দৃষ্টান্ত সহকারে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো|একটি সাংকেতিক ও বাস্তব উদাহরণের সাহায্যে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি ব্যাখ্যা ও বিচার করো 

প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমি আলোচনা করব, দৃষ্টান্ত সহকারে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো|উচ্চমাধ্যমিক দর্শন তৃতীয় অধ্যায়|উচ্চমাধ্যমিক দর্শন তৃতীয় অধ্যায় মিলের পরীক্ষামূলক পদ্ধতি|অপসারণ সূত্র|মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি pdf|একটি সাংকেতিক ও বাস্তব উদাহরণের সাহায্যে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি ব্যাখ্যা ও বিচার করো|সহপরিবর্তন পদ্ধতি অসুবিধা|সহপরিবর্তনের সুবিধা|সহপরিবর্তন পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধা গুলি আলোচনা করো|সহপরিবর্তন পদ্ধতির সাংকেতিক উদাহরণ|সহপরিবর্তন পদ্ধতির উদাহরণর|সহপরিবর্তন পদ্ধতির বাস্তব উদাহরণ|সহপরিবর্তন পদ্ধতি সূত্রটি লেখ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর তোমরা নিচে PDF আকারে পেয়ে যাবে 

দৃষ্টান্ত সহকারে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো 

অথবা 

একটি সাংকেতিক ও বাস্তব উদাহরণের সাহায্যে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি ব্যাখ্যা ও বিচার করো 

মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতির সূত্রঃ

সহপরিবর্তন পদ্ধতির সূত্রঃ- পরিবর্তন  পদ্ধতি সূত্রটি কে এভাবে ব্যক্ত করেছেন যখন কোন একটি ঘটনা বিশেষভাবে বাড়ে-কমে তখনই যদি অপর একটি ঘটনায় কিভাবে বাড়ে-কমে তাহলে সেই ঘটনাটি হবে অপর ঘটনা কারণ বা কার্য।

মিলের অপসারণ সূত্রঃ

অপসারণ সূত্রঃ- অপসারণের যে নিয়মটির উপর সহ পরিবর্তন পদ্ধতি  প্রতিষ্ঠা হলো যদি কোনো এক বিশেষ অনুপাতে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ঘটনা বৃদ্ধি ঘটতে দেখা যায় তাহলে ঘটনা দুটি কার্যকারণ সম্বন্ধে আবদ্ধ হবে। 

অপসারণের সাংকেতিক উদাহরণঃ- 

সাংকেতিক উদাহরণঃ- 

পূর্বগামী ঘটনাঅনুগামী ঘটনা
A1BCa1bc
A2BCa2bc
A3BCa3bc

সুতরাং A হল a এর কারণ 

মিলের সহপরিবর্তন এর বাস্তব উদাহরণঃ- 

বাস্তব উদাহরণঃ- 

1. প্রত্যক্ষ পরিবর্তনঃ- উত্তাপ যতই বাড়ে তাপমান যন্ত্রের পারদ ও ততই বিস্তৃতি লাভ করে সুতরাং সিদ্ধান্ত করা যায় যে উত্তাপ বৃদ্ধি হল পারদ এর  বিস্তৃতির কারণ।

2. বিপরীত পরিবর্তনঃ- শিক্ষার প্রসার লাভ করছে অপরাধের সংখ্যা কমছে সুতরাং অনুমান করা যায় যে শিক্ষার প্রসার হলো অপরাধ কমার কারণ।

দৃষ্টান্ত সহকারে মিলের সহপরিবর্তন পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো

সহপরিবর্তন  পদ্ধতির সুবিধাঃ- 

i. যেসব ক্ষেত্রে ব্যতিরেকী পদ্ধতির প্রয়োগ সম্ভব নয় সেই সব ক্ষেত্রে সহ পরিবর্তন পদ্ধতি কে প্রয়োগ করে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা যায়।

ii. সহপরিবর্তন পদ্ধতির সাহায্যে আমরা কার্যকারণের পরিমাণগত স্বভাবের পরিচয় পাই।

iii. সহ পরিবর্তন পদ্ধতি কোন ঘটনার অতিরিক্ত গ্যাস বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করতে সাহায্য করে।

iv. সহপরিবর্তন পদ্ধতিকে যদি পরীক্ষণের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় তাহলে এর সাহায্যে কার্যকারণ সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করা যায়।

সহপরিবর্তন পদ্ধতির অসুবিধাঃ-  

i. সহ পরিবর্তন পদ্ধতি হলো অন্বয়ী পদ্ধতি অথবা ব্যতিরেকী পদ্ধতির রূপান্তর কাজেই এই দুই পদ্ধতির অসুবিধা এই পদ্ধতিতে ও দেখা যায়।

ii. এই পদ্ধতিকে কার্য এবং কারণ এর গুণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায় না।

iii. পরিমাণগত পরিমাণের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত কাজ করে এবং সেই সীমার বাইরে এই পদ্ধতি কার্যকরী হয় না।

iv. এই পদ্ধতির প্রয়োগে কোন কোন ক্ষেত্রে সহ কার্যকে কারণ বলে গণ্য করার দোষ ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

উপসংহারঃ- সহপরিবর্তন পদ্ধতি হলো একমাত্র পদ্ধতি যা কারণ ও কার্যের পরিমাণগত উপর প্রতিষ্ঠিত এবং একমাত্র এই পদ্ধতির সাহায্যে স্থায়ী কারণকে বর্জন না করেও দুটি ঘটনার মধ্যে কার্যকারণ সম্বন্ধ নির্ণয় করা হয় এটিই হল সহ পরিবর্তন পদ্ধতি বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি হলো একমাত্র উপযোগী পদ্ধতি।

১)উপমাযুক্তি বা সাদৃশ্যমূলক আরোহ অনুমান কাকে বলে?

২) কারনের পরিমানগত লক্ষন সম্পর্কে আলোচনা কর

৩) বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান কাকে বলে? বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের বৈশিষ্ট্য গুলি কি কি? বৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমান এর উদাহরণ দাওবৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরোহ অনুমানের মধ্যে পার্থক্য লিখ

৪)দ্বাদশ শ্রেণী আরোহ দর্শনের প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর।আরোহ অনুমানের স্বরূপ প্রশ্ন ও উত্তর

৫) দৃষ্টান্তসহ আবশ্যিক শর্ত, পর্যাপ্ত শর্ত এবং আবশ্যিক পর্যাপ্ত শর্ত ব্যাখ্যা করো

৬)কারণ কাকে বলে? কারণের গুণগত ও পরিমাণগত লক্ষণ আলোচনা করো


Join Telegram Members

Leave a Comment