সপ্তম শ্রেণি ভূগোল চতুর্থ অধ্যায় 2 নম্বরের প্রশ্ন উত্তর (ভূমিরূপ)

সপ্তম শ্রেণি ভূগোল চতুর্থ অধ্যায় 2 নম্বরের প্রশ্ন উত্তর (ভূমিরূপ)

সপ্তম শ্রেণি ভূগোল চতুর্থ অধ্যায় 2 নম্বরের প্রশ্ন উত্তর (ভূমিরূপ)নিয়ে প্রিয় বন্ধুরা আজকে তোমাদের সাথে আলোচনা করবো |সপ্তম শ্রেণি চতুর্থ অধ্যায় ভূগোল প্রশ্ন উত্তর|সপ্তম শ্রেণীর ভূমিরূপ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর|সপ্তম শ্রেণি ভূমিরূপ থেকে প্রশ্ন উত্তর |সপ্তম শ্রেণি ভূমিরূপ থেকে 2 নম্বরের প্রশ্ন উত্তর |বন্ধুরা তোমরা যারা সপ্তম শ্রেণীর চতুর্থ অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর অনলাইনে সন্ধান করছ তাদের আর অন্য জায়গা যাওয়ার প্রয়োজন নেই তোমরা এখানেই সপ্তম শ্রেণি চতুর্থ অধ্যায়ের 2 নম্বরের প্রশ্ন উত্তর তোমরা পেয়ে যাবে।

সপ্তম শ্রেণি ভূগোল চতুর্থ অধ্যায় 2 নম্বরের প্রশ্ন উত্তর (ভূমিরূপ)

 ভূমিরূপ (Landform) কাকে বলে ?

 আমাদের পৃথিবীর উপরিভাগ বা ভূপৃষ্ঠের সব জায়গা কইরকম নয়। কোথাও উঁচু, কোথাও ঢেউ খেলানাে, কোথাও চুি ও সমতল। পৃথিবীপৃষ্ঠের এই বিভিন্ন রূপ বা ভূমির বচিত্র্যকে বলা হয় ভূমিরূপ।

ভূমিরূপ কতপ্রকার ও কী কী ? 

ভূমিরূপকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা—ক পর্বত, মালভূমি ও সমভূমি। 

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তি (Endogenetic Force) বলতে কী বােঝাে ?

পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ থেকে সৃষ্ট ভূ-আলােড়ন, যা পৃথিবীপৃষ্ঠের বিভিন্নতা ঘটায়, তাকে অভ্যন্তরীণ শক্তি বলে। মূলত ভূপৃষ্ঠ গঠনকারী পাতগুলির সঞ্চালনের ফলে এই শক্তির সৃষ্টি হয়।

এই শক্তি আবার দু-ভাগে বিভক্ত, যথা— গিরিজনি আলােড়ন ও মহিভাবক আলােড়ন।

 

বহির্জাত (Exogenetic Force) শক্তি বলতে কী বােঝাে ?

ভূমিরূপ পরিবর্তনকারী যেসব শক্তি প্রধানত ভূপৃষ্ঠের ওপর সৃষ্টি হয়, তাদের বহির্জাত শক্তি বলে। নদী, হিমবাহ, বায়ু প্রভৃতি বহির্জাত শক্তি হিসেবে কাজ করে। বহির্জাত শক্তিগুলি ক্ষয় এবং সঞ্চয়কাজের দ্বারা ভূত্বকের উচ্চতা কমায় এবং বিভিন্ন ধরনের ভূমিরূপ গঠন করে, যেমন-জলপ্রপাত, বদ্বীপ প্রভৃতি।

পাতের চলাচল বা পাত সঞ্চালন কী ?

অর্ধতরল গুরুমণ্ডল বা অ্যাসথেনােস্ফিয়ারের ওপর টি বড়াে ও 20টি ছােটো পাত ভাসমান অবস্থায় থাকে। ভূঅভ্যন্তরীণ তরল পদার্থের চলনের ফলে ভাসমান পাতগুলি পরস্পরের দিকে বা বিপরীত দিকে অথবা পাশাপাশি চলমান। অবস্থায় থাকে। পাত চলাচলের এই ঘটনাকে পাত সঞ্চালন বলে। এর ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপ গঠিত হয়।

পর্বতশৃঙ্গ (Peak) কাকে বলে ?

পর্বতের ওপরের দিকে সরু, ছুঁচোলাে, শঙ্কু আকৃতির অংশকে পর্বতচূড়া বা পর্বতশৃঙ্গ বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় মাউন্ট এভারেস্ট (পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ 8,848 মি), কাঞ্চনজঙ্ঘা, ধবলগিরি প্রভৃতি হল হিমালয় পর্বতের শৃঙ্গ। পর্বতশৃঙ্গগুলি সাধারণত বরফাবৃত থাকে।

পার্বত্য উপত্যকা (Mountain Valley) বলতে কী বােঝাে ?

দুটি পর্বত চূড়ার মাঝে যে-নীচু অংশ থাকে, তাকে পার্বত্য উপত্যকা বলে। পার্বত্য উপত্যকার মধ্যে দিয়ে অনেকসময় নদী প্রবাহিত হয়। ভারতের বিখ্যাত পার্বত্য উপত্যকাগুলির মধ্যে অন্যতম হল কাশ্মীর উপত্যকা 

পর্বতশ্রেণি (Mountain Range) কী ?

পাশাপাশি অবস্থিত একাধিক বিস্তৃত পর্বতকে পর্বতশ্রেণি বলে। যেমন—হিমালয়, কারাকোরাম, পিরপাঞ্জাল প্রভৃতি পর্বত মিলিত হয়ে হিমালয় পর্বতশ্রেণির সৃষ্টি হয়েছে। এই পর্বতগুলি প্রায় একই সময় সৃষ্টি হয় এবং এদের গঠনও প্রায় একই রকম হয়।

পর্বতগ্রন্থি কাকে বলে ?

অনেকগুলি পর্বতশ্রেণি যখন কোনাে একটি স্থানে মিলিত হয়, তখন সেই স্থানটিকে পর্বতগ্রন্থি বলে। যেমনপামির পর্বতগ্রন্থিতে পূর্বদিক থেকে হিমালয়, কারাকোরাম পশ্চিমে হিন্দুকুশ প্রভৃতি পর্বত মিলিত হয়েছে।

আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain) কাকে বলে?

আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাতের সময় প্রচুর লাভা, ছাই, ছােটো ছােটো পাথর বেরিয়ে এসে আগ্নেয়গিরির চারদিকে জমা হয়ে তিনকোণা শঙ্কুর মতাে পর্বত সৃষ্টি হয়, তাকে বলে আগ্নেয় পর্বত। যেমন—ইটালির ভিসুভিয়াস, এটনা প্রভৃতি।

মালভূমি (Plateau) কাকে বলে ?

বহুদূর বিস্তৃত, শিলাময়, খাড়া পার্শ্বচাল ও প্রায় সমতল বা তরঙ্গায়িত উপরিতলযুক্ত ভূমিভাগকে মালভূমি বলে । মালভূমিগুলির আকৃতি অনেকটা টেবিলের মতাে হয়। যেমন— পামির মালভূমি, দাক্ষিণাত্যের মালভূমি প্রভৃতি।

পামির মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় কেন ?

পামির মালভূমি পৃথিবীর সর্বোচ্চ মালভূমি। এর গড় উচ্চতা প্রায় 4,800 মিটার। পামির মালভূমির বিস্তার বিশাল এবং এর চারপাশ খাড়া ঢালযুক্ত এবং উপরিভাগ কিছুটা সমতল। এইরকম আকৃতি, উচ্চতা ও বিস্তারের জন্যে পামির মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।

 

Leave a Comment