যবাদ প্রসারের পথ উন্মুক্ত হয়, তেমনি মুঘল সমাটের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার অধিকারও মারাঠারা লাভ করে। রানাডের মতে ওয়েলেসলীর একশ বছর আগেই মারাঠারা এইভাবে এক ধরণের অধীনতাম,লক মিত্রতা নীতির সূত্রপাত করেছিলেন। তার ভাষায়—“This idea of the subsidiary alliance was, in fact, a reproduction on a more: or Sanized scale of the plan followed by the Maratha leaders a hundred years in advance, when they secured the grant of the chauth and sardeshmukki for the imperial authorities of Delhi.

তৃতীয়তঃ মুঘল সম্রাটকে সর্বতােভাবে মারাঠাদের উপর নির্ভরশীল করে বালাজী বিশ্বনাথ যে কেবল শাহর মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিলেন তাই নয়, ছত্রপতি হিসাবে তাঁর অধিকারও মুঘলদের স্বীকৃতি লাভ করেছিল। এক কথায় মারাঠা জাতির অভ্যুত্থানের ইতিহাসে এই চুক্তির গুরুত্ব অসাধারণ এবং এই চুক্তিকে মারাঠা জাতির “ম্যাগনা কার্ট (Magna Carta) বলে উল্লেখ করেছেন ঐতিহাতিক স্যার রিচার্ড টেম্পল। অনেকে অবশ্য মনে করেন যে, এইভাবে চুক্তি করে ও মুঘল সম্রাটের সার্বভৌম ক্ষমতা স্বীকার করে নিয়ে বালাজী বিশ্বনাথ শিবাজীর বরাজ্যের আদর্শ পরিত্যাগ করেছিলেন। এই অভিযােগ ভিত্তিহীন নয়। তবে আগেই বলেছি শাহর সম্রাট প্রীতি ও আনুগত্য পুরােপুরি অগ্রাহ্য করা বালাজীর পক্ষে সম্ভব ছিল না। সুতরাং কিছুটা নিরপায় হয়েই তিনি শিবাজীর স্বরাজ্যের আদর্শের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির একটা রফা করতে বাধ্য হন। ঐতিহাসিক সরদেশাই বালাজী বিশ্বনাথকে সমর্থন করে মন্তব্য করেছেন যে, এই আনুগত্য নামমাত্র ছিল। তাছাড়া একটি সার্বভৌম শক্তি যখন তার করদ রাজ্যের কাছে নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের জন্য নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন বাস্তবে করদ রাজ্যই সমস্ত সার্বভৌম ক্ষমতা উপভােগ করে ও কেন্দ্রীয় শক্তি তার বশংবদ হয়ে পড়ে। বরং এই চুক্তি স্বাক্ষর করে মারাঠারা তাদের সাম্রাজ্যবাদী নীতি অনুসরণ করার অবাধ সুযোেগ পায় বলে সরদেশই মনে করেন।

সেই চুক্তির ফলে বলীয়ান হয়ে হসেন আলি ফারকশিয়ারকে সিংহাসনচ্যুত করে *[আর একজন পুতুল সম্রাটকে দিল্লীর সিংহাসনে বসান। এই নবনিযুক্ত সম্রাট ১৭১৯ সালে এই চুক্তি অনুমােদন করেন। মারাঠা সেনাবাহিনীর সহায়তা নিয়ে হসেন আলি এইভাবে দিল্লীর রাজনৈতিক বিপ্লব ঘটানােয় মারাঠাদের মর্যাদা অনেকগুণ বৃদ্ধি পায়, কারণ তাঁরা দিল্লী এসেছিলেন ভাড়াটে সৈন্য হিসাবে নয়, সৈয়দদের সমর্থক ও মিত্র হিসাবে। এইচ. এন. সিনহার মতে এই ঘটনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ঘটনা প্রমাণ করলাে যে, আজ ধরা দিল্লীর ভাগ্যনিয়ন্ত্ৰা সৈয়দদের সাহায্য করছে এক সম্রাটকে সরিয়ে আর এক সম্রাটকে সিংহাসনে বসাতে, একদিন তারা নিজেরাই খুশীমত দিল্লীর সিংহাসনে নিজেদের মনােনীত প্রার্থী বসাবেন ও অমনােনীত প্রার্থীকে সিংহাসন থেকে টেনে নামাবেন। এইভাবেই বালজী বিশ্বনাথ মুঘল সাম্রাজ্যের ধংসস্তুপের উপর ভবিষ্যত মারাঠা সাম্রাজ্যের ভিত গড়ে তােলেন।

বালাজী বিনাথের কাছে সবচেয়ে কঠিন কাজ ছিল মারাঠা রাজ্যের অরাজকতা দর করা ও পরপর বিবাদমান মারাঠা সর্দারদের ঐক্যবদ্ধ করা। এই কঠিন কাজেও তিনি অনেকাংশে সফল হয়েছিলেন। মারাঠা সদারদের মধ্যে ক্ষমতা ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভাগ করে দিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি মারাঠাদের ঐক্যের বন্ধন যথেষ্ট জোরদার করেন। কিন্তু মারাঠা সাম্রাজ্যের বিস্তৃতির সঙ্গে সঙ্গে পুরাতন অষ্টপ্রধান ব্যবস্থার মাধ্যমে যে মারাঠাদের ঐক্য বজায় রাখা সম্ভব হবে না, তাও তিনি বুঝতে পারছিলেন। সুতরাং শিবাজীর আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে যাতে মারাঠাদের ঐক্যবদ্ধ করা যায়, তার জন্য তিনি ভাবনা চিন্তা করছিলেন।

চৌথ সরদেশমুখী আদায়ের জন্য তিনি এক একটি এলাকা এক এক জন মারাঠা সারের জন্য নির্দিষ্ট করে দেন। এইভাবে অর্থ আদায় করে মারাঠা সর্দারেরা তার একটা বড় অংশ নিজেদের খরচ মেটানাের জন্য রেখে দিত। বলা বাহুল্য এইভাবে তিনি মারাঠা সর্দারদের আনুগত্য ও কৃতজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু এই ব্যবস্থার সবচেয়ে এটি ছিল এই যে, এই শক্তিসঙ্ কোন অতীত ঐতিহ্য বা জাতীয় ঐক্যের উপর গড়ে ওঠে নি। এর ভিত্তি ছিল আগাগােড়াই দুর্বল। ফলে এই ব্যবস্থা মারাঠাদের শক্তি বৃদ্ধি করার পরিবর্তে দুর্বলতার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এটা ঠিকই যে, মারাঠা সর্দাররা এর ফলে নিজ নিজ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে মারাঠাদের প্রভাব প্রতিপত্তি চতুর্দিকে ছড়িয়ে দেন। কিন্তু সেই সঙ্গে পারস্পরিক একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বৈরিতাও এর ফলে জম লাভ করে যা মারাঠা ঐক্যের মলে কুঠারাঘাত করেছিল। পরে যখন পেশবারা দুর্বল ও অপদার্থ হয়ে পড়েছিলেন, তখন এই ব্যবস্থার কুফল ধ্বসমক্ষে প্রতিভাত হয়ে উঠেছিল।

অষ্টাদশ শতকের গােড়ায় মারাঠারা যে চরম সঙ্কট ও জটিল পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিল, তা থেকে উদ্ধার করে বালাজী বিশ্বনাথ মারাঠা শক্তির পুনরুজ্জীবন ঘটান। এ কথা ঠিক যে, তিনি শিবাজীর মত অনন্যসাধারণ প্রতিভার অধিকারী ছিলেন না। কিন্তু শিবাজীর মত ব্যক্তিত্ব ও প্রতিভা সব সময় আশা করা যায় না। বস্তুতঃ বালাজী বিশ্বনাথ ছিলেন অত্যন্ত ধীর, স্থির, বিচক্ষণ ও দরদষ্টিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ। তাঁর পর্যবেক্ষণ শক্তি ছিল অসাধারণ এবং কূটনৈতিক বুদ্ধি ছিল তীক্ষ্ণ। এই সব গুণের সঙ্গে তাঁর বাস্তব জ্ঞান ও কল্পনাশক্তির এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। তিনি অষ্টাদশ শতকের রাজনৈতিক বিশখলা ও অনিশ্চয়তা লক্ষ্য করে বুঝতে পেরেছিলেন যে মুঘল সাম্রাজ্যের পতন আসন্ন এবং এই সুযােগে সাম্রাজ্য স্থাপনের সম্ভাবনা উজ্জল। কিন্তু সামরিক প্রতিভা বা দক্ষতা তাঁর ছিল না। তা সত্ত্বেও কেবলমাত্র কূটনীতির সাহায্যে যে ভাবে তিনি সৈয়দদের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে মারাঠা সাম্রাজ্য স্থাপনের পথ প্রস্তুত করে দিয়েছিলেন, তা উচ্ছসিত প্রশংসার দাবী রাখে। স্যার রিচার্ড টেম্পলের ভাষায় “He ( Balaji Viswanath ) carried victoriously all his diplomatic points and sank into a premature death with the consciousness that a Hindu empire had been created over the ruins of Muhammedan power and that of this empire the hereditary chiefship had been secured for his family.” বস্তুতঃ তাঁকে মারাঠা সামাজ্যের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাতা বললে অত্যুক্তি হবে না।

পেশবাতন্ত্রের উদ্ভব ও ১৭০৭ সাল থেকে ১৭৬১ সাল পর্যন্ত ও মারাঠা শক্তির বিকাশঃ

Leave a Comment