কারণ কাকে বলে? কারণের গুণগত ও পরিমাণগত লক্ষণ আলোচনা করো | কারণের গুণগত ও পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো

প্রিয় পাঠকগন,

আজকে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করবো, কারণ কাকে বলে? কারণের গুণগত ও পরিমাণগত লক্ষণ আলোচনা করো|কারণের গুণগত ও পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো|এই পোস্টের মাধ্যমে দর্শনের কারন বিভাগ থেকে কারণের গুণগত ও পরিমাণগত লক্ষণ আলোচনা করা হয়েছে। এই প্রশ্নটি দ্বাদশ শ্রেনীর ফিলোজফী পরিক্ষায় আসে। তাই আমাদের আসা এই Topic টি তোমাদের পরিক্ষার জন্য খুবই কাজে আসবে।

কারণ কাকে বলে? 

কারণঃ- কারণের সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে  মিল বলেন ‘যদি কোন ঘটনা শর্তহীনভাবে অপরিবর্তনীয় ভাবে পূর্ববর্তী কোন ঘটনা বা ঘটনার মিশ্রণকে অনুসরণ করে,তাহলে পূর্ববর্তী ঘটনাকে কারণ এবং পরবর্তী ঘটনাকে কার্য বলতে হবে। কার্ভেথ রীড মিলকে অনুসরণ করে বলেন গুণের দিক থেকে কার্য হল কার্যের অব্যবহিত, শর্তহীন, অপরিবর্তনীয় পূর্ববর্তী ঘটনা এবং পরিমাণের দিক থেকে কারণ হলো কার্যের সমান।

কারণের গুণগত ও পরিমাণগত লক্ষণ আলোচনা | কারণের গুণগত ও পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো

কারণ এর গুণগত লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্যঃ-

১)কারণ ও কার্য সাপেক্ষ পদ:- কার্য ছাড়া যেমন কারন হয়না তেমনি কারণ ছাড়াও কার্য হয়না।কাজেই কারণ ও কার্য পরস্পরের উপর নির্ভরশীল।

২)কারণ কার্যের পূর্ববর্তী ঘটনাঃ- যখন দুটি ঘটনার মধ্যে একটি সম্বন্ধ স্থাপন করা হয়, তখন পূর্ববর্তী ঘটনাকে কারণ এবং অনুগামী ঘটনাকে কার্য বলা হয় যেমন- বিষপান হল মৃত্যুর কারণ। এক্ষেত্রে বিষপান পূর্ববর্তী ঘটনাটি হল কারণ এবং মৃত্যু এই অনুগামী ঘটনাটি হল কার্য।

৩)কারণ কার্যের অপরিবর্তনীয় পূর্ববর্তী ঘটনাঃ- কারণ কার্যের পূর্ববর্তী ঘটনা হলেও যেকোনো পূর্ববর্তী ঘটনাকে কারণ বলা যাবে না, যে ঘটনা সর্বদায় কার্যের পূর্বে ঘটে থাকে তাকে অপরিবর্তনীয় পূর্ববর্তী ঘটনা বলা যেতে পারে এবং একমাত্র তাকেই কারণ বলে অভিহিত করা যেতে পারে।

৪)কারণ কার্যের শর্তান্তরহীন অপরিবর্তনীয় পূর্ববর্তী ঘটনাঃ- শর্তহীন ঘটনা বলতে বোঝায় কারণ হল, এমন একটি শর্তের সমষ্টি যা অন্য কোন শর্তের উপর নির্ভর না করে কার্যকে উৎপন্ন করে। কাজেই যে অপরিবর্তনীয় পূর্ববর্তী ঘটনা কার্য ঘটাবার জন্য অন্য কোন বিষয় বা শর্তের ওপর নির্ভর করে না। তাকেই কারণ বলে গণ্য করা যেতে পারে।

৫)কারণ কার্যের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ঘটনাঃ- যদি কোন ঘটনা কার্যের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ঘটনা না হয়ে বহু পূর্ববর্তী ঘটনা হয় তাহলে সেই ঘটনাকে কারণ বলা যাবে না। যেমন বৃষ্টিতে ভেজার একবছর পরে যদি কারো সর্দি হয় তাহলে এক বছর আগে বৃষ্টিতে ভেজার ঘটনাটি সর্দির কারণ হতে পারে না। 

কারণের পরিমাণগত লক্ষণ

কারনের পরিমানগত লক্ষন:- পরিমাণের দিক থেকে কারণ হল কার্যের সমান কারণ ও কার্যের সমপরিমাণতা দুটি নীতির উপর নির্ভর করে যথা:-

১) বস্তুর নিত্যতা নিয়ম:- এই নিয়ম অনুসারে বলা হয় যে,এই পৃথিবীতে যে বস্তু আছে তার পরিমান অবিনশ্বর্। বস্তু এক আকার থেকে অন্য আকারে পরিনত হতে পারে কিন্তু বস্তুর পরিমানের কোন হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটেনা। 

যেমন নির্দিষ্ট পরিমান হাইড্রোজেন ও নির্দিষ্ট পরিমান অক্সিজেন মিশিয়ে জল তৈরী হয়। এক্ষেত্রে পরিমানের দিক থেকে জলের পরিমান এবং ডাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরিমান সমানই থাকে। 

২) শক্তির নিত্যতা নিয়ম:- শক্তির নিত্যতা নিয়ম অনুসারে বলা হয় জগতে যে পরিমান শক্তি আছে তা অবিনশ্বর্। শক্তির রূপান্তর ঘটে মাত্র কিন্তু তার পরিমাণে কোন হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে না। যেমন উত্তাপ আলো প্রভৃতি শক্তি একটি থেকে অপরটিতে রূপান্তরিত হতে পারে কিন্তু এই রূপান্তরের ফলে শক্তির পরিমানের কোন হ্রাস-বৃদ্ধি হয় না

১)উপমাযুক্তি বা সাদৃশ্যমূলক আরোহ অনুমান কাকে বলে?

২) উপমাযুক্তি বা সাদৃশ্যমূলক আরোহ অনুমান কাকে বলে?

৩) বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান কাকে বলে? বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের বৈশিষ্ট্য গুলি কি কি? বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান এর উদাহরণ দাওবৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের মধ্যে পার্থক্য লিখ

৪)দ্বাদশ শ্রেণী আরোহ দর্শনের প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর।আরোহ অনুমানের স্বরূপ প্রশ্ন ও উত্তর

৫) দৃষ্টান্তসহ আবশ্যিক শর্ত, পর্যাপ্ত শর্ত এবং আবশ্যিক পর্যাপ্ত শর্ত ব্যাখ্যা করো


Join Telegram Members

Leave a Comment