মুর্শিদকুলি খাঁর শাসন ব্যবস্থা:

মুর্শিদকুলি খাঁর শাসন ব্যবস্থা:

মুর্শিদকুলি খাঁর শাসন ব্যবস্থা: মুর্শিদকুলি খাঁর আমলে বাংলাদেশে একটি দক্ষ প্রাদেশিক শাসনকাঠামাে গড়ে ওঠে। আইনতঃ বাংলা তখন মুঘল সাম্রাজ্যের একটি অংশ হলেও ঔরঙ্গজেবের মত্যুর সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় মুঘল শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযােগ নিয়ে মুর্শিদকুলি খাঁ সমস্ত ক্ষমতা নিজ হাতে কেন্দ্রীভূত করেন এবং বাংলার শাসনকার্য তাঁকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হতে থাকে। মুঘল আমলে বাংলার শাসনে সুবাদার বা প্রাদেশিক শাসনকর্তা ও রাজস্ব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত দেওয়ান যে দ্বৈত ক্ষমতা উপভােগ করতেন, মুর্শিদকুলি খাঁর আমলে তার অবলুপ্তি ঘটে এবং তিনি একাই বাংলার সমস্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতেন। এইভাবে তিনি বাংলায় এক স্বৈরতন্ত্রী শাসনের ভিত পত্তন করেন। তাঁর এই স্বৈরতন্ত্রকে কায়েম করার জন্য তিনি রাজ্যের সমস্ত উচ্চপদে হয় নিজের আস্থাভাজন আত্মীয়স্বজন, নয় একান্ত অনুগত ও বিশ্বাসভাজন অনুচরদের নিযুক্ত করতেন। উড়িষ্যা ও ঢাকার ডেপুটি সুবাদার ছিলেন তাঁরই আত্মীয়। বালেশ্বর ও ভূষণার ফৌজদারও ছিলেন তাঁর আত্মীয়। দেওয়ানী বিভাগেও তিনি নিজ আত্মীয়দের নিযুক্ত করেছিলেন।

নিজের কর্তৃত্বকে সর্বময় করে তােলার জন্য মুর্শিদকুলি খাঁ রাজ্যের সমস্ত প্রশাসনিক দপ্তর ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করেন। এই শহরের আসল নাম ছিল মুকসুদাবাদ। ঢাকা থেকে বাংলার রাজধানী এখানে স্থানান্তরিত করে মুর্শিদকুলি খাঁ নিজের নাম অনুসারে এই শহরের নামকরণ করেন মুর্শিদাবাদ। যাই হােক এর ফলে তিনি বাংলা ও উড়িষ্যায় আরও দক্ষতার সঙ্গে শাসনকার্য পরিচালনা করতে সক্ষম হন। একদিকে ঢাকা ও অন্যদিকে বালেশ্বরে তাঁর দুই ডেপুটি এবং এর মাঝামাঝি মুর্শিদাবাদে তিনি স্বয়ং উপস্থিত থাকায়, রাজ্যের সর্বত্র কড়া নজর রাখতে তিনি সক্ষম হন। এর ফলে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ে।

মুর্শিদকুলি খাঁর শাসনব্যবস্থার একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলাে বিভিন্ন বিভাগে হিন্দ, কর্মচারীদের প্রাধান্য। রাজ্যের সমস্ত উচ্চপদ তিনি নিজ নিকট আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ অনুচরদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেও অন্যান্য কর্মচারীর পদ, বিশেষতঃ ভূমিরাজস্ব বিভাগে, হিন্দুদের মধ্য থেকেই পণ করতেন। তাঁর এই হিন্দপ্রীতি প্রধান কারণ হিন্দুদের দক্ষতা ও কর্তব্যপরায়ণতা। অন্যদিকে মুসলমানদের সঙ্গে দিল্লীর উচ্চমহলে জানাশোনা ও হৃদ্য সপকের জন্য তিনি তাঁদের এড়িয়ে চলতেন ও বিশ্বাস করতেন না। তাঁর ভয় ছিল এরা হয়ত তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে পারেন। বিশ্বস্ত হিন্দ, কর্মচারীদের মধ্যে রাজস্ব বিভাগে লাহােরি মল, মত্যুঞ্জয় ও রঘুনন্দনের নাম সবিশেষ উল্লেখযােগ্য। রঘুনন্দন টাঁকশালের দারােগার পদও অলঙ্কৃত করতেন। মুর্শিদকুলি খাঁ তাঁর পরামর্শ ও উপদেশ সব সময়েই মান্য করে চলনে।

ফলে মর্শিদকুলি খাঁ হিন্দুদের সমর্থন ও সহযােগিতা আদায় করতে সক্ষম হয়েছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর শাসনে দেশে শান্তি ও শঙখলা প্রতিষ্ঠিত ছিল। দেশে চোর, ডাকাত, দস ও অত্যাচারী জমিদার তাঁর ভয়ে তটস্থ থাকতাে। এই সব সমাজবিরােধী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতাে। কোন অঞ্চলে ডাকাতি হলে, তিনি সেখানকার জমিদার ও ফৌজদারদের নির্দেশ দিতেন অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে ও চোরাই সম্পত্তি তার মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে। চুরি ডাকাতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তিনি কয়েকটি থানা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। রাজ্যে আইন ও শঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ছিল তাঁরই হাতে। সলিম আল্লার বিবরণ থেকে জানা যায় যে, মুর্শিদকলি খাঁ ন্যায় বিচার করতেন ও তাঁর কাছে কোন পক্ষপাতিত্ব চলতাে না। বিচারের স্বাথে তিনি নিজ সন্তানকেও প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করতে কণ্ঠিত হন নি। অসহায় ও দরিদ্র ব্যক্তি যাতে সবলের অত্যাচারে পীড়িত না হয়, সে দিকে তাঁর কঠোর দৃষ্টি ছিল। দরিদ্র জনগণের যাতে কোন কষ্ট না হয়, সেজন্য খাদ্যশস্যের নির্দিষ্ট দাম বজায় রাখতে তিনি চেষ্টা করতেন। খাদ্য শস্যের একচেটিয়া কারবার তাঁর আদেশে নিষিদ্ধ করা হয়। যদি কোন ব্যবসায়ী বেশী দাম নিতেন তাহলে তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হতো। খাদ্য মজত করার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতাে। খাদ্যাভাবে বা দুর্ভিক্ষের সময় প্রজাদের দুঃখ কষ্ট লাঘব করার জন্যও তিনি সচেষ্ট ছিলেন। এই সময় যাতে দেশ থেকে খাদ্য বাইরে চালান না হয়, সেদিকে তাঁর কড়া নজর ছিল। এক কথায় স্বৈরতন্ত্রী হলেও মুর্শিদকলি খাঁ প্রজাদের কল্যাণ ও মঙ্গলের কথা সব সময়েই চিন্তা করতেন। তাঁর ভূমি রাজস্ব ব্যবহার আলোচনা প্রসঙ্গেও আমরা তাঁর এই প্রজাহিতৈষী ভাবমতি লক্ষ্য করেছি। আসলে তিনি যদি কেবলমাত্র অত্যাচার ও ভীতি প্রদর্শনের উপরই তাঁর শাসনের ভিত গড়ে তুলতেন তাহলে তাঁর পক্ষে ক্ষমতায় টিকে থাকা সম্ভবপর হতাে না। তাঁর অস্তিত্বের পিছনে দিল্লীর কোন সমর্থন ছিল না এবং রাজধানীর কোন দলাদলির মধ্যেও তিনি থাকতেন না। দিল্লীর সঙ্গে তাঁর একটিই সম্পর্ক ছিল। তা হলাে সময়মতাে ও ঠিকমতাে টাকা পাঠানাে। কিন্তু তা করতে গিয়ে তিনি যদি কেবল অত্যাচার ও জোরজবস্তি চালাতেন, তাহলে তাঁর অস্তিত্ব বিপন্ন হতাে। তাঁর সাফল্যের মূল কারণ হলাে দক্ষ প্রশাসন ও প্রজা বাৎসল্য। 5

মুর্শিদকুলি খাঁ দক্ষ শাসনে বাংলায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বিরাজ করলেও তাঁর শাসন ব্যবস্থায় দুটি বড় গলদ ছিল। প্রথমতঃ তাঁর সময়ে সামরিক দক্ষতা হ্রাস পায়। বাংলা ও উড়িষ্যায় এই সময় কোন দক্ষ সমরনায়কের উদ্ভব ঘটে নি। ইংরেজ বণিকদের দষ্টিও এদিকে আকৃষ্ট হয়েছিল। কিছ, পরে মারাঠাদের আক্রমণের সময়ে ও ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধের সময়ে বাংলাকে এই সামরিক দুবলতার জন্য কঠিন মুলা দিতে হয়েছিল। দ্বিতীয়তঃ সরকারী কর্মচারীদের অপরিমিত অথ‘লােভ ও দুনীতি মুর্শিদকুলি খাঁর শাসনব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করেছিল। দুনীতি দূর করতে বা এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মুর্শিদকলি খাঁ ব্যর্থ হন। এর ফলে সরকারী কর্তব্যে অবহেলা দেখা দেয়।

ফৌজদার সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মচারী উপহার ও অন্যান্য উৎকোচের জন্য অত্যন্ত লালায়িত ছিলেন। পরিতাপের বিষয় কাজী ও মুফতিও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না স্যার যদুনাথ সরকার মুর্শিদকুলি খাঁর তীব্র সমালােচনা করেছেন। তার ভাষায় afa “But though Murshid and his successors greatly increased the volume of the state income and gave it permanence and ease of collection, though the foreign trade of the province expanded by leaps and bounds in their times, yet in the light of after events, he must be pronounced a glorified civil servant only, a masterly collector and accountant, a brainy departmental head, but no statesmanlike leader possessed of vision. He did nothing to give permanence to his system, he created no efficient civil service, no council of notables to serve as a check on the caprice of tyrants and preserve the balance of the state in evil days to come.” স্যার যদুনাথ আরও বলেছেন যে মুর্শিদকুলি খাঁ ছিলেন স্বভাব-কৃপণ এবং ব্যয় সঙ্কোচের জন্য দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অবহেলা করেছিলেন।

মুর্শিদকুলি খাঁর শাসন ব্যবস্থা:

তিনি মাত্র ২০০০ অশ্বারােহী ও ৪০০০ পদাতিক ছাড়া অন্যান্য সমস্ত সৈন্য পদচ্যুত করেছিলেন। আবদুল করিম স্যার যদুনাথের অভিযােগ ভিত্তিহীন বলে মনে করেন। যুক্তি তকের সাহায্যে তিনি স্যার যদুনাথের বক্তব্য খণ্ডন করতে চেষ্টা করেছেন। তাঁর বক্তব্য হলাে মশিদকুলি খাঁকে বিচার করতে হলে সমসাময়িক সময় ও পরিস্থিতির কথা ভুললে চলবে না। তাঁর সাফল্য ব্রা ব্যর্থতার মূল্যায়ণ করতে হবে মুঘল প্রশাসনিক কাঠামাের পরিপ্রেক্ষিতে, কারণ জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি মঘল সরকারের প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন। সুতরাং তাঁর পক্ষে এমন কিছু করা সম্ভব ছিল না, যা মুঘল শাসন কাঠামাের পরিপন্থী। তাঁর পক্ষে কোন অভিজাত সভা বা ‘Council of notables’ গড়ে তােলার প্রশ্নই ওঠে না। তেমনি অষ্টাদশ শতকের গােড়ায় আধুনিক কালের মত কোন আমলাতন্ত্র গড়ার কথাও কল্পনা করা যায় না। মঘল শাসনব্যবস্থার আওতায় যে ধরণের আমলাতন্ত্র গড়ে তােলা সম্ভব, মুর্শিদকুলি খাঁ সাধ্যমত তাই করেছিলেন এবং তাঁর মত্যুর পরেও এর কার্যকারিতা অক্ষম ছিল। বিদেশী বাণিজ্য কুঠিকে কেন্দ্র করে । যে নতুন ধনী সম্প্রদায় গড়ে উঠছিল তার মােকাবিলা করার ক্ষমতা মুর্শিদকুলির নয় আমলাতন্ত্রের ছিল। পরবতীকালে যখন এই শ্রেণী সরকারের পণ্ঠপােষকতা থেকে বঞ্চিত হয় এবং ভারসাম্য ভেঙ্গে পড়ে তখনই বিপর্যয় শুর হয় ও দেশের স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। স্যার যদুনাথ মশিদকুলি খাঁর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অবহেলা সম্পর্কে যে অভিযােগ এনেছেন, তাঁর উত্তরে অধ্যাপক করিম বলেন যে মুঘল শাসনব্যবস্থায় মনসবদারদের সেনাবাহিনীর ভরণপােষণের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হতো। মুর্শিদকুলি খাঁ ছিলেন সাতহাজারী মনসবদার। সুতরাং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যয়হাসের প্রশ্ন ওঠা তাঁর মতে নিরর্থক। আসলে অষ্টাদশ শতকের পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর ব্যয় বহন করা ছিল খুবই জটিল একটি সমস্যা। দিল্লীর বড় বড় অভিজাত ব্যক্তিও তাঁদের মনসব অনুযায়ী যত সৈন্যবাহিনী মােতায়েন রাখার কথা, তা তারা রাখতে পারতেন না। মুর্শিদকুলি খাঁর কৃতিত্ব এইখানে যে, তাঁর

সীমিত শক্তি সত্বেও তিনি দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পেরেছিলেন এবং বহিঃ শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। একজন প্রাদেশিক শাসনকতার কাছ থেকে এর থেকে বেশী কিছু আশা করা অসঙ্গত বলে অধ্যাপক করিম মনে করেন। শাসক হিসাবে যে মশিদকুলি খাঁ যথেষ্ট দক্ষ ও বিজ্ঞ ছিলেন, এ বিষয়ে বােধহয় কোন দ্বিমতের অবকাশ নেই। দাক্ষিণাত্যে ও বাংলায় বিভিন্ন বিভাগে কাজ করার সূত্রে তিনি যে ব্যাপক ও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন, তাই ছিল তাঁর পাথেয়। তাছাড়া বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা ছিল তাঁর সাফল্যের চাবিকাঠি। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, মঘল সাম্রাজ্যের পতন আসন্ন ও প্রাদেশিক শাসনকে নতুন ধাঁচে গড়ে তুলতে না পারলে এবং সমস্ত ক্ষমতা নিজের হাতে কেন্দ্রীভূত করতে না পারলে বাংলার দুদিন অনিবার্য। সুতরাং ব্যক্তিস্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থেই তিনি বাংলাদেশে এক নয়া শাসন ব্যবস্থার সূত্রপাত করেছিলেন। দিল্লীর দরবারের সঙ্গে যােগসত্র ছিন্ন করে ও বাংলার অধিবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিষ্ঠিত করে তিনি বাংলায় নবাবী শাসনের ঐতিহ্যের সুত্রপাত করেছিলেন ; বাংলাদেশকে দিয়েছিলেন শান্তি ও নিরাপত্তা। অথচ দিল্লীর সম্রাটকে মৌখিক আনুগত্য জানাতে ও নিয়মিত কর প্রদান করতেও তিনি কার্পণ্য করেন নি। এই ঘটনা একই সঙ্গে তাঁর মহত্ব ও বাস্তবজ্ঞানের পরিচায়ক। শাসনকার্যে প্রতিটি বিষয়ে তাঁর তীক্ষা দণ্টি ছিল। খুটিনাটি কোন কিছুই তাঁর নজর এড়াতাে না।

অত্যাচারী শাসক হিসাবে অনেকেই তাঁর নিন্দা করে থাকেন। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি যে, অবাধ্য ও অত্যাচারী জমিদারদের শায়েস্তা করতেই তিনি কঠোর নীতি অবলম্বন করেছিলেন। নিয়মিত রাজস্ব প্রদান করলে জমিদারদের ভয়ের কোন কারণ ছিল না। রাষ্ট্ৰশাসনে তাঁর ধর্ম-নিরপেক্ষ নীতি ও হিন্দুদের প্রাধান্য অষ্টাদশ শতকের পরিপ্রেক্ষিতে নিশ্চয়ই উচ্চ প্রশংসার দাবী রাখে। স্যার যদুনাথের অভিযােগ যে, তিনি তাঁর ব্যবস্থার স্থায়িত্ব বিধান করতে ব্যর্থ হন হয়ত পুরােপুরি অযৌক্তিক নয়। কিন্তু অধ্যাপক করিম যথাথই প্রশ্ন তুলেছেন অষ্টাদশ শতকের পরিবেশে এই দায়িত্ব পালন করা কি আদৌ সম্ভব ছিল ?

মুর্শিদকুলি খাঁ এর অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধের সম্পর্কে জানার জন্য এখানে ক্লিক করো:

Leave a Comment