Class 6 History February Model Activity Task 2022 Part-2

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক

ষষ্ঠ শ্রেণি

ইতিহাস পূর্ণমান : ২০

Class 6 History February Model Activity Task 2022 Part-2 নীচে আলোচনা করা হল

১. শূন্যস্থান পূরণ করাে : ১X৩ =৩

(ক) সবচেয়ে পুরােনাে আদিম মানুষের খোঁজ পাওয়া গেছে ……পূর্ব আফ্রিকায়…………

(খ) পাথরের যুগকে সাধারণভাবে ………তিনটি পর্যায়ে………..পর্যায়ে ভাগ করা হয়।……………….

(গ) আদিম মানুষ প্রথম কৃষিকাজ শেখে ……নতুন পাথরের …… যুগে। 

২. ঠিক-ভুল নির্ণয় করাে :                                                      ১ X ৩ = ৩

(ক) হাতিয়ারের বিবর্তন আদিম মানুষের জীবনে পরিবর্তন ঘটিয়েছিল। 

উঃ- সত্য

(খ) আদমগড়ের মানুষ পশুপালন করতে শিখেছিল।

উঃ-সত্য

(গ) ভীমবেটকার গুহাগুলি উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত। 

উঃ- মিথ্যা

৩. স্তম্ভ মেলাও :                                                               ১ X ৩ = ৩

‘ক’ স্তম্ভ‘খ’ স্তম্ভ
হােমাে হাবিলিসসােজা হয়ে দাঁড়াতে পারা মানুষ।
হােমাে ইরেকটাসবুদ্ধিমান মানুষ
হােমাে স্যাপিয়েন্সদক্ষ মানুষ 

উঃ- 

‘ক’ স্তম্ভ‘খ’ স্তম্ভ
হােমাে হাবিলিসদক্ষ মানুষ 
হােমাে ইরেকটাসসােজা হয়ে দাঁড়াতে পারা মানুষ।
হােমাে স্যাপিয়েন্সবুদ্ধিমান মানুষ

৪. দুটি-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :                                      ২ X ৩ = ৬

(ক) ভীমবেটকার গুহার দেয়ালে কেমন ধরনের ছবি পাওয়া গেছে? 

উঃ- মধ্যপ্রদেশের ভূপাল থেকে কিছুটা দূরে বিন্ধ্য পর্বতের গা ঘেঁষে একটা নির্জন জঙ্গলে 1957 খ্রিস্টাব্দে ভীমবেটকা গুহা আবিষ্কৃত হয়। ওই গুহায় পুরাতন পাথরের যুগের মানুষেরা বসবাস করত বলে জানা যায়। গুহার দেওয়ালে বিভিন্ন রকম আঁকা ছবি পাওয়া গেছে যা প্রায়ই শিকারের দৃশ্য যেখানে নানারকম বন্য পশুর ছবি পাশাপাশি পাখি, মা্‌ কাঠবিড়ালির মত প্রাণীর ছবি দেখা যায় এছাড়াও দেখা যায় মানুষ একা,বা দলবেঁধে শিকার করছে তাদের কারো কারো মুখে মুখোশ রয়েছে হাতে পায়ে গয়না। অনেক সময় মানুষের সঙ্গে কুকুর কেউ দেখা গেছে।

(খ) পুরােনাে পাথরের যুগে আদিম মানুষের জীবন কেমন ছিল?

উঃ- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব 20 লক্ষ বছর থেকে খ্রিস্টপূর্ব 10 হাজার বছর আগে সময়কাল ছিল পুরনো পাথরের যুগ। এই পুরনো পাথরের যুগের মানুষের জীবন ছিল বেশ কঠিন ও কষ্টের। তারা ছিল যাযাবর প্রকৃতির বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে দিন কাটাতো। পাকাপাকি বা স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে নি। দলবেঁধে তারা পশু শিকার করত। তারা পশুপালন বা কৃষিকাজ কিছুই জানতো না তাই শিকার এবং ফলমূল জোগাড় করে মিলেমিশে ভাগ করে খেত । প্রচন্ড ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে তারা পশুর চামড়া, গাছের ছাল পরত। আদিম মানুষ তো কোন পোশাক তৈরি করতে শিখেনি।

(গ) আগুনের ব্যবহারের ফলে মানুষের জীবনে কী কী পরিবর্তন এসেছিল? 

উঃ- আগুনের ব্যবহার করার ফলে মানুষের জীবনে বেশকিছু বদল দেখা যেতে থাকে। একদিকে প্রচন্ড শীতের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাত আগুন। পাশাপাশি বিভিন্ন জন্তুর আক্রমণ মোকাবিলা করার জন্য আগুনের ব্যবহার শুরু হয়। তাছাড়া আগুনের ব্যবহার আদিম মানুষের খাবারের অভ্যাসও বদলে দিয়েছিল। এই সময় কাঁচা খাওয়ার বদলে মানুষ আগুনে ঝলসে খাওয়া শুরু করে। ঝলসানো নরম মাংস খেতে তাদের চোয়াল ও জোর কম লাগতো। তাই ধীরে ধীরে তাদের চোয়াল সরু হয়ে এল। সামনের ধারালো উঁচু দাঁত ছোট হয়ে গেল। আরও নানারকম বদল হলো চেহারায়। আদিম মানুষের শরীরে জোর বাড়লো, বুদ্ধিরও বিকাশ হল।

৫. আট-দশটি বাক্যে উত্তর দাও : ৫ X ১ = ৫

যাযাবর মানুষেরা কীভাবে ধীরে ধীরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছিল ?                                         

উঃ- আদিম মানুষ যাযাবর ছিল কারণ তারা প্রথমদিকে পশুপালন কিংবা কৃষিকাজ কোনোটিই জানতো না। কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষ যখন নতুন পাথরের যুগের পৌঁছল তখন তারা জানতে পারল বীজ থেকে চারা গাছ হয়। চারাগাছ থেকে হয় বড় গাছ। তখন শুধু খাবার খোঁজা নয় খাবার তৈরি করতে পারলো তারা। মানুষ শিখলো কৃষিকাজ। কৃষি কাজ শুরু হওয়ার ফলে কৃষি অঞ্চলে স্থায়ী বসতি বানিয়ে থাকতে শুরু করে। চাষের সঙ্গে যুক্ত হয় বাস। চাষবাস কথাটা আজও ব্যবহার করা হয় তাছাড়া কৃষিকাজ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে শিকারের মত তা অনিশ্চিত নয় ফলে যাযাবর মানুষ ধীরে ধীরে কৃষি ও স্থায়ী ব্সতির দিকে যেতে থাকে। 

Leave a Comment