বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন?

বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন?

প্রিয় মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা,

আজকে তোমাদের সঙ্গে শেয়ার করবো, বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন? With PDF Download, তোমরা এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে Madhyamik থেকে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন তার উত্তর পাবে। মাধ্যমিকের ইতিহাসের পঞ্চম অধ্যারের ৪ নম্বরের প্রশ্নও উত্তরে রয়েছে বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন? Madhyamik 2022 Geography Suggestion, Madhyamik 2022 Life Science Suggestion, Madhyamik 2022 Physical Science Suggestion পেয়ে যাবে। এগুলি তোমাদের ফাইনাল পরিক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন হবে। তো বন্ধুরা তোমাদের এই পোস্টের মাধ্যমে বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন?এই প্রশ্নটি উত্তর সহ দেওয়া আছে আমাদের আসা এই প্রশ্নটি তোমাদের খুবই কাজে আসবে।

বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাসে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার স্মরণীয় কেন?

ভুমিকাঃ- বাংলা তথা ভারতে পাশ্চাত্য বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে যে সমস্ত বাঙালি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ড: মহেন্দ্রলাল সরকার । বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মৌলিক গবেষণা এবং একজন ডাক্তার হিসেবে তিনি বাঙালি জাতির মধ্যে যুক্তিবাদের প্রসার ঘটিয়েছিলেন।

                  ১৮৬১ সালে ডক্টর মহেন্দ্রলাল সরকার  আই এম এস এবং ১৮৬৩ সালে তিনি এমডি ডিগ্রী লাভ করেন। অসাধারণ রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ের ক্ষমতা অচিরেই তাকে জনপ্রিয় করে তোলে। প্রথম পর্যায়ে তিনি অ্যালোপ্যাথিচর্চা করলেও পরবর্তীকালে তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় আত্মমনোনিবেশ করেন এবং খুব শীঘ্রই তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অন্যতম সেরা হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠিত সংগঠনঃ

মহেন্দ্রলাল সরকার এর অনবদ্য কীর্তি হল ১৮৭৬ সালে IACS বা ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স’ বা ‘ভারতবর্ষীয় বিজ্ঞান সভা’র প্রতিষ্ঠা। IACS প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মৌলিক গবেষণা করা। 

                        ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার প্রতিষ্ঠিত IACS এ যে সমস্ত গবেষক কাজ করে পরবর্তীকালে নিজের কৃতিত্ব রেখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন, মেঘনাথ সাহা, কে.এস কৃষ্ণান প্রমূখ। এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করেই রমন ইফেক্ট আবিষ্কার করে ১৯৩০ সালে বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার লাভ পান।

উপসংহার: ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান বাংলা তথা ভারতের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে এবং সমগ্র বিশ্বে এক অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। তৎকালীন সময়ে বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি আজও বিজ্ঞান চর্চার আদিগুরু হিসেবে খ্যাত। 

Leave a Comment