মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর|madhyamik physical science question answers|মাধ্যমিক প্রথম অধ্যায় পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর |মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন ২০২২

Madhyamik Physical Science Question Answers|মাধ্যমিক প্রথম অধ্যায় পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো|এই Madhyamik Physical Science Suggestion 2022| মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন|West Bengal Madhyamik Physical Science Examination|পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সালের পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ|তোমরা যারা মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার সাজেশন খুঁজে চলেছ, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্নপত্র ভালো করে পড়তে পার|পরিবেশের জন্য ভাবনা (অধ্যায়-১) MCQ, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর গুলি তোমাদের পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে|আমাদ্র আশা তোমাদের আসন্ন পরীক্ষাতে প্রশ্নগুলো আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।

পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) MCQ, সংক্ষিপ্ত, অতি সংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর | Madhyamik Physical Science Suggestion মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন

Table of Contents

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর : (Mark-1)|পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর |মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন

1. সােলার কুকারে যে কাঠের বাক্স থাকে তার ভেতরের দেওয়ালে কালাে রঙ করা থাকে কারণ-

A) পাত্রে রাখা খাদ্য দ্রব্য যেন মানুষের চোখে না পড়ে 

B) কালাে রঙ তাপের উত্তম শােষক 

C) কালাে রঙ দেখতে খুব সুন্দর                                                                     

D) কোনােটিই নয়

উঃ-B) কালাে রঙ তাপের উত্তম শােষক                                                                                                                                                                                                                                                                   

2. একক ভর বা আয়তনের জ্বালানিকে অতিরিক্ত বায়ুতে দহন করলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয় তাকে

A) জ্বলন বিন্দু বলে 

B) ক্যালরিফিক মান বলে

C) অকটেন সংখ্যা বলে 

D) সিটেন সংখ্যা বলে

উঃ-B) ক্যালরিফিক মান বলে

3. আয়ােনােস্ফিয়ারের সর্বোচ্চ উয়তা হলাে— 

A) 100°C 

B) 500°C

C) 800°C 

D) 1200°

উঃ-D) 1200°

4. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে বায়ুর উম্মতা—

A) কমে 

B) বাড়ে

C) অপরিবর্তিত 

D) প্রথমে বাড়ে পরে কমে

উঃ-B) বাড়ে

5. ওজোন স্তর ধ্বংসে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সবচেয়ে কার্যকরী ? 

A) CO2

B) CFC

C) CH4

D) N2O

উঃ-B) CFC

6. সােলার কুকারের উন্নতা সাধারণত 100°C থেকে 140°C মধ্যে থাকে। এই উন্নতা বাড়াতে হলে-

A) সােলার কুকারের ওপর যে সামতলিক আয়না ব্যবহার করা হয় তার সাইজ বড়াে করতে হবে 

B) সােলার কুকারের কাচের ঢাকনাটিকে অপসারিত করতে হবে

C) সমতল দর্পণের বদলে অবতল দর্পণ ব্যবহার করে উপযুক্ত ভাবে দর্পণটিকে স্থাপন করতে হবে

D) কোনাে অবস্থাতেই উষ্ণতা আর বৃদ্ধি পাবে না

উঃ-C) সমতল দর্পণের বদলে অবতল দর্পণ ব্যবহার করে উপযুক্ত ভাবে দর্পণটিকে স্থাপন করতে হবে

7. নীচের চারটি জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে কোনটি সর্বাপেক্ষা উত্তম?

A) কয়লা

B) কাঠ কয়লা

C) ডিজেল

D) প্রাকৃতিক গ্যাস।

উঃ-D) প্রাকৃতিক গ্যাস।

8. যে বিজ্ঞানী ওজোন গহুর (Ozone hole) শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন তিনি হলেন-

A) ফোরম্যান 

B) রাদারফোর্ড

C) ফেয়ারম্যান

D) পিস্টলে

উঃ-A) ফোরম্যান 

9. নীচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?

A) ওজোন গহ্বর সৃষ্টিতে NO এর কোনাে ভূমিকা নেই 

B) বায়ুমন্ডলের মােট ওজোনের 25% স্ট্রাটোস্ফিয়ারে থাকে

C) UV রশ্মির প্রভাবে O3 এর উৎপাদন এবং বিয়ােজন দুইই হয়

D) ওজোন গ্যাসের গুরুত্ব 100 ডবসন ইউনিটের বেশি হলে UV রশি প্রবেশ করতে পারে না।

উঃ-C) UV রশ্মির প্রভাবে O3 এর উৎপাদন এবং বিয়ােজন দুইই হয়

10. পৃথিবীর কোন অঞলের ওজোনস্তর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ?

A) নিরক্ষীয় অঞ্চলে

B) সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে 

C) পাহাড়ী অঞ্চলে 

D) মেরু অঞ্চলে

উঃ-D) মেরু অঞ্চলে

11. বায়ুমণ্ডলের মােট ওজোনের শতকরা কত ভাগ-

A) 30 ভাগ

B) 50 ভাগ 

C) 60 ভাগ 

D) 80 ভাগ

উঃ-D) 80 ভাগ

12. আবহাওয়া মন্ডলে ওজোনস্তরের উপস্থিতি

A) 5 – 10 km উচ্চতার মধ্যে 

B) 10 – 15 km উচ্চতার মধ্যে 

C) 15 – 35 km উচ্চতার মধ্যে 

D) 35 – 85 km উচ্চতার মধ্যে 

উঃ-C) 15 – 35 km উচ্চতার মধ্যে 

13. সুপারসনিক এরােপ্লেন থেকে নির্গত যে যৌগটি ওজোনস্তরের ব্যাপক ক্ষতি করে তা হলাে— 

A) H2O

B) N2O

C) NO

D) CO2

উঃ-C) NO

14. নীচের কোন গ্রিন হাউস গ্যাসের উষ্ণকরণ ক্ষমতাসর্বাধিক? 

A) CO2

B) মিথেন

C) H2O

D) CFC

উঃ-D) CFC

15. গ্রিন হাউস গ্যাস বায়ুমন্ডলের কোন স্থানে অবস্থান করে কার্যপ্রণালী চালায়?

A) ট্রপােস্ফিয়ার 

B) স্ট্রাটোস্ফিয়ার 

C) মেসােস্ফিয়ার 

D) থার্মোস্ফিয়ার

উঃ-A) ট্রপােস্ফিয়ার 

16. গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টিতে CO2 গ্যাসের অবদান 

A) 20% 

B) 30%

C) 50% 

D) 75%

উঃ-C) 50% 

17. আন্টার্কটিকায় ওজোন ক্ষয় সৃষ্টিকারী যৌগটি হলাে— 

A) N2O

B) PAN

C) SO2 , SO3

D) ক্লোরিন নাইট্রেট

উঃ-D) ক্লোরিন নাইট্রেট

18. ক্লোরােফ্লুরাে কার্বনের কোন পরমাণু ওজোনস্তর ধ্বংসের জন্যে দায়ী?

A) 30 ভাগ

B) ক্লোরিন 

C) কার্বন

D কোনােটিই নয়

উঃ-B) ক্লোরিন 

19. জলাভূমিতে উৎপন্ন মার্স গ্যাস আসলে

A) CO2 

B) CO

C) CH4

D) C2H2

উঃ-C) CH4

20. নিম্নলিখিত শক্তিগুলির মধ্যে কোনটির উৎস সূর্য? 

A) ভূতাপ শক্তি 

B) পারমাণবিক শক্তি 

C) উভয়েই 

D) কোনােটিই নয়

উঃ-D) কোনােটিই নয়

21. সৌরকোশে কোন শক্তি কোনশক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 

A)তড়িৎশক্তি থেকে তাপশক্তি

B) সৌরশক্তি থেকে তাপশক্তি

C) যান্ত্রিকশক্তি থেকে তাপশক্তি 

D) সৌরশক্তি থেকে তড়িৎশক্তি

উঃ-D) সৌরশক্তি থেকে তড়িৎশক্তি

22. রাসায়নিক গঠন অনুসারে বায়ুমন্ডলকে কটি ভাগে ভাগ করা যায়?

A) 2

B) 3

C) 4

D) 5

উঃ-A) 2(সমমণ্ডল ও বিষমমণ্ডল)

23. ওজোন স্তরের গভীরতা কমে গেলে ভূপৃষ্ঠে বেশি করে পৌছয়—

A) আলােক রশ্মি 

B) Y-রশ্মি

C) অতিবেগুনি রশ্মি 

D) তেজস্ক্রিয় রশ্মি 

উঃ-C) অতিবেগুনি রশ্মি 

24. নিম্নলিখিত কোন্ রশ্মিটি তাপীয় রশ্মি ? 

A) UV রশ্মি 

B) Y-রশ্মি

C) কসমিক রশ্মি 

D) IR রশ্মি

উঃ-D) IR রশ্মি

25. বায়ুমন্ডলে ওজোনস্তর সৃষ্টি হওয়ার কারণ হলাে—

A) রাসায়নিক বিক্রিয়া 

B) আলােক-রাসায়নিক বিক্রিয়া 

C) নিউক্লিও বিক্রিয়া 

D) পারমাণবিক বিক্রিয়া

উঃ-B) আলােক-রাসায়নিক বিক্রিয়া 

26. ওজোনস্তরের ঘনত্বকে যে এককে প্রকাশ করা হয় তা হলাে—

A) AU

B) FU

C) DU

D) MU

উঃ-C) DU

27. ওজোন এক প্রকার

A) বর্ণহীন পচা ডিমের গন্ধযুক্ত গ্যাস 

B সবুজাভ হলুদ বর্ণের গ্যাস 

C) লাল বর্ণের ঝাঁঝালাে গন্ধযুক্ত গ্যাস 

D) নীলাভ রঙের আঁশটে গন্ধযুক্ত গ্যাস

উঃ-D) নীলাভ রঙের আঁশটে গন্ধযুক্ত গ্যাস

28. সৌরকোশে ব্যবহৃত অর্ধপরিবাহী হলাে— 

A) জারমেনিয়াম 

B) সিলিকন 

C) অ্যালুমিনিয়াম 

D) গ্রাফাইট

উঃ-B) সিলিকন 

29. ক্ষুব্ধমন্ডলে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উন্নতা—

A) বৃদ্ধি পায় 

B) হ্রাস পায়

C) অনিয়মিত

D) অপরিবর্তিত থাকে

উঃ-B) হ্রাস পায়

30. সাধারণভাবে ওজোনস্তর গঠিত হয়— 

A) IR রশ্মির সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় 

B) UV রশ্মির সাথে জলীয় বাষ্পের বিক্রিয়ায় 

C) UV রশ্মির সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় 

D) UV রশ্মির সাথে নাইট্রাস অক্সাইডের বিক্রিয়ায় –

উঃ-C) UV রশ্মির সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়ায়

31. কোন স্তরটিকে শান্তমন্ডল বলা হয় ?

A) ট্রপােস্ফিয়ার 

B) স্ট্রাটোস্ফিয়ার 

C) মেসােস্ফিয়ার

D) থার্মোস্ফিয়ার ।

উঃ-B) স্ট্রাটোস্ফিয়ার 

32. ক্ষুদ্ধমন্ডল বলা হয় যে স্তরকে তা হলাে— 

A) ট্রপােস্ফিয়ার

B) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার 

C) মেসােস্ফিয়ার 

D) থার্মোস্ফিয়ার

উঃ-A) ট্রপােস্ফিয়ার

33. বায়ুমন্ডলের সর্বাধিক ঘনত্ববিশিষ্ট স্তরটি হলাে—

A) ট্রপােস্ফিয়ার

B) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার 

C) মেসসাস্ফিয়ার 

D) থার্মোস্ফিয়ার ।

উঃ-A) ট্রপােস্ফিয়ার

34. পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরে কত উচ্চতা পর্যন্ত থার্মোস্ফিয়ার বিস্তৃত?

A) 1200 km

B) 500 km 

C) 800 km 

D) 16 km

উঃ-B) 500 km 

35. মেরুজ্যোতি বায়ুমন্ডলের কোন্ স্তরে সৃষ্টি হয়? 

A) ওজোনােস্ফিয়ার 

B) আয়নােস্ফিয়ার 

C) ট্রলােপজ 

D) মেসােস্ফিয়ার

উঃ-B) আয়নােস্ফিয়ার 

36. বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে সক্রিয়স্তর হলাে

A) মেসােস্ফিয়ার 

B) থার্মোস্ফিয়ার 

C) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার 

D) ট্রপােস্ফিয়ার

উঃ-D) ট্রপােস্ফিয়ার

37. স্ট্রাটোপজের উষ্ণতা হলাে—

A) 0°C

B) 50°C 

C) -50°C 

D) 100°

উঃ-A) 0°C

38. ওজন হিসাবে বায়ুমন্ডলের কত ভাগ ট্রপােস্ফিয়ারের অন্তর্গত?

A) 25 ভাগ 

B) 50 ভাগ

C) 75 ভাগ 

D) 60 ভাগ

উঃ-C) 75 ভাগ 

39. বায়ুমন্ডলের শীতলতম অঞ্চল হলাে— 

A) ট্রলােপজ 

B) স্ট্রাটোপজ 

C) মেসােপজ 

D) থার্মোপজ

উঃ-C) মেসােপজ 

40.  বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় বায়ুমন্ডলের যে স্তর থেকে সেটি হলাে—

A) ওজোননাস্ফিয়ার 

B) ট্রপােস্ফিয়ার

C) মেসসাস্ফিয়ার 

D) আয়ানােস্ফিয়ার 

উঃ-D) আয়ানােস্ফিয়ার 

41. ট্রপােস্ফিয়ার স্তরের গড় উচ্চতা ভূপৃষ্ঠ থেকে 

A) 5 km 

B) 10 km

C) 25 km 

D) 20 km

উঃ-B) 10 km

42. ওজোন গ্যাসের স্তর দেখা যায়-

A) ট্রপােস্ফিয়ারে 

B) স্ট্রাটোস্ফিয়ারে 

C) মেসােস্ফিয়ারে 

D) থার্মোস্ফিয়ারে

উঃ-B) স্ট্রাটোস্ফিয়ারে 

43. বায়ুমন্ডলের কোন স্তর দিয়ে জেট বিমান চলাচল করে?

A) মেসােস্ফিয়ার 

B) থার্মোস্ফিয়ার 

C) ট্রপােস্ফিয়ার

D) স্ট্রাটোস্ফিয়ার।

উঃ-D) স্ট্রাটোস্ফিয়ার।

44. কোন্ স্তরে থেকে বেশির ভাগ কৃত্রিম উপগ্রহগুলি পৃথিবীকে আবর্তন করে?

A) ট্রপােস্ফিয়ার 

B) মেসােস্ফিয়ার 

C) এক্সোস্ফিয়ার 

D) থার্মোস্ফিয়ার

উঃ-C) এক্সোস্ফিয়ার 

45. বাতাসে কোন্ গ্যাসটির পরিমাণ তৃতীয় সর্বোচ্চ? 

A) CO2 

B) জলীয় বাষ্প

C) আর্গন 

D) ওজোন

উঃ-C) আর্গন 

46. নীচের কোনটি ওজোন স্তরকে ক্ষয় করে না?

A) NO 

B) N2O

C) CO2

D) CFC

উঃ-C) CO2

47. কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়? 

A) মিথেন

B) গ্যাসােলিন

C) তরল হাইড্রোজেন 

D) কেরােসিন

উঃ-C) তরল হাইড্রোজেন 

48. কোন জ্বালানির তাপনমূল্য সর্বাধিক? 

A) কাঠ

B) কেরােসিন

C) LPG 

D) কয়লা

উঃ-C) LPG 

49. সূর্যালােকের কোন্ রশ্মির জন্যে সােলার কুকার কাজ করে?

A) Y রশ্মি

B) অবলােহিত রশ্মি।

C)  অতিবেগুনি রশ্মি

D) ‘A’ও B উভয়েই

উঃ-B) অবলােহিত রশ্মি।

50. প্রতি কিলােমিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে ট্রপােস্ফিয়ারের উন্নতা কমে—

A) 5.6°C 

B) 6.5°C

C) 3.5°C 

D) 4.6°C

উঃ-B) 6.5°C

51. বায়ুমণ্ডলের এক্সোস্ফিয়ারের উচ্চতা হলাে—

A) 500-700 km 

B) 700-000 km 

C) 500-1500 km

D) 50-80 km

উঃ-C) 500-1500 km

52. একটি অপ্রচলিত শক্তির উৎস হলাে—

A) কয়লা 

B) খনিজ

C) প্রাকৃতিক গ্যাস 

D) সৌরশক্তি।

উঃ-D) সৌরশক্তি।

53. জ্বালানির সঙ্গে অক্সিজেনের বিক্রিয়াটি হলাে— 

A) বিয়ােজন বিক্রিয়া 

B) প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া 

C) দহন বিক্রিয়া 

D) সংযােজন বিক্রিয়া

উঃ-C) দহন বিক্রিয়া 

54. সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়— 

A) সমুদ্রে 

B) মাটিতে উদ্ভিদদেহে 

C) উদ্ভিদদেহে

D) প্রাণীদেহে

উঃ-C) উদ্ভিদদেহে

55. কোনটি বায়ােমাস শক্তির উৎস নয়?

A) কাঠ 

B) চারকোল

C) গােবর

D) পারমাণবিক বিভাজন

উঃ-D) পারমাণবিক বিভাজন

56. প্রদত্তগুলির কোনটি প্রাথমিক দূষক? 

A) NO 

B) NO2

C) CO2

D) সবকটিই

উঃ-D) সবকটিই

57. LPG এর মুখ্য উপাদান কোনটি? 

A) মিথেন

B) ইথেন 

C)প্রোপেন 

D) বিউটেন

উঃ-D) বিউটেন

58. বায়ুর ন্যূনতম গতিবেগ কত হলে বায়ুকলের সাহায্যে তড়িৎশক্তি উৎপাদন করা যায়? 

A) 15 km/hr 

B) 25 km/hr 

C) 35 km/hr 

D) 45 km/hr

উঃ-A) 15 km/hr 

59. কোন শক্তিটি প্রত্যক্ষভাবে বা পরােক্ষভাবে সৌরশক্তি থেকে আসে না? 

A) বায়ুশক্তি

B) ভূতাপশক্তি

C) বায়ােমাস 

D) জীবাশ্ম জ্বালানি

উঃ-B) ভূতাপশক্তি

60. নীচের কোনটির ক্যালরিফিক-এর মান সর্বোচ্চ? 

A) H2

B) CH4

C) LPG

D) বায়ােগ্যাস

উঃ-A) H2

61. সুস্থায়ী উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হলাে— 

A) প্রাকৃতিক সম্পদকে নিঃশেষ করে উন্নয়ন করা 

B) প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতিপূরণ করে উন্নয়ন করা 

C) প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার না করে উন্নয়ন করা 

D) কোনােটিই নয়

উঃ-B) প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতিপূরণ করে উন্নয়ন করা 

62. কোনটি সুস্থায়ী উন্নয়নের অঙ্গ নয়

A) জনসংখ্যার স্থিত অবস্থা 

B) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ 

C) অরণ্য নিধন। 

D) পরিবেশ সংরক্ষণ

উঃ-C) অরণ্য নিধন। 

63. নীচের কোন জ্বালানিটি বেশি পরিবেশ বান্ধব? 

A) ডিজেল 

B) কয়লা

C) চারকোল 

D) কাঠ

উঃ-C) চারকোল 

64. বায়ােগ্যাসের প্রধান উপাদান হলাে— 

A) বিউটেন 

B) মিথেন

C) ইথেন 

D) অক্সিজেন

উঃ-B) মিথেন

65. মিথেন হাইড্রেটের সংকেত হলাে—

A) CH4 , 4H2O

B) 4CH4 , 3H2O

C) 4CH3 , 21H2O

D) 4CH4  ,  23H2O

উঃ-D) 4CH4  ,  23H2O

66. কয়লা খনিতে জমে থাকা কোন গ্যাসটিকে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায়?

A) ওজোন 

B) মিথেন

C) ইথেন 

D) নাইট্রোজেন

উঃ-B) মিথেন

67. বায়ুশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়— 

A) উইন্ডমিল 

B) পাম্প

C) জেনারেটর 

D)  ইঞ্জিন

উঃ-A) উইন্ডমিল 

68. জ্বালানির তপনমূল্যের SI একক হলাে— 

A) KJ/g 

B) Cal

C) K Cal/g

D) Kj/Kg

উঃ-D) Kj/Kg

69. জোয়ার-ভাটার শক্তির সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে

A) সঞ্চিত জলের গতিশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় 

B) জলের গতিশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

C) জল থেকে বিদ্যুৎ নিষ্কাশন করা হয়

D) বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার জন্য জলকে বাষ্পে পরিণত করা হয়।

উঃ-B) জলের গতিশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

70. ভারতবর্ষে সবচেয়ে বড় বায়ুশক্তি খামার স্থাপিত হয়েছে কোথায়? 

A) তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী 

B) গুজরাটের সুরাট

C) উত্তরাঞ্চলের হরিদ্বার 

D) পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ 

উঃ-A) তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী 

71. বায়ুশক্তি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কোন্ দেশে? 

A) জার্মানি 

B) ভারতবর্ষ

C) USA 

D) ডেনমার্ক

উঃ-A) জার্মানি 

72. জীবাশ্ম জ্বালানি সংরক্ষণ করা প্রয়ােজন কারণ—

A) এগুলি খুব দামী 

B) এইগুলি সহজ লভ্য নয় 

C) এগুলি অনবীকরণযােগ্য নয় 

D) কোনােটিই নয়

উঃ-D) কোনােটিই নয়

73. জল থেকে খুব সহজে প্রচুর পরিমাণ H, পাওয়া যায়। এর তাপনমূল্য সবচেয়ে বেশি এবং পরিবেশ দূষণ সবচেয়ে কম। তথাপি একে গৃহস্থালির জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। কারণ— 

A) এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল 

B) এটি অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত 

C) বায়ুর সাথে এটি বিস্ফোরণসহ বিক্রিয়া করে 

D) এটি গ্যাস বলে একে ব্যবহার করা খুব অসুবিধা জনক।

উঃ-C) বায়ুর সাথে এটি বিস্ফোরণসহ বিক্রিয়া করে 

74. ফায়ারি আইস (Fiery ice) হলাে— 

A) CO2

B) মিথেন 

C) মিথানল 

D) মিথেন হাইড্রেট 

উঃ-D) মিথেন হাইড্রেট 

75. সর্বপ্রথম মিথেন হাইড্রেট থেকে শক্তি আহরণে সক্ষম দেশ হলাে— 

A) ভারত

B) আমেরিকা

C) জার্মান

D) জাপান 

উঃ-B) আমেরিকা

76. পানীয় জলে যে পরিমাণ লেড এর উপস্থিতিতে বিষক্রিয়া ঘটায় সেটি হলাে—

A 50 ppm 

B) 1 ppm 

C) <0.5 ppm

D) > 0.5 ppm

উঃ-D) > 0.5 ppm

77) উষ্ণ প্রস্রবণ অঞ্চলে যে শক্তির মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন করা হয় তাকে বলা হয়-

A) ভূতাপ শক্তি

B) বায়ু শক্তি

C) পারমাণবিক শক্তি 

D) বায়ােমাসশক্তি

উঃ-A) ভূতাপ শক্তি

78. গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ক্ষেত্রে নীচের কোনটি ঘটবে না? 

A) ঋতুচক্রের পরিবর্তন

B) মহাসাগরীয় স্রোতের পরিবর্তন

C) মেরু বরফের গলন

D) দিনরাত্রির দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন

উঃ-D) দিনরাত্রির দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন

79. মিথানােজেনিক ব্যাকটিরিয়ার উদাহরণ হলাে— 

A) মিথাননা কুক্কাস 

B) মিথানাে ব্যাকটেরিয়াম 

C) (A) ও (B) উভয়েই 

D) কোনােটিই নয়

উঃ-C) (A) ও (B) উভয়েই 

80) ODS-এর পুরাে নাম হলাে

A) Orphan Development Scheme 

B) Ozone detecting substance Ozone depleting substance 

C) Qzone depleting Substance

D) কোনােটিই নয়।

উঃ-C) Qzone depleting Substance

81. থার্মোস্ফিয়ারে নীচে কোন গ্যাস বা গ্যাসগুলি পাওয়া যায়?

A) হিলিয়াম

B) নাইট্রোজেন

C) আর্গন

D) নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন

উঃ-

82. ম্যাগনেটোস্ফিয়ার সম্পর্কে নীচের কোন তথ্যটি ঠিক?

A) এর বিস্তৃতি 1500-10,000 কি.মি. পর্যন্ত 

B) এই স্তরটি প্রায় বায়ুশূন্য

C) এই স্তরে স্থায়ী তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের অস্তিত্ব আছে 

D) (A) (B) ও (C) সবকটিই ঠিক

উঃ-D) নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন

83. নীচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়?

A) মিথেন 

B) জলীয় বাষ্প

C) কার্বন ডাইঅক্সাইড 

D) অক্সিজেন

উঃ-D) অক্সিজেন

84. কোনটি অচিরাচরিত শক্তির উৎস? 

A) সৌরকোশ 

B) বায়ুশক্তি

C) বায়ােমাস শক্তি 

D) ‘A’ও ‘B’ উভয়েই।

উঃ-D) ‘A’ও ‘B’ উভয়েই।

85. 40 কিলােমিটার উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের চাপ হবে—

A) 10-4 বায়ুমণ্ডল চাপ। 

B) 10-3   বায়ুমণ্ডল চাপ

C) 10-2 বায়ুমণ্ডল চাপ 

D)  5 x 10-3 বায়ুমণ্ডল চাপ

উঃ-B) 10-3   বায়ুমণ্ডল চাপ

86. 60 কিমি উচ্চতায় (মেসসাস্ফিয়ারে) বায়ুমণ্ডলের চাপ হলাে—

A) 10-4  বায়ুমণ্ডল চাপ 

B) 10-3  বায়ুমণ্ডল চাপ

C) 5 x 10-4 বায়ুমণ্ডল চাপ 

D) 3 x 10-4 বায়ুমণ্ডল চাপ

উঃ-A) 10-4  বায়ুমণ্ডল চাপ 

87. ওজোনস্তর পাতলা হয়ে গেলে তার প্রভাবে

A) পৃথিবীতে UV রশ্মি প্রবেশ করবে ও জীবজগত ক্ষতিগ্রস্থ হবে 

B) পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে

C) এর কোনােটিই হয় না।

D (A) ও (B) উভয়ই ঘটে

উঃ-D (A) ও (B) উভয়ই ঘটে

88. উৎকৃষ্ট জ্বালানির জ্বলন বিন্দু

A) কম হওয়া উচিত

B) মাঝামাঝি মানের হওয়া উচিত 

C) বেশি হওয়া উচিত

D) জ্বালানির উৎকৃষ্টতা জ্বলন বিন্দুর ওপর নির্ভরশীল নয়।

উঃ-B) মাঝামাঝি মানের হওয়া উচিত 

89. ভারতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জীবাশ্ম জ্বালানি হলাে

A) কাঠ

B) পেট্রোল 

C) বায়ােগ্যাস 

D) কয়লা 

উঃ-D) কয়লা 

90. UV রশ্মিকে সম্পূর্ণরূপে আটকাতে গেলে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে ওজোনস্তরে যে সর্বনিম্ন ওজোন ঘনত্ব প্রয়ােজন তার মান হলাে—

A) 100 DU 

B) 200 DU

C) >200 DU 

D) 10,000 DU

উঃ-B) 200 DU

91. নীচের কোন জ্বালানিটি পরিবেশ দূষণের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী?

A) বায়ােমাস শক্তি

B) সৌরশক্তি 

C) জীবাশ্ম জ্বালানি 

D) বায়ুশক্তি

উঃ-C) জীবাশ্ম জ্বালানি 

92. 80 কিমি উচ্চতায় (মেসােপজে) বায়ুমণ্ডলের চাপ হলাে— 

A) 10-4 বায়ুমণ্ডল চাপ 

B) 0.5 x 10-4 বায়ুমণ্ডল চাপ 

C) 10-5 বায়ুমণ্ডল চাপ 

D) কোনােটিই নয়

উঃ-C) 10-5 বায়ুমণ্ডল চাপ 

93. 100 কিমি উচ্চতায় (থার্মোস্ফিয়ারে) বায়ুমণ্ডলের চাপ হলাে—

A) 10-5 বায়ুমণ্ডল চাপ 

B) 10-6 বায়ুমণ্ডল চাপ। 

C) 10-7 বায়ুমণ্ডল চাপ 

D) 10-8বায়ুমণ্ডল চাপ

উঃ-B) 10-6 বায়ুমণ্ডল চাপ। 

94. 20 কিলােমিটার উচ্চতায় ট্রপােপজে বায়ু- মণ্ডলের চাপের মান হলাে

A) 0.5 বায়ুমণ্ডল চাপ

B) 0.2 বায়ুমণ্ডল চাপ 

C) 0.1 বায়ুমণ্ডল চাপ।

(D) 0.05 বায়ুমণ্ডল চাপ

উঃ-C) 0.1 বায়ুমণ্ডল চাপ।

95. ভূপৃষ্ঠ থেকে 250 কিমি. উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের চাপ হলাে—

A)10-8 বায়ুমণ্ডল চাপ 

B) 10-7 বায়ুমণ্ডল চাপ 

C) 10-9 বায়ুমণ্ডল চাপ। 

D 10-10 বায়ুমণ্ডল চাপ 

উঃ-C) 10-9 বায়ুমণ্ডল চাপ। 

96. ভূপৃষ্ঠ থেকে 350 কিমি উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের চাপ হলাে—

A) 10-10 বায়ুমণ্ডল চাপ

B) 3×10-10 বায়ুমণ্ডল চাপ

C) 10-11 বায়ুমণ্ডল চাপ 

D) 5 x10-10 বায়ুমণ্ডল চাপ 

উঃ-A) 10-10 বায়ুমণ্ডল চাপ

97. নীচের কোন্ জ্বালানির তাপনমূল্য সবচেয়ে কম? 

A) কয়লা 

B) জ্বালানি কাঠ

C) প্রাকৃতিক গ্যাস 

D) কেরােসিন

উঃ-B) জ্বালানি কাঠ

98.প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলাে। 

A) মিথেন 

B) হাইড্রোজেন

C) ইথেন 

D) বিউটেন

উঃ-A) মিথেন 

99. ভূপৃষ্ঠ থেকে 450 কিমি. উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের চাপ হলাে

A) 10-10 বায়ুমণ্ডল চাপ 

B) 10-11 বায়ুমণ্ডল চাপ 

C) 10-12 বায়ুমণ্ডল চাপ 

D) 10-9 বায়ুমণ্ডল চাপ

উঃ-B) 10-11 বায়ুমণ্ডল চাপ 

100. ভূপৃষ্ঠ থেকে 1000 কিমি. উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের চাপ হলাে—

A) 10-10 atm

B) 10-11  atm

C) 10 –12 atm

D) 10-13 atm

উঃ-C) 10 –12 atm

101. 1987 সালে 16 সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে এক পৃথিবীব্যাপী আলােচনা চক্র থেকে মন্ট্রিল প্রােটোকল নামে একটা নিয়মাবলি তৈরি হয়। এই দলিলটি তৈরি হয়েছিল—

A) বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণা দূষণ কমানাের জন্যে 

B) গ্রিন হাউস গ্যাস নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে 

C) পরিবেশবিদদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দানের জন্যে 

D) ওজোনস্তর নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষা করার জন্যে

উঃ-D) ওজোনস্তর নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষা করার জন্যে

102. পৃথিবীর গড় উন্নতা বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড়াে ভূমিকা CO2 গ্যাস এর এবং দ্বিতীয় স্থানে যে গ্যাসটি আছে তার নাম হলাে—

A) মিথেন

B) নাইট্রাস অক্সাইড 

C) জলীয় বাষ্প 

D) ক্লোরােফ্লুরােকার্বন

উঃ-A) মিথেন

103. ম্যাগনেটোস্ফিয়ার এর স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে

A) 1500-10,000 km পর্যন্ত বিস্তৃত 

B) 1500-2500 km পর্যন্ত বিস্তৃত 

C) 1000-2500 km পর্যন্ত বিস্তৃত

D) 2000-8000 km পর্যন্ত বিস্তৃত 

উঃ-A) 1500-10,000 km পর্যন্ত বিস্তৃত 

104. ওজোনস্তর ধ্বংসকারী পদার্থগুলি হলাে— 

A) CFC 

B) NO

C) NO2

D) সকলেই

উঃ-D) সকলেই

105. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সূর্য থেকে আগত X-রশ্মি শােষিত হয়

A) স্ট্রাটোস্ফিয়ারে 

B) মেসােস্ফিয়ার

C) আয়ানােস্ফিয়ার

D এক্সোস্ফিয়ার

উঃ-C) আয়ানােস্ফিয়ার

শূন্যস্থান পূরণ করো: (Marks-1) | পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর| মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন ২০২২

1.মেরুজ্যোতি বায়ুমন্ডলের যে স্তরে দেখা যায় তা হলাে আয়ানােস্ফিয়ার

2.ট্রপােস্ফিয়ার কথাটি প্রথম যে বিজ্ঞানী ব্যবহার করেছিলেন তার নাম হলাে Teisserenc de Bort

3.ফ্রেয়নের রাসায়নিক নাম হলাে ক্লোরাে ফুরাে কার্বন 

4.বায়ুমন্ডলের সমস্ত জলীয়বাষ্প ধূলিকণা ও কার্বন ডাই অক্সাইড      টপােস্ফিয়ার               স্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে। 

5.উল্কাপিন্ড        মেসােস্ফিয়ার                 স্তরে প্রবেশ করে বায়ুর সঙ্গে সংঘর্ষর ফলে জ্বলে পুড়ে যায়।

6.কৃত্রিম উপগ্রহগুলি যে স্তরে থেকে পৃথিবীকে আবর্তন করে তা হলাে এক্সোস্ফিয়ার

7.বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে ওজোনের ঘনত্ব সর্বাধিক তা হলাে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার

8.উচ্চতা বাড়ার সাথে স্ট্রাটোস্ফিয়ার-এ বায়ু উষ্ণতা বাড়ে

9.ট্রলােপজের উষ্ণতা হলাে    -55°C      

10.বায়ুমণ্ডলের ওজোনের ঘনত্ব যে এককের সাহায্যে সর্পা হয় তার একক হলাে     ডবসন         

11.বায়ুমন্ডলের যে স্তরটিকে ঘনমন্ডল বলে তার নাম      ট্রপােস্ফিয়ার               

12.ক্লোরােফ্লুরাে কার্বনের ধংসের জন্যে দায়ী  পরমাণু ওজোন

13.যে বায়ুর প্রভাবে পালতােলা নৌকা যাত্রা করতে পারে তার নাম স্থলবায়ু 

14.গ্রিন হাউস গ্যাসগুলি ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত শোষণ করে IR রশ্মি 

15.স্থিতিশীল উন্নয়নের সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞাটি প্রথম প্রকাশিত হয়      ব্রান্টল্যান্ড কমিশনের     রিপাের্টে

16.স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু উৎপত্তির কারণ হলাে বায়ুর পরিচলন স্রোত

17.সূর্যের যে রশ্মিটি প্রাকৃতিগতভাবে ওজোন সৃষ্টির জন্যে দায়ী তার নাম হলাে অতিবেগুনি রশ্মি

18.ওজোন গ্যাসের বর্ণ ও গন্ধ যথাক্রমে       হালকা নীল       আঁশটে 

19.বায়ুমন্ডলের শীতলতম স্থানটি          মেসোস্ফিয়ার           স্তরে ই অবস্থান করে।

20.ট্রপােস্ফিয়ারে প্রতি কিমি উচ্চ বৃদ্ধিতে উষ্ণতা হ্রাসের মান 6.4°C

21.সূর্য রশ্মির  66% হলাে কার্যকরী সৌরবিকিরণ।

22.বায়ুমণ্ডলের যে স্তর থেকে বেতার তরঙ্গা প্রতিফলিত হয় সেটি হলাে আয়ানােস্ফিয়ার

23.ফ্রেয়ন হলাে CFC

24.ওজোন গহুর সর্বপ্রথম লক্ষ্য করেন জো ফোরম্যান           

25.ট্রপপাস্ফিয়ার কথাটির অর্থ হলাে মিশ্রিত অঞ্চল

26.অপেক্ষাকৃত কম শক্তিবিশিষ্ট অবলােহিত রশ্মির তরঙ্গ দৈৰ্ঘ্য অপেক্ষাকৃত      বেশি             

27.বর্জ্যপদার্থের বিয়ােজনে যে গ্যাস উৎপন্ন হয় ও দূষণ ঘটায় তা হলাে মিথেন গ্যাস

28.ওজোনস্তর বিনষ্টকারী যৌগগুলির মধ্যে যে যৌগের ওজোন বিনষ্টকারী ক্ষমতা সর্বাধিক সেটি হলাে হ্যালােন বা ক্লোরােফ্লুরাে কার্বন

29.ওজোন একটি গাসের রূপভেদ। ওই গাসাটির নাম হল  অক্সিজেন 

30.স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ক্রান্তীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে ওজোনস্তরের ঘনত্ব  হ্রাস পায় 

31.বায়ুমণ্ডলের যে স্তরকে পৃথিবীর ছাতা বলা হয় তা হলাে ওজন                

32জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে প্রকৃতিতে যে গ্যাস বৃদ্ধি পায় তা হলাে কার্বন ডাই অক্সাইড

33.স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে উষ্ণতা বৃদ্ধি  ঘটে। এর জন্যে যে গ্যাস দায়ী সেটি হলাে ওজোন গ্যাস

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর: (Mark- 1) | পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্নউত্তর | মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

1. বায়ুমণ্ডলের ওজোনের পরিমাণ মাপার জন্যে যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তার নাম কী?

উ:- বায়ুর ওজোন মাপার যন্ত্রটির নাম হলাে ডবসন স্পেকট্রোমিটার।

2. বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে গ্যাসের অণুগুলি আয়নিত অবস্থায় থাকে?

উ:- আয়নােস্ফিয়ারে গ্যাসের অণুগুলি আয়নিত অবস্থায় থাকে।

3. মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা কী?

থার্মোস্ফিয়ারে অবস্থিত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন অণুগুলি আয়নিত অবস্থায় থাকে। এই কণাগুলি ইলেকট্রন, প্রােটন ইত্যাদি আহিত কণার সংস্পর্শে এসে উজ্জ্বল আলাে বিকিরণ করে, একে মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা বলে। সাধারণত মেরু অঞ্চলেই একে দেখা যায়।

4. ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বায়ুর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়?

উ:- 1000 কিলােমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বায়ুর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।

5. বায়ুমন্ডলের কোন্ স্তরে মহাকাশের উল্কাপিন্ড পুড়ে ছাই হয়ে যায়?

উ:- মেসােস্ফিয়ারে উল্কাপিন্ড পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

6. সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি কোন্ স্তরে শোষিত হয়?

উ:- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তর দ্বারা অতিবেগুনি রশ্মি শােষিত হয়।

7. বায়ুমণ্ডলের কোন কোন স্তরের উষ্ণতা উচ্চতা বৃদ্ধিতে হ্রাস পায়?

উ:- ট্রপোস্ফিয়ার ও মেসােস্ফিয়ারের উষ্ণতা উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে হ্রাস পায়।

8. স্ট্রাটোপজ এর উষ্ণতা কত?

উ:- স্ট্রাটোপজের উষ্ণতা 0°C

9. থার্মোস্ফিয়ারের সর্বোচ্চ উষ্ণতা কত?

উ:- থার্মোস্ফিয়ারের সর্বোচ্চ উষ্ণতা 1200°C।

10. বায়ুমণ্ডলের মােট ওজোন গ্যাসের কত শতাংশ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থান করে?

উ:- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে উপস্থিত ওজোনের পরিমাণ বায়ুমন্ডলের মােট ওজোনের 90 শতাংশ (90%)।

11. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে মেঘ, ঝড় ও বৃষ্টি দেখা যায়? 

উ:- টুপপাস্ফিয়ারে মেঘ, ঝড় ও বৃষ্টি দেখা যায়।

12. অ্যালবেডাে কী ?

উ:- সূর্য থেকে আগত রশ্মির60% বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে এবং 40% সূর্যরশ্মি মহাশূন্যে ফিরে যায়। এই ফিরে যাওয়া 40% সূর্যরশ্মিকে অ্যালবেডাে বলে।

13. কার্যকরী সৌরবিকিরণ কী?

উ:- সূর্যরশ্মির যে 60% ভূপৃষ্ঠ এবং বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তাকে কার্যকরী সৌরবিকিরণ বলে।

14. উপকারী ওজোন কাকে বলে?

উ:- স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোনস্ফিয়ারে যে ওজোন গ্যাস থাকে তাকে উপকারী ওজোন বলে। কারণ এই ওজোন ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মিকে পৃথিবী পৃষ্ঠে আসতে বাধা দেয় এবং জীব ও উদ্ভিদকুলকে রক্ষা করে।

15. কোন্ স্তরে থেকে কৃত্রিম উপগ্রহগুলি পৃথিবীকে আবর্তন করে?

উ:- এক্সোস্ফিয়ারে থেকে উপগ্রহগুলি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।

16. অপকারী ওজোন কাকে বলে?

উ:- ট্রপােস্ফিয়ার অঞলে সামান্য পরিমাণ ওজোনের উপস্থিতি আছে। এই ওজোন গ্রিনহাউস প্রভাবের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। একে অপকারী ওজোন বলে।

17. প্রাকৃতিক সৌরপর্দা কী?

উ:- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজনস্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি শােষণ করে পৃথিবীকে রক্ষা করে তাই এই ওজোনস্তরকে সৌরপর্দা বলে।

18. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে NO গ্যাসের উপস্থিতি দেখা যায় কেন?

উ:- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের বায়ুস্তর দিয়ে জেট বিমানগুলি চলাচল করে বলে জেট বিমান থেকে প্রচুর পরিমাণ NO গ্যাস পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে ফলে স্ট্রাটোস্ফিয়ারে NO গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

19. স্ট্রাটোস্ফিয়ারে NO গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কী ঘটে?

উ:- NO গ্যাস স্ট্রাটোস্ফিয়ারে উপস্থিত ওজোনস্তরকে ধ্বংস করে ফলে ওজোন গ্যাসের স্তর পাতলা হয়ে যায়। এ কারণে এই ওজোনস্তর অতিবেগুনি রশ্মিকে পুরােপুরি মুক্ত করতে পারে না। ফলে জীব ও উদ্ভিদকুলের সংকট দেখা দেয়।

20. পৃথিবীর কোথায় ওজোনস্তরের ক্ষয় সর্বাধিক ঘটে? –

উ:- দক্ষিণ গােলার্ধের আন্টার্কটিকা মহাদেশের ওপর ওজোনস্তরের ক্ষয় সর্বাধিক লক্ষ্য করা গেছে।

21. ডবসন একক কী ? এর সংজ্ঞা দাও।

উ:- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত ওজোন গ্যাসের ঘনত্ব যে এককের সাহায্যে মাপা হয় তাকে ডবসন একক বলে। এক ডবসন বলতে এক বায়ুমণ্ডল চাপে STP তে 0.01 mm পুরু ওজোন গ্যাসের ঘনত্বকে বােঝায়। 

22. ওজোন গহ্বর কি ?

উ:- প্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট কারণে বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোনস্তর পাতলা হয়ে যাওয়াকে ওজোন গহুর বলে। ওজোন গহুর সৃষ্টি হলে অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবী পৃষ্ঠে চলে আসে।

23. গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর ফলে কোব্যাধির প্রকোপ বাড়ে? 

উ:- গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর ফলে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, এনকেফেলাইটিস্ প্রভৃতি রােগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পায়।

24. এক্সোস্ফিয়ার স্তরে যে গ্যাসগুলির প্রাধান্য দেখা যায় সেগুলির নাম কী ?

উ:- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম।

25. বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরের বেশিরভাগ ওজোন নষ্ট হওয়ার জন্য প্রধানত দায়ী কোন গ্যাস?

উ:- বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরের 60% ভাগ নাইট্রাস অক্সাইড গ্রাস দ্বারা বিনষ্ট হয়।

26. প্রকৃতিতে গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টিতে কোন্ গ্যাসের অবদান সবথেকে বেশি?

উ:- কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের অবদান সবচেয়ে বেশি। এটির অবদান প্রায় 50%।

27. গ্রিন হাউস কথাটির আক্ষরিক অর্থ কী?

উ:- শীতপ্রধান দেশগুলিতে সবুজ উদ্ভিদ চাষ করার জন্যে ব্যবহৃত স্বচ্ছ কাচের ঘরকে গ্রিন হাউস বলে।

28. বায়ুমন্ডলে মিথেন গ্যাস কিভাবে উৎপন্ন হয়?

উ:- প্রাকৃতিক গ্যাস, বর্জ্য পদার্থের জৈব বিয়ােজন, গবাদি পশুর মলমূত্র, জলাভূমি, ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়াকলাপ প্রভৃতি কারণে মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

29. গ্রিন হাউস গ্যাসগুলি কোন্ রশ্মি শােষণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপ আবদ্ধ করে?

উ:- পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের IR রশ্মি গ্রিন হাউস গ্যাসগুলি শােষণ করে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।

30. নীচের কোন যৌগটির উরুকরণ ক্ষমতা সর্বাধিক? 

<math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML" display="block" data-is-equatio="1" data-latex="CO_{2}"><mi>C</mi><msub><mi>O</mi><mrow data-mjx-texclass="ORD"><mn>2</mn></mrow></msub></math>

CH4

CFC 

N2O

POINT:- উপরােক্ত যৌগগুলির মধ্যে CFC -এর উম্নকরণ ক্ষমতা সর্বাধিক।

31. গ্রিন হাউস প্রভাব কমানোের সর্বাপেক্ষা উত্তম উপযােগী পদ্ধতি কী ?

উ:- জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে অপ্রচলিত শক্তির বহুল ব্যবহারে গ্রিন হাউস প্রভাব কমানাে যায়। এ ছাড়া ব্যাপক বনসৃজন করা অবশ্য জরুরি।

32. চারটি গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম লেখাে।

উ:- কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, ক্লোরােফ্লুরাে কার্বন, নাইট্রাস অক্সাইড।

33. জলবিদ্যুৎ কি প্রচলিত শক্তি না অপ্রচলিত শক্তি? 

উ:- জলবিদ্যুৎ একটি প্রচলিত শক্তি কারণ বহু পূর্ব থেকেই এই শক্তির ব্যবহারে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার রীতি আছে।

34. এমন একটি প্রচলিত শক্তির উদাহরণ দাও যার ফলে বায়ুমণ্ডলের কোনাে দূষণ ঘটে না।

উ:- জলবিদ্যুৎ একটি প্রচলিত শক্তি হলেও এর ফলে বায়ুমণ্ডলের কোনাে দূষণ ঘটে না।

35. দুটি অচিরাচরিত এবং পুনর্নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎসের উদাহরণ দাও।

উ:- সৌরশক্তি ও সমুদ্রশক্তি কারণ এর কোনাে শেষ নেই।

46. দুটি অচিরাচরিত কিন্তু অপুনর্নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎসের নাম লেখাে।

উ:- পারমাণবিক শক্তি ও ভূতাপ শক্তি। কারণ এটিও বহুল ব্যবহার করলে এর পরিমাণ কমে যাবে।

46. কোন জ্বালানির তাপন মূল্য সর্বাধিক

উ:- হাইড্রোজেন গ্যাসের তাপনমূল্য সর্বাধিক। কারণ এর তাপন মূল্য 150 KJ/g.

48. সর্বাধিক ব্যবহৃত দুটি জ্বালানির নাম লেখাে। 

উ:- কয়লা ও খনিজ তেল।

49. ক্যালরিফিক মান বা তাপনমূল্যের একক কী?

উ:- FPS পদ্ধতিতে তাপনমূল্যের একক ব্রিটিশ থার্মাল একক/পাউন্ড। CGS পদ্ধতিতে এই একক হলাে কিলাে জুল/গ্রাম ও SI পদ্ধতিতে এই একক হলাে কিলাে জুল/কেজি।

50. কেরােসিনের তাপনমূল্য 45 কিলাে জুল/গ্রাম বলতে কী বােঝ?

উ:- এর অর্থ হলাে 1 গ্রাম কেরােসিন এর সম্পূর্ণ দহনে 45 কিলো জুল তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়।                     

51. বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তরটি কোথায় অবস্থিত? এর উষ্ণতা কত?

উ:- বায়ুমণ্ডলের শীতলতম স্তরটির নাম মেসােস্ফিয়ার, এই স্তরের সর্বনিম্ন উষ্ণতা –95°C।

52. জ্বলন বিন্দু বা ignition point বলতে কী বােঝ?

উ:- সর্বনিম্ন যে তাপমাত্রায় কোনাে জ্বালানি বায়ুর। উপস্থিতিতে জ্বলতে শুরু করে সেই তাপমাত্রাকে জ্বলন বিন্দু বলে।

53. একটি জ্বালানির অলন বিন্দু (Ignition polit) 70°C বলতে কী বােঝ?

উ:- এর অর্থ 70°C উষ্ণতার কম তাপমাত্রায় জ্বালানিটির দহন সম্ভব নয়। কিন্তু 70°C বা তার উপরে যে কোনাে উষ্ণতায় বায়ুর উপস্থিতিতে এটির দহন শুরু হয়।

54. দহন বিক্রিয়া তাপমোচী না তাপশােগী ? 

উ:- দহন বিক্রিয়া মাত্রেই তাপমোচী।

55. কয়লা-ডিজেল প্রভৃতি জ্বালানিকে অপুনর্নবীকরণযােগ্য (Non reneweable) শক্তি উৎস বলে কে?

উ:- কারণ এদের শক্তি উৎস হিসাবে একবার ব্যবহার করলে আর দ্বিতীয় বার ব্যবহার করা যায় না।

56. বর্তমানে পেট্রোল ও ডিজেলের পরিবর্তে গাড়িতে অপর যে জ্বালানি ব্যবহার করা হয় তার নাম কী?

উ:- বর্তমানে পেট্রোল ও ডিজেলের পরিবর্তে গাড়িতে CNG ব্যবহার করা হয়।

57. CNG এর পুরাে কথাটি কী?

উ:- CNG এর পুরাে কথা হলাে কমপ্রেস ন্যাচারাল গ্যাস Compressed Natural Gas.

58. নিউক্লিও শক্তি কি চিরাচরিত শক্তির উৎস? এটি কী পুনর্নবীকরণযােগ্য?

উ:- নিউক্লিও শক্তি একটি অচিরাচরিত শক্তি উৎস কিন্তু এটি পুনর্নবীকরণযােগ্য জ্বালানি নয়।

59. কোন উপাদান যৌগটি প্রাকৃতিক গ্যাস ও বায়ােগ্যাস উভয়তেই বর্তমান?

উ:- মিথেন গ্যাস।

60. কোন যন্ত্রের সাহায্যে সৌরশক্তিকে সরাসরি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়?

উ:- সৌরকোশ সমন্বিত সােলার প্যানেল এর সাহায্যে সৌরশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর করা যায়।

61. কাঠের নিয়ন্ত্রিত দহনে যা উৎপন্ন হয় তার নাম কী ? 

উ:- কাঠকয়লা।

62. বায়ােগ্যাস কাকে বলে?

উ:- বায়ােমাসকে অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে বিয়ােজিত করে যে গ্যাস উৎপন্ন করা হয় তাকে বায়ােগ্যাস বলে। এর মূল উপাদান মিথেন গ্যাস (প্রায় 70%)। “

63. সৌরকোশ যে সব যন্ত্রে ব্যবহার করা হয় সেরুপ তিনটি যন্ত্রের নাম লেখাে।

উ:- ঘড়ি, ক্যালকুলেটার, ট্রাফিক সিগন্যাল ইত্যাদি যন্ত্রে সৌরকোশ ব্যবহার করা হয়।

64. জোয়ার-ভাটা শক্তি কী?

উ:- সমুদ্রে জোয়ার-ভাটার সময় বিপুল জলরাশির যে গতি সৃষ্টি হয় তা থেকে শক্তি উৎপাদন করা যায় একে জোয়ার-ভাটা শক্তি বলে।

65 সূর্য সমস্ত শক্তির উৎস। কিন্তু এমন একটি শক্তির উৎস আছে যা প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষ কোনােভাবেই সূর্য থেকে আসে না তার নাম কী ?

উ:- ভূতাপ শক্তি সূর্যের শক্তির উৎস নয়

66. বায়ােমাস কী ?

উ:- উদ্ভিদের মৃত অংশ ও প্রাণীর বর্জ্য পদার্থ (যেমন, গােবর) বায়োমাস বলে।

67.বায়ােমাস কী অপুনর্নবীকরণ শক্তির উৎস? –

উ:- না বায়ােমাস পুনর্নবীকরণ শক্তির উৎস।

68. বায়ুশক্তি প্রকৃতপক্ষে কী ধরনের শক্তি? 

উ:- বায়ুশক্তি প্রকৃতপক্ষে বায়ুর গতিশক্তি।

69. একটি সৌরকোশে উৎপন্ন বিভব পার্থক্যের মান কত? –

উ:- একটি সৌরকোশের বিভব পার্থক্যের মান 0.5V।

70. বর্তমানে ভারতে বায়ুশক্তি থেকে উৎপন্ন মােট তড়িৎ ক্ষমতার পরিমাণ কত? 

উ:- প্রায় 1050 মেগাওয়াট।

71. বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তােলার অসুবিধা কী ?

উ:- কার্যকরী পরিমাণ বায়ুবিদ্যুৎ পেতে হলে প্রায় 20 টি টারবাইন সমন্বয়ে গঠিত উইন্ড এনার্জি ফার্ম ব্যবহার করা প্রয়ােজন। এর ফলে শব্দদূষণ ঘটে। এ ছাড়া বায়ুপ্রবাহ সব সময় সমান থাকে না তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জন্যে এটি নির্ভরযােগ্য নয়।

72. সৌর উত্তাপক যন্ত্রগুলির ভেতরের দিকটি কালাে রঙ করা হয় কেন?

উ:- কারণ কালাে পৃষ্ঠতল সৌরবিকিরণ থেকে অধিক তাপ শােষণ করে।

73. ODS এর পুরাে নাম কী ? 

উ:- ODS এর পুরাে কথাটি হলাে Ozone Depleting Susbstance অর্থাৎ ওজোন বিনষ্টকারী পদার্থসমূহ।

74. পাওয়ার অ্যালকোহল কাকে বলে?

উ:- 4 ভাগ পেট্রোল ও 1 ভাগ ইথাইল অ্যালকোহল এর মিশ্রণকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। এটি মােটর গাড়ীর জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

75. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর উষ্ণতা ও জলচক্রনিয়ন্ত্রণ করে? –

উ:- ট্রপােস্ফিয়ার উষ্ণতা ও জলচক্র নিয়ন্ত্রণ করে।

76. এমন একটা যন্ত্রের নাম করাে যেখানে নিয়ন্ত্রিত -নিউক্লিও বিভাজন ঘটিয়ে বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন করা হয়। 

উ:- অ্যাটোমিক রিয়াক্টার এ বা-Atomic reacter এ।

77. বায়ােগ্যাসের দুটি ব্যবহার উল্লেখ করাে।

উ:- জ্বালানি হিসাবে ও বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন করতে একে ব্যবহার করা হয়।

78. নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরেয় নিউক্লিও শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?

উ:- তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

79. সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রসমূহের শক্তির উৎস কী ?

উ:- নিউক্লিওফিউশানের মাধ্যমে সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র শক্তি উৎপন্ন করে।

80. কয়লাখনি থেকে প্রাপ্ত মিথেন গ্যাসের নাম Sweet gas’ কে? 

উ:- কয়লাখনি থেকে প্রাপ্ত মিথেন গ্যাসে অশুদ্ধি রুপে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস মিশে থাকে না বলে একে Sweet Gas’ বলে।

81. ফায়ারি আইস কী ?

উ:- বরফ অণুর খাঁচা সদৃশ গঠনের মধ্যে মিথেন গ্যাস আবদ্ধ থেকে মিথেন হাইড্রেট উৎপন্ন করে। এটি আগুনের, সংস্পর্শে আসামাত্রই জ্বলে ওঠে তাই একে ফায়ারি আইস বলে।

82. পারমাণবিক বােমা ফাটাতে কোন্ বিক্রিয়া ঘটানাে হয়?

উ:- নিউক্লিয় বিভাজন ঘটিয়ে পারমাণবিক বােমা ফাটানাে হয়। 

83. পারমাণবিক বােমা ও হাইড্রোজেন বােমার মধ্যে কোনটি বেশি শক্তিশালী ? =

উ:- হাইড্রোজনে বােমা অধিক শক্তিশালী।

84. কয়লা বা পেট্রোলিয়ামকে অনবীকরণযােগ্য শক্তি উৎস বলে কেন?

উ:- কারণ প্রকৃতিতে কয়লা ও পেট্রোলিয়ামের মজুত নির্দিষ্ট। একে খরচ করলে এক সময় এটা ফুরিয়ে যাবে। তাই একুে অনবীকরণযােগ্য শক্তি উৎস বলে।

85.বায়ােগ্যাসপ্লান্টে যে সব ব্যাকটেরিয়া বায়ােমাসকে মিথেন গ্যাসে বিয়ােজিত করে তাদেরকে কী বলা হয়। 

উ:- বায়ােগ্যাস প্লান্টে যে সব ব্যাকটেরিয়া বায়ােমাসকে মিথেন গ্যাসে বিয়ােজিত করে তাদেরকে মিথানােজেনিক ব্যাকটেরিয়া বলে।

86. গােবরগ্যাস বা বায়ােগ্যাসের উপাদানগুলি কী কী?

উ:- বায়ােগ্যাস বা গােবর গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন (73%) এ ছাড়া কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), হাইড্রোজেন (H2), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) প্রভৃতি গ্যাসও এর সঙ্গে মিশে থাকে।

87. একটি ODS এর নাম লেখাে।

উ:- ODS কথাটির অর্থ ওজোন বিনষ্টকারী পদার্থ। এরূপ এটিপদার্থ হলাে CFC বা ক্লোরােফ্লুরাে কার্বন।

88. গ্রিন হাউস গ্যাস নয় এমন দুটি গ্যাসের নাম লেখাে। 

উ:- নাইট্রোজেন (N2) ও অক্সিজেন (O2) গ্রিন হাউস গ্যাস নয়।

89. রাত্রে সৌরশক্তি ব্যবহারে কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে?

উ:- রাত্রে সূর্যালােক থাকে না বলে রাত্রে সৌরকোশগুলি কোনাে কাজ করে না। কিন্তু দিনের বেলায় সৌরকোশগুলি যে তড়িৎশক্তি উৎপন্ন করে সেটিকে যদি সঞ্জয়ক কোশে উপযুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যায়। রাত্রে সেই কোশ নিজে তড়িৎ-এর উৎস হিসাবে ব্যবহার হতে পারে।

90. বায়ােগাস প্লান্টে তরল পদার্থ হিসাবে কী ব্যবহার করা হয়?

উ:- বায়ােগ্যাস প্লান্টে তরল পদার্থ হিসাবে জল ব্যবহার করা হয়। কারণ জলের উপস্থিতিতে এবং অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে অবায়ুজীবী বা । মেথনােজেনিক ব্যাকটেরিয়া বায়াে বর্জ্যপদার্থের বিয়ােজন ঘটিয়ে মিথেন উৎপন্ন করতে সক্ষম।

91. ক্যারম্যান রেখা কাকে বলে?

উ:- ভূপৃষ্ঠ থেকে 100 কিমি উচ্চতায় মহাকাশ ও বায়ুমন্ডলের কাল্পনিক সীমানাকে ক্যারম্যান রেখা বলে।

92. বায়ুমন্ডলের ওজোনের স্বাভাবিক গড় ঘনত্ব কত? 

উ:- বায়ুমন্ডলের ওজোনের গড় ঘনত্ব 300 DU।

93. মেরু অঞলে ট্রপােস্ফিয়ার এর ব্যাপ্তি কত?

উ:- মেরু অঞ্চলে 5-6 কিলােমিটার উচ্চতা পর্যন্ত ট্রপােস্ফিয়ার বিস্তৃত।

94. সােলার ফার্নেসে কী ধরনের দর্পণ ব্যবহার করা হয়? 

উ:- সােলার ফার্নেসে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।

95. ট্রপোস্ফিয়ার কে ক্ষুদ্ধমন্ডল বলে কেন?  

উ:- ট্রপােস্ফিয়ারে ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রপাত, মেঘ, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি ঘটনা অহরহ ঘটে বলে এই স্তরকে ক্ষুব্বমন্ডল বলে।

96. উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে ট্রপােস্ফিয়ারে উষ্ণতা হ্রাসের হার কিরূপ?

উ:- ট্রপােস্ফিয়ারে প্রতি কিমি. উচ্চতা বৃদ্ধিতে উষ্ণতার হ্রাস হয় 6.4°C )

97. বায়ুমণ্ডলের উন্নতম ? এর উষ্ণতা কত?

উ:- বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতম স্তরটির নাম থার্মোস্ফিয়ার। এই স্তরের সর্বোচ্চ উষ্ণতা হলাে 1240°C।

98. বায়ুমন্ডলের সর্বোচ্চ স্তরটির নাম কী ? 

উ:- বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ স্তরটির নাম এক্সোস্ফিয়ার।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর: (Marks-2)| পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন ২০২২ (h3)

বায়ুমন্ডলের হােমমাস্ফিয়ার বা সমমন্ডল হেটারােস্ফিয়ার বা অসমন্ডল বলতে কী বােঝ?

উ:- বায়ুমন্ডলের নীচের অংশে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৪ কিলােমিটার পর্যন্ত গ্যাসীয় উপাদানগুলির অনুপাত সর্বত্র প্রায় সমান থাকে তাই এই অঞ্চলকে সমমন্ডল বলে। অপরদিকে সমমন্ডলের উপরে অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের 99 km থেকে 10,000 কিলােমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরে বায়ু উপাদানগুলির অনুপাত এক থাকে না একারণে একে বিষমমন্ডল বা হেটারােস্ফিয়ার বলে। বিষমমন্ডলে এক এক স্তরে এক একটি গ্যাসের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।

পরিচলন স্রোত কাকে বলে?

উ:- গ্যাসীয় বা তরল পদার্থ উত্তপ্ত হলে এদের ঘনত্ব হ্রাস পায় ফলে উত্তপ্ত তরল বা গ্যাসীয় পদার্থ হালকা হয়ে ওপরে ওঠে ও ওপরের অপেক্ষাকৃত ভারী শীতল তরল বা গ্যাস নীচে নেমে আসে। এর ফলে যে চক্রাকার স্রোতের সৃষ্টি হয় তাকে পরিচলন স্রোত বলে।

পরিচলন স্রোতের দুটি প্রাকৃতিক উদাহরণ দাও কখন এর তীব্রতা বৃদ্ধি পায় ?

উ:- পরিচলন স্রোতের দুটি উদাহরণ হলাে স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু। সমুদ্রবায়ু সকাল থেকে প্রবাহিত হতে শুরু করে সন্ধ্যাবেলায় এর তীব্রতা বাড়ে। স্থলবায়ু সন্ধ্যাবেলায় প্রবাহিত হতে শুরু করে ভাের বেলায় এর তীব্রতা বাড়ে।

মেরুজ্যোতি (aurora) কী ? এটি কীভাবে সৃষ্টি হয়? সুমেরু প্রভা ও কুমেরু প্রভা কাকে বলে?

উ:- থার্মোস্ফিয়ারের অন্তর্গত আয়ানােস্ফিয়ারে (৪০ থেকে 400 কিমি. উচ্চতায়) উপস্থিত খুব নিম্নচাপে (0.0001 mb) থাকা নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন অণুগুলি সূর্য থেকে আগত ? রশ্মি ও X রশ্মির প্রভাবে আয়নিত হয় এবং O+, NO+অবস্থায় অবস্থান করে ও এর সঙ্গে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলি ওই স্তরে অবস্থিত বিভিন্ন আয়ন দ্বারা গৃহীত হওয়ার সময় আলােক রশ্মি বিকিরণ করে একে মেরুজ্যোতি বলে। উত্তর মেরুতে সৃষ্ট মেরুজ্যোতিকে সুমেরু প্রভা ও দক্ষিণ মেরুতে সৃষ্ট মেরুজ্যোতিকে কুমেরু প্রভা বলে।

স্থলবায়ুর উৎপত্তি ব্যাখ্যা করাে।

উ:- সূর্য রশ্মির তাপের প্রভাবে পৃথিবীপৃষ্ঠের স্থলভাগের উষ্ণতা সমুদ্রপৃষ্ঠের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। কিন্তু রাত্রে স্থলভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দ্রুত ঠান্ডা হওয়ায় স্থলভাগের বাতাস দ্রুত ঠাণ্ডা ও ঘনীভূত হয়ে উচ্চচাপ অঞ্চল গঠন করে। তখন সমুদ্রপৃষ্ঠের হয়ে ওপর উঠে যায় ফলে সমুদ্রে নিম্নচাপ অঞ্চল উৎপন্ন হয়। এই অবস্থায় স্থলভাগের। বায়ু নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয় একে স্থলবায়ু বলে। এই রূপে স্থলবায়ুর সৃষ্টি হয়।

ঝড় কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উ:- জলভাগের উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে তা বাষ্পীভূত হয়ে উপরে উঠে যায়। ওপরের ঠান্ডা পরিবেশের সংস্পর্শে এসে এই বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘ সৃষ্টি করে। মেঘ যত ঘনীভূত ও শীতল হয় তত সূর্যরশ্মি মেঘ দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে মেঘের নীচের অংশের বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ অঞ্চল সৃষ্টি করে। মেঘের বিস্তার যত বেশি হয় নিম্নচাপ ক্ষেত্রের ব্যাপ্তি তত বেশি হয়। এর ফলে পার্শ্ববর্তী উষ্ণ অঞ্চল থেকে অপেক্ষাকৃত উষ্ণ বায়ু অতি দ্রুতবেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়। ফলে ঝড়ের সৃষ্টি হয়।

ঝড় আসার আগে পরিবেশ শান্ত থাকে কেন?

উ:- পরিচলন স্রোতের কারণে ঝড় সৃষ্টি হয়। উষ্ণ আদ্ৰবায়ু হাল্কা হওয়ায় ওপরে উঠে এবং ট্রপােস্ফিয়ারে পরিচলন স্রোত সৃষ্টি হয়। এই উষ্ণ আর্দ্র বায়ু উপরে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঠাণ্ডা হয়ে কিউমুলেনিম্বাস মেঘ’ এর সৃষ্টি হয়। জলীয় বাষ্পের ঘনীভবনের জন্যে নির্গত লীনতাপ ওই বায়ুকে আরও ওপরে ওঠায়। ওপরে ওঠা বায়ুর গতি স্তব্ধ হয়ে বায়ু শান্ত হয়ে যায়। এই সময়েই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত ঘটে।

ওজোন স্তর কী ভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়?

উ:- ধ্বংসের জন্য ওজোনস্তর প্রধানত দায়ী যৌগগুলি হলাে—

[i] ক্লোরােফ্লুরাে কার্বনসমূহ (CFC) ও 

[ii] নাইট্রোজেনের বিভিন্ন অক্সাইডসমূহ। যেমন (NO2), (NO2) রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এরােসল স্প্রে, ইলেকট্রনিক যন্ত্রের পরিষ্কারক প্রভৃতি শিল্পে CFC এক সময় বহুল ব্যবহৃত হতাে। নিষ্ক্রিয় ও অদাহ্য হওয়ায় এই CFC গ্যাসগুলি দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌছে ওজোনস্তর ধ্বংসে অনুঘটক রূপে কাজ করে। স্ট্রাটোস্ফিয়ারে CFC অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে বিভাজিত হয়ে সক্রিয় CI (মুক্তমূলক) উৎপন্ন করে। এটি ওজোনকে ভেঙে অক্সিজেন বিয়ােজিত করে।

ওজোনস্তর ধ্বংসের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখাে। বা, ওজোনস্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি সংক্ষেপে আলােচনা করাে।

উ:- ওজোনস্তর ধ্বংসের ফলে পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশের যে যে কারকের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব উল্লেখযােগ্য সেগুলি নীচে আলােচনা করা হলাে।

জলবায়ুর ওপর প্রভাব : ওজোনস্তর ধ্বংসের ফলে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উষ্ণতা হ্রাস ?’ অতিবেগুনি রশ্মি ট্রপােস্ফিয়ারে চলে আসে ফলে পৃথিবীর তাপীয় ভারসাম্য বিঘ্নিত হয় বিশ্ব উষ্ণায়ন ত্বরান্বিত হয় ও ধোঁয়াশা ও অম্লবৃষ্টির প্রবণতা বাড়ে। মানুষের ওপর প্রভাব ও ভূপৃষ্ঠে অতিরিক্ত uv রশ্মি চলে এলে এর প্রভাবে মানুষের চামড়ার ক্যানসার ও চোখে ছানিপড়া রােগের প্রকোপ বাড়বে।

উদ্ভিদের ওপর প্রভাৰ : অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হবে এবং ফসলের উৎপাদনশীলতা কমবে। ফলে খাদ্য সংকট দেখা দেবে।

গ্রিন হাউস প্রভাব বলতে কী বােঝায়?

উ:- যে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে উপস্থিত CO2 ,CH4, N2O জলীয় বাষ্প প্রভৃতি কয়েকটি গ্যাসীয় পদার্থ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অবলােহিত রশ্মি (IR) আংশিকভাবে  শোষণ করে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং ভূপৃষ্ঠ ও তৎসংলগ্ন বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রেখে পৃথিবীতে জীব ও উদ্ভিদকুলের বেঁচে থাকার পক্ষে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে তাকে গ্রিন হাউস প্রভাব বলে (Green house effect)।

থ্রিনহাউস এফেক্ট ও বিশ্ব উষ্ণায়ন বলতে কী বােঝায়? 

উ:- গ্রিন হাউস প্রভাবের ফলে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা। সমগ্র জীবকুলের বেঁচে থাকার অনুকূল হয় এবং এই প্রভাবের জন্য দায়ী গ্যাসগুলি যদি বাতাসে না থাকতাে তবে পৃথিবী পৃষ্ঠের গড় উষ্ণতা –30°C এর কাছাকাছি হতাে। ফলে জীব জগতের অস্তিত্বই থাকতাে না। সেই দিক থেকে বলতে গেলে গ্রিন হাউস প্রভাব জীবজগতের ও উদ্ভিদজগতের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। 

কিন্তু মানবজাতির বিবিধ ক্রিয়াকলাপের ফলে ট্রপােস্ফিয়ারে গ্রিন হাউস গ্যাসগুলির পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। ফলে সারা বিশ্বজুড়ে বায়ুমণ্ডলের গড় উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এর ফলে জীব ও উদ্ভিদ জগতের ওপর এর প্রভাব মারাত্মক হতে চলেছে। এই ঘটনাকে বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে। প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীর লােকসংখ্যা বৃদ্ধি ও আধুনিক সভ্যতার কারণে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যাপক ব্যবহার ও ব্যাপক অরণ্য ছেদনের কারণে বাতাসের প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাস CO2 এর পরিমাণ অস্বাভাবিক রকম বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে লাগাম ছাড়া উষ্ণতা বৃদ্ধি ঘটছে। এ ছাড়া অন্যান্য গ্রিন হাউস গ্যাস যেমন CFC, CH4, নাইজোনের অক্সাইডের পরিমাণও বাতাসে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে বিশ্বের গড় উষ্ণতা অস্বাভাবিক রকম বৃদ্ধি পেয়ে জীব ও উদ্ভিদ জগতের বেঁচে থাকার প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে।

বিশ্ব  উষ্ণায়নের সম্ভাব্য কারণগুলি কী কী?

উ:- বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্যে দায়ী, গ্যাসগুলি যেমন CO2, . জলীয় বাষ্প, CFC, CH4, N2O ইত্যাদি গ্যাসগুলির পরিমাণ ট্রপােস্ফিয়ারে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন ঘটছে। 

CO2 এর উৎস : জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে CO2 উৎপন্ন হয়। পৃথিবীতে জীবাশ্ম জ্বালানির দহন মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ব উষ্ণায়নের শতকরা 50 ভাগ CO2 গ্যাসের ফলে হচ্ছে।

CH4 এর উৎস : পচা জৈব আবর্জনা, গবাদি পশুর মল, কিংবা ধানক্ষেত থেকে নির্গত CH4 গ্যাস CH4 এর উৎস। বিশ্ব উষ্ণায়নের 19% CH4 দ্বারা সংঘটিত হয়।

N2O এর উৎস : কৃষি জমিতে অধিক হারে নাইট্রোজেন সারের ব্যবহার ও দাবানলের প্রভাবে N2O উৎপন্ন হয় বিশ্ব উষ্ণায়ন এর অবদান 5%।

CFC এর উৎসে : রেফ্রিজারেটার, হিমায়ক যন্ত্র, রং শিল্পে প্রসাধনী সামগ্রী প্রস্তুত করতে এটি ব্যবহৃত হয়। যদিও এর ওজোন স্তর ধ্বংস করার ক্ষমতার জন্যে এটির ব্যবহার এখন বন্ধ করা হয়েছে। বিশ্ব উষ্ণায়ন এর অবদান 16%।

H2O : বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে উষ্ণতা বৃদ্ধি ঘটে তবে বাতাসে জলীয়বাষ্প সীমাহীনভাবে বাড়তে পারে না তাই এটির নিয়ন্ত্রণ জরুরি নয়।

বিশ্ব উষ্ণায়নে পরিবেশগত প্রভাব আলােচনা করাে। বা, গ্রিন হাউস প্রভাবের ফলে পরিবেশের যে প্রতিকূল প্রভাব পড়েছে তা উল্লেখ করাে।

উ:- বিশ্ব উন্নয়নের প্রভাব পরিবেশের ওপর নেতিবাচক। এর ফলে পরিবেশের সুদূরপ্রসারী যে ক্ষতিকারক ফলাফল হবে সেগুলি হলাে

মেরু অঞ্চলের ও বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলের জমা বরফ গলন বৃদ্ধি পাবে ফলে সমুদ্রের জলের লেভেল বৃদ্ধি পাবে। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখিয়েছেন যে 2050 সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এমনভাবে বৃদ্ধি পাবে যে সমুদ্র উপকূলের অনেক স্থলভাগ সমুদ্রের তলায় চলে যাবে।

জলবায়ুর পরিবর্তন : বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে উষ্ণমণ্ডলের দেশগুলিতে গ্রীষ্ম ঋতু দীর্ঘায়িত হবে ও মেরু অঞ্চলের শীত বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বজুড়ে বৃষ্টিপাত চক্র বিঘ্নিত হবে। কোথাও বন্যা হবে কোথাও খরা,হবে।

ফসলের ওপর প্রভাব : অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টির প্রভাবে ফসল উৎপাদন হ্রাস পাবে।

পরিবেশের ওপর প্রভাব : দাবানল বৃদ্ধি পাবে, পানীয় জলের যােগান কম হবে ও পরিবেশের বাস্তুতন্ত্র বিঘ্নিত হবে।

স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব : বেশি উষ্ণতায় জীবাণু সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াঘটিত রােগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে ফলে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, হাঁপানি, অ্যালার্জী বৃদ্ধি পাবে।

গ্রিন হাউস প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করার উপায় কী? বা, গ্রিন হাউস প্রভাব নিয়ন্ত্রণের দুটি উপায় লেখাে। 

উ:- গ্রিন হাউস প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করতে হলে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়ােজন। ট্রপােস্ফিয়ারের উষ্ণতার জন্যে মুখ্যত দায়ী CO2 গ্যাস। এই গ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানির দহনে উৎপন্ন হয়। মানুষ, জীব, জন্তু নিশ্বাসের সঙ্গে CO2 গ্যাস বাতাসে ছেড়ে দেয় সুতরাং প্রাণী ও মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বাতাসে CO2 এর পরিমাণ এমনিতেই বাড়বে। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় CO2 প্রাকৃতিক উপায়ে শােষিত হয় তা হলাে উদ্ভিদের সালােকসংশ্লেষণ। উদ্ভিদ CO2 গ্যাস শােষণ করে বাতাসে O2 গ্যাস ছাড়ে। সুতরাং বনসৃজন যেমন জরুরি তেমনি অরণ্যছেদন যথাসম্ভব নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।

সুতরাং নিম্নলিখিত উপায়ে বাতাসে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমান কমানাে সম্ভব।

(i) বনসৃজন ও নিয়ন্ত্রিত অরণ্য ছেদন।

(ii) জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস ও অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি।

বিশ্ব উষ্ণায়নকে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে কী কী নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি?

উ:- বিশ্ব উষ্ণায়নকে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে নিম্নোক্ত উপায়গুলি ব্যবহার করতে হবে।

(i) কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস যথাসম্ভব কম ব্যবহার করে অপ্রচলিত শক্তি যেমন সৌরশক্তি, জোয়ার-ভাটা শক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদির ব্যবহার বাড়িয়ে বিশ্ব উষ্ণায়নকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

(ii) ফ্রেয়ন (CFC -11 ও CFC -12) বিশ্ব উষ্ণায়নে উল্লেখযােগ্য ভূমিকা নেয়। ফলে এর উৎপাদন ও ব্যবহার বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ করতে হবে।

(iii) শিল্পক্ষেত্রে ও যানবাহনে ব্যবহৃত ইঞ্জিনের দক্ষতা বাড়ানাের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে জীবাশ্ম জ্বালানির অপচয় কমিয়ে CO2 এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

(iv) আবর্জনা প্রক্রিয়াকরণ করে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ কমানাে প্রয়ােজন কারণ মিথেন একটি গ্রিন হাউস গ্যাস।

(v) নাইট্রোজেনঘটিত অজৈব সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে এর ফলে বাতাসে N2O এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।

জ্বালানি কাকে বলে? এটি কয় প্রকার ও কী কী?

উ:- যে সব পদার্থ দহনে বা নিউক্লিও বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপশক্তি বা আলােকশক্তি উৎপন্ন করে তাকে জ্বালানি বলে।

উপাদানগত ভাবে জ্বালানি দুই প্রকার :

(i) কার্বনযুক্ত জ্বালানি। যেমন কাঠ, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল, কেরােসিন, মােম ইত্যাদি।

(ii) কার্বনবিহীন জ্বালানি যেমন H2গ্যাস। নিউক্লিয়ার জ্বালানি যেমন ইউরেনিয়াম প্লুটোনিয়াম, এর বিশেষ সমস্থানিক।

জীবাশ্ম জ্বালানি কী? উদাহরণ দাও। বা, বায়ােফুয়েল ক? উদাহরণ দাও।

উ:- পাললিক শিলার অভ্যন্তরে আবদ্ধ হয়ে থাকা উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ বা প্রস্তরীভূত রূপকে জীবাশ্ম (fossil) বলে। উদ্ভিদ বা প্রাণীর জীবাশ্ম ভবনের ফলে কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপন্ন হয়। একে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।

উদাহরণ ও কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি।

দৈনন্দিন জীবনে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রভাব কী? 

উ:- আধুনিক জীবনে জীবনযাত্রায় শক্তির চাহিদা একান্ত প্রয়ােজনীয়। গার্হস্থ্য জ্বালানি, মােটর গাড়ী, ট্রেন, জেনারেটর, বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন ট্রাকটর ইত্যাদি সবক্ষেত্রেই জ্বালানির একান্ত প্রয়ােজন। ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে শক্তির চাহিদার প্রায় 90% জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আসে। যদিও সারাবিশ্বের ক্ষেত্রে এই শক্তির চাহিদা 75%। সুতরাং জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক সভ্যতা অচল। জীবাশ্ম জ্বালানি হিসাবে বহুল ব্যবহৃত পদার্থগুলি হলাে কয়লা, পেট্রোল, ডিজেল, কেরােসিন, LPG, CNG ইত্যাদি। 

ভালাে জ্বালানির বৈশিষ্ট্য কী?

ভালো জ্বালানির বা আদর্শ জ্বালানির বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ :

উ:- 

(i) উচ্চতাপন মূল্য

(ii) সহজ প্রাপ্যতা ও কম দাম।

(iii) জুলনাঙ্ক যথাযথ অর্থাৎ মাঝারি মানের, খুব কমও নয় আবার, খুব বেশিও নয়। কারণ খুব কম জুলনাঙ্ক হলে যখন তখন আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে। 

(iv) দহনে ধোঁয়া বা পরিবেশ দুষক গ্যাস যথাসম্ভব কম নির্গত হওয়া।

(v) সহজে সংরক্ষণযােগ্য। 

জ্বালানির তাপনমূল্য বলতে কী বোেঝ?

উ:- একক ভরের বা একক আয়তন কোনাে জ্বালানির সম্পূর্ণ দহনে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয় তাকে ওই জ্বালানির তাপনমূল্য বলে। যেমন কয়লার তাপনমূল্য 25-30 কিলাে জল/গ্রাম। কেরোসিনের তাপন মূল্য 48 কিলােজুল/ গ্রাম। পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাস (LPG) এর তাপন মূল্য যথাক্রমে 50, 45 ও 50 কিলাে জুল/গ্রাম।

জীবাশ্ম জ্বালানির সংরক্ষণের প্রয়ােজনীয়তা আছে। -কেন? বা, জীবাশ্ম জ্বালানির সংরক্ষণের প্রয়ােজনীয়তা লেখাে। বা, জীবাশ্ম জ্বালানির সংরক্ষণের দুটি প্রয়ােজনীয়তা লেখাে। (দুটি প্রয়ােজনীতা উল্লেখ করতে হবে।)

উ:- প্রকৃতিতে সঞ্চিত জীবাশ্ম জ্বালানির পরিমাণ নির্দিষ্ট সূতরাং জীবনযাত্রার মানের উন্নতির জন্যে প্রয়ােজনীয় শক্তির চাহিদা মেটাতে যদি বেহিসাবিভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার করা হয় তবে অচিরেই জীবাশ্ম জ্বালানির ভান্ডার শেষ হয়ে যাবে। তাই জীবাশ্ম জ্বালানির উপযুক্ত সংরক্ষণ না করা গেলে মানব সভ্যতা অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে।

প্রচলিত ও অপ্রচলিত শক্তি উৎস কী?

উ:- আধুনিক সভ্যতার চাহিদা মেটাতে প্রয়ােজনীয় শক্তির অধিকাংশই জীবাশ্ম জ্বালানি দহনে বা জলবিদ্যুতের উৎপাদনের মাধ্যমে করা হয় এই ধরনের শক্তি উৎসকে প্রচলিত শক্তি উৎস বলে।

অপরদিকে প্রচলিত শক্তি উৎপাদনকারী উৎসগুলির যােগ্য বিকল্প হিসাবে শক্তি সংকটের সমাধানের প্রশ্নে যে সকল শক্তি উৎসগুলি আগামী দিনে সার্থক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হয় তাদেরকে অচিরাচরিত বা অপ্রচলিত শক্তি উৎস বলে। এগুলি পুনর্নবীকরণযােগ্য বলে অনেক সময় এদের কে পুনর্নবীকরণযােগ্য শক্তি উৎস বলা হয়।

অপ্রচলিত শক্তি ব্যবহারে সুবিধাগুলি কি কি ?

উ:- 

[i] অপ্রচলিত শক্তি নবীকরণযােগ্য অর্থাৎ এর শক্তির ভান্ডার অফুরন্ত।

[ii] এই শক্তি সহজলভ্য।

[iii] অপ্রচলিত শক্তি ব্যবহারে সাধারণত পরিবেশ দূষণ হয় না

সৌরকোশ ব্যবহারের সুবিধাগুলি আলােচনা করাে।

উ:- 

[i] যে সব জায়গায় প্রথাগত উপায়ে উৎপন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায় না সে সব জায়গায় সৌর প্যানেলের সাহায্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।

[ii] সৌরকোশ বা প্যানেলের স্থাপন (installation) ও রক্ষণাবেক্ষণ (maintainance) খরচ খুবই কম। 

[iii] এতে পরিবেশ দূষণ হয় না।

.

জোয়ার-ভাটা শক্তি ব্যবহার এর অসুবিধাঃ

[i] জোয়ার-ভাটা শক্তি উৎপাদনের জন্যে বিশাল আয়তনের কাঠামাে ও উন্নত প্রযুক্তির প্রয়ােজন। একারণে এর উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি।

[ii] পৃথিবীর যে কোনাে জায়গায় মাত্র দুবার জোয়ার-ভাটা হয় বলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র 40% বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

[iii] সমুদ্র জলে উচ্চতা পার্থক্য জোয়ার-ভাটার সময় 5 মিটার হলে লাভজনক ভাবে শক্তি উৎপাদন করা যায় না।

[iv]জোয়ার-ভাটা শক্তি উৎপাদন করার জন্যে নদীর খাড়িতে বাঁধ দিতে হয় ফলে পচনশীল বর্জ্য পদার্থগুলি খাড়িতে জমা হয়ে দূষণ সৃষ্টি করে।

42. ভূতাপ শক্তির সুবিধা লেখাে।

উ:- ভূতাপ শক্তির সুবিধা :

[i] ভূতাপ শক্তির যােগান অফুরন্ত।

[ii] এই শক্তির যােগান নিরবিচ্ছিন্ন। অর্থাৎ 24 ঘণ্টা ধরে এই এই শক্তির জোগান সম্ভব।

[iii] এর ফলে পরিবেশ দূষণের সম্ভাবনা খুবই কম হয়।

ভূতাপ শক্তির অসুবিধাগুলি উল্লেখ করাে। 

উ:- ভূতাপ শক্তির অসুবিধা :

[i] ভূতাপ শক্তির উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করা অত্যন্ত ব্যয় বহুল।

[ii] এই শক্তির উৎপাদন খরচ প্রচলিত শক্তির উৎপাদন এর তুলনায় বেশি।

[iii] এই শক্তি উৎপাদনের সময় মাটির অভ্যন্তরে জল স্তরের দূষণ ঘটতে পারে।

[iv] ভূতাপ শক্তি যে সব অঞ্চলে উৎপাদন করা হয় অনেক সময় সেখানকার ভূপৃষ্ঠে ধস নামে।

বায়ােমাস কী? বা জীবভর কী? বায়ােমাস শক্তি কী? 

উ:- উদ্ভিদের মৃত অংশ এবং প্রাণীর বর্জ্যপদার্থকে বায়ােমাস বলে।

উদাহরণঃ প্রাণীদের বর্জ্য মল, মূত্র, কৃষিজ বর্জ্য পদার্থ যেমন আখের ছিবড়া, কচুরী পানা, কাঠ, শহরের কঠিন আবর্জনা, রান্নাঘরের অব্যবহৃত বা ব্যবহৃত জৈব অবশেষ, গােবর ইত্যাদিকে বায়ােমাস বলে।

বায়ােমাস শক্তি ও জীবভর বা জৈব জ্বালানি থেকে সংগৃহীত শক্তিকে বায়ােমাস শক্তি বলে। যেমন কাঠ পুড়িয়ে যে শক্তি উৎপন্ন হয় একে বায়ােমাস শক্তি বলে। গােবরকে শুকিয়ে ঘুটে করে তাকে পােড়ালে যে শক্তি পাওয়া যায় এটিও বায়ােমাস শক্তি। তাপীয় শক্তি উৎপন্ন করতে অনেক সময় বায়ােমাস ব্যবহার করা হয়।

বায়ােগ্যাস বলতে কী বােঝ? উদাহরণ দাও।

উ:- বায়ােমাসকে জলের উপস্থিতিতে বায়ুর অনুপস্থিতিতে মেথাননাজেনিক ব্যাকটেরিয়া দিয়ে বিয়ােজিত করলে যে গ্যাসীয় মিশ্রণ পাওয়া যায় তাকে বায়ােগ্যাস বলে।

উদাহরণ : গােবর এবং তরল বর্জ্যপদার্থের যেমন জলের অবাত জারণ বা সন্ধান প্রক্রিয়ায় একটি গ্যাসীয় মিশ্রণ সৃষ্টি হয়। এর প্রধান উপাদান হলাে মিথেন। এর মধ্যে 75% মিথেন এ ছাড়া অল্প পরিমাণ CO2, H2 এবং H2S গ্যাস থাকে।

অপকারী ওজোন কাকে বলে? একে অপকারী বলে কেল?

উ:- ট্রপােস্ফিয়ারের ওজোনকে অপকারী ওজোন বলে। কারণ ট্রপােস্ফিয়ারে ওজোন গ্রিন হাউস গ্যাস রূপে কাজ করে এবং বায়ু দূষক হিসাবে কাজ করে। একটি ওজোন অণুর তাপশােষণ ক্ষমতা একটি CDঅণুর প্রায় দশগুণ বেশি। তাই স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ওজোন উপকারী হলেও ট্রপােস্ফিয়ারে ওজোন অপকারী। তাই ট্রপােস্ফিয়ারের ওজোনকে অপকারী ওজোন বলে।

জীবাশ্ম জ্বালানি কাকে বলে? এদের জীবাশ্ম জ্বালানি বলে কেন?

উ:- পাললিক শিলার বিভিন্ন স্তরে মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের দেহাবশেষ প্রাকৃতিক কারণে চাপ, উত্তাপ ও ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে তরল কঠিন বা গ্যাসীয় অবস্থায় প্রস্তরীভূত হয়। একে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। সজীব উদ্ভিদ বা প্রাণীর জীবাশ্মীভবনের ফলে এদের উৎপত্তি হয় বলে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে।

কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস এগুলি সবই জীবাশ্ম জ্বালানি।

Madhyamik Physical Science Suggestion 2022 | মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন ২০২২

মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সমস্ত অধ্যায়ের প্রশ্নউত্তর 

Madhyamik All Subjects Suggestion | মাধ্যমিক সমস্ত বিষয়ের সাজেশন

Madhyamik Bengali Suggestion 2022 

Madhyamik English Suggestion 2022 

Madhyamik Geography Suggestion 2022 

Madhyamik History Suggestion 2022 

Madhyamik Mathematics Suggestion 2022 

Madhyamik Life Science Suggestion 2022

বিশেষ তথ্যঃ-  মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন | Madhyamik Physical Science Suggestion 2022 | WBBSE Madhyamik Physical Science Question and Answers Suggestion

দশমশ্রেনীর ভৌতবিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় পরিবেশের জন্য ভাবনা প্রশ্ন উত্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাধ্যমিক পরীক্ষা (West Bengal Board of Secondary Education / WB Madhyamik / Madhyamik/ MP Exam  / WBBSE Madhyamik Exam  / Madhyamik Class 10th  / WBBSE Class X / Madhyamik Pariksha) কথা মাথায় রেখে Dreamnotes.in পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড তথা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে এসেছে। 

তোমাদের অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের এই ” মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান ২০২২ সাজেশন – পরিবেশের জন্য ভাবনা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর – মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান সাজেশন ২০২২ ” পােস্টটি পড়ার জন্য। এই ভাবেই Dreamnotes.in ওয়েবসাইটের পাশে থেকে থাকার তোমাদের কোন ধরনের প্ৰশ্ন উত্তর জানতে আমাদের এই ওয়েবসাইট টি Follow কর এবং নিজেকে  তথ্য সমৃদ্ধ কর। ধন্যবদান্তে Team Dreamnotes.in

File Details
File Name/Book Nameমাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
File FormatPDF
File LanguageBengali
File Size430 KB
File LocationGOOGLE DRIVE
Download LinkClick Here to Download PDF File
Join Telegram Members

Leave a Comment